০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিনাইদহে সৎ ও দক্ষ পুলিশ অফিসারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ওসি মাসুম খান

  • আপডেট: ০৫:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৫

উপজেলা প্রতিনিধি (হরিণাকুণ্ডু) ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.মাসুম খান সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে আলোচনার নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর  তারিখে তিনি ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানা

থেকে বদলি হয়ে হরিণাকুণ্ডু থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে জনগণকে সেবা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসি মো. মাসুম খান হরিণাকুণ্ডুকে একটি নিরাপদ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকল সচেতন মহল এবং সকল দলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মেধা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদানে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছেন। তার যোগদানের পর থানার সেবার মান নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছে, যা হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আপামর জনসাধারণের মধ্যে আনন্দ ও আস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখন সেবা প্রত্যাশীরা নির্বিঘ্নে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় এসে সেবা নিচ্ছেন।

ওসি মো. মাসুম খানের কাজে কোনো অলসতা বা গাফিলতি নেই। তিনি গুরুত্ব সহকারে সিরিয়াল অনুযায়ী নাগরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে সেবা প্রদান অব্যাহত থাকলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। পুলিশই জনগণের আস্থার ঠিকানা— এই বার্তাটি তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যেই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি মো.ন মাসুম খান বলেন, “যতদিন বেঁচে আছি, যখন যেখানেই থাকি না কেন, আমার দায়িত্ব থেকে কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। আমি সকল শ্রেণির মানুষকে নির্বিঘ্নে সেবা দিতে প্রস্তুত। আমার জানামতে আমি কোনো মানুষকে হয়রানি করিনি। আমি সবসময় নিজের সততার পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “হরিণাকুণ্ডুতে যোগদানের পর থেকেই আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কাজ করছি। বিশেষ করে স্বৈরাচারের দোসর কোনো দুষ্কৃতকারীকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, লুটপাটকারী, জমি জবরদখলকারী, মাদক কারবারিসহ একাধিক অপরাধীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছি। কোনো প্রকার তদবিরে কাজ হয়নি। সকলকে আইনগতভাবে আদালতে উপস্থাপন করেছি।”

ওসি মাসুম খান দৃঢ়তার সাথে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে বিভিন্ন মহল থেকে তদবির ও অনৈতিক সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তাতে সায় দেননি। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সর্বশেষ তিনি বলেন, “আপনারা এবং হরিণাকুণ্ডুর সচেতন নাগরিকরা পাশে থাকলে আমি একটি নিরাপদ হরিণাকুণ্ডু উপহার দিতে পারব। সেবার মানোন্নয়ন এবং স্মার্ট থানা বিনির্মাণের লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব। তিনি আরোও বলেন আমাদের অঙ্গীকার— পুলিশ হবে জনতা।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে সৎ ও দক্ষ পুলিশ অফিসারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ওসি মাসুম খান

আপডেট: ০৫:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উপজেলা প্রতিনিধি (হরিণাকুণ্ডু) ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.মাসুম খান সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে আলোচনার নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর  তারিখে তিনি ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানা

থেকে বদলি হয়ে হরিণাকুণ্ডু থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে জনগণকে সেবা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসি মো. মাসুম খান হরিণাকুণ্ডুকে একটি নিরাপদ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকল সচেতন মহল এবং সকল দলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মেধা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদানে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছেন। তার যোগদানের পর থানার সেবার মান নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছে, যা হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আপামর জনসাধারণের মধ্যে আনন্দ ও আস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখন সেবা প্রত্যাশীরা নির্বিঘ্নে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় এসে সেবা নিচ্ছেন।

ওসি মো. মাসুম খানের কাজে কোনো অলসতা বা গাফিলতি নেই। তিনি গুরুত্ব সহকারে সিরিয়াল অনুযায়ী নাগরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে সেবা প্রদান অব্যাহত থাকলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। পুলিশই জনগণের আস্থার ঠিকানা— এই বার্তাটি তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যেই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি মো.ন মাসুম খান বলেন, “যতদিন বেঁচে আছি, যখন যেখানেই থাকি না কেন, আমার দায়িত্ব থেকে কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। আমি সকল শ্রেণির মানুষকে নির্বিঘ্নে সেবা দিতে প্রস্তুত। আমার জানামতে আমি কোনো মানুষকে হয়রানি করিনি। আমি সবসময় নিজের সততার পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “হরিণাকুণ্ডুতে যোগদানের পর থেকেই আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কাজ করছি। বিশেষ করে স্বৈরাচারের দোসর কোনো দুষ্কৃতকারীকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, লুটপাটকারী, জমি জবরদখলকারী, মাদক কারবারিসহ একাধিক অপরাধীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছি। কোনো প্রকার তদবিরে কাজ হয়নি। সকলকে আইনগতভাবে আদালতে উপস্থাপন করেছি।”

ওসি মাসুম খান দৃঢ়তার সাথে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে বিভিন্ন মহল থেকে তদবির ও অনৈতিক সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তাতে সায় দেননি। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সর্বশেষ তিনি বলেন, “আপনারা এবং হরিণাকুণ্ডুর সচেতন নাগরিকরা পাশে থাকলে আমি একটি নিরাপদ হরিণাকুণ্ডু উপহার দিতে পারব। সেবার মানোন্নয়ন এবং স্মার্ট থানা বিনির্মাণের লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব। তিনি আরোও বলেন আমাদের অঙ্গীকার— পুলিশ হবে জনতা।”