০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

রাজনীতিতে এখন এমপি নামক পদের কদরটি তলানিতে

  • আপডেট: ০৩:০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৪১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

শেখ হাসিনা এমন এমন লোকদের মন্ত্রী বানিয়েছেন যে সে নিজেও ভাবে নাই কখনো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবে । পলক একবার এসেছিলো ২০ বছর আগে আমার ল চেম্বারে যে সে পেশায় কিছু করতে চায় – নাটোর বারে আইনপেশা ভালো হবে না ,কি করা যায়। বললাম তোমার বাপও রাজনীতি করছে তুমি পৌরসভার মেয়র হয়ে যাও – একটু তোতলায় মনে হচ্ছিল প্রথমে , পরেতো সে টকশো শুরু করলো । সকালে উঠে হয়ে গেলো মন্ত্রী।

আমি যদি বেশী দুরে না যাই – আমার গ্রামেই তাহলে কি পাবো জানেন ? মন্ত্রী পাবো রীতিমতো দুইদফা মহা মন্ত্রী, একদফা হুইপ । যে কল্পনায় ভাবে নাই মন্ত্রী হবে। মুজিবুল হকের কথা বলছি । এখন বলতে পারেন তার কপালে লিখা আছে – রাজনীতিতে ত‍্যাগ আছে , লেগে ছিলো । ভাই আজও দেশে এমপি দের কি কাজ তা নির্ধারণ করতে পারি নি ? এমপি হলেই ভাবে ১০ কোটি খরচ করেছি ১০০ কোটি ৫ বছরে কামাবো , গোটা আসনের সব খাবার আমার।

এবারও যারা এমপি হবে বা হতে চায় এরা অনেকে আদৌ সংবিধানের বইটি সব গূলো অনুচ্ছেদ পড়ে দেখে নি । কিংবা তার গতিপথের চিত্র অনুধাবন করেনি । যদি ১৭ বছরের ত্যাগ তার মানদণ্ড বা মাপকাঠি হয় তাহলে সে বিচারে লক্ষ মানুষ যোগ‍্য হয়ে দাঁড়াবে কারন আমার ড্রাইভার যে আমার শুধু গাডী চালিয়েছে তার বিরুদ্ধে ৯ টি মামলা , আমার বাসায় যে দাঁড়োয়ান সে পুলিশকে ডুকতে দেয় নাই বাসায় তার জন‍্য তার মাথায় ও বুকে বন্দুক এর নল দিয়ে মেরেছে – তার ত্যাগ , তার কষ্টের সমাধান আমি কি দিয়ে করবো ?

নিজেকে ১৭ বছরের ত্যাগ , এলাকা ছাড়া , দেশ ছাড়া , ৫০ বছর বয়সের একটি নির্দিষ্ট পেশায় গিয়ে পৌঁছানোর পর তা ছেড়ে দেয়া , মামলা মোকদ্দমা, হামলা নির্যাতন, মায়ের , ভাইয়ের সব নীপিডিত হওয়ার পরও আমি ভাবি আমার ছোট্ট পরিসরে ছোট্ট একটি নেতৃত্ব পাওয়া পর্যন্ত মানায় বা আমার লেভেলে এমপি এখনো যায় না – অনেকে ফোন করে অতি প্রশংসা করতে গিয়ে বলে আপনি মন্ত্রীদের পড়াবেন – আপনার অনেক কর্মী বা শীর্ষরাই মন্ত্রী হবে আর আমি কলকলিয়ে ওদের কথায় সুখের বা খুশির ঢেকুর গিলবো আরকি ?

আমরা এতোটাই আবেগের জাতি যে কোনদিন বলে ফেলতে পারি ম‍্যাডামের সাথে যে কাজ করছে ফাতেমা তার অনেক ত‍্যাগ – সত‍্যিই অনেক অনেক ত‍্যাগ তাই তাকে মন্ত্রী বানানো উচিত , কিংবা তারেক রহমানের সাথে যে কাজ করে সানি তাঁকেও মন্ত্রী পদমর্যাদার কিছু দেয়া হউক , সেও কষট করে তারেক সাহেবের সেবা করছে , এবং ভালো ছেলেও বটে – কেউ সাহস করে উফ শব্দটি বলবে না , কিংবা কেউ এই প্রস্তাবনা দিলে নেতাকে খুশি করার জন‍্য তালও মিলাবে – দেশের ডিজাইনাররা এভাবেই ডিজাইন করে আগামীর ফ‍্যাশন ধরে রাখতে চায়। লালু বুলু ফালু আলুরা দেশ চালায় নাই আগে ? চালিয়েছে তো ? রুচির কথা বললেই বিপদ। এই যে হাদী শহীদ হলো – আমি কেঁদেছি , ২ রাত ঘুমাই নাই কিন্তু ঘোর কেটে যাচ্ছে যেই লোকজন বলা শুরু করলো শহীদ জিয়ার জানাজার থেকে বেশী লোক হইছে , জাতীয় কবি নজরুলের পাশেই তার দাফন হবে – তখন বলতে বাধ‍্য হলাম হাদি ঐ উচ্চতায় থাকা সে আসলেই কোনো সংগ্রামী নেতা বা কবিও না – তার তেমন বর্নাঢ্য অতীতও নাই , আছে উদ্দম সাহস ভরা দরাজ কন্ঠ যা লাখো লাখো যুবক এখনো ধারন করে – পার্থক্য একটাই যে ও শহীদ হয়েছে , গুলি খেয়েছে আর বেচে থাকা এই লাখো সংগরামী যুবকরা এখনও মরে নাই – আর এরা জীবন্ত যোদ্ধা ।আমি নিজেও আসলে তুলনা করাও শিখি নাই তাই সিপাহীরে মন্ত্রী বানাই , সিএসপি রে বানাই পৌরসভার মেয়র ।কর্মীরা চাকর বাকর ধরে হয় এমপি মন্ত্রী আর নেতার নেতারা পার্টি অফিসের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে রাজার দর্শন পেতে।

(নয়ন বাংগালীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

রাজনীতিতে এখন এমপি নামক পদের কদরটি তলানিতে

আপডেট: ০৩:০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

শেখ হাসিনা এমন এমন লোকদের মন্ত্রী বানিয়েছেন যে সে নিজেও ভাবে নাই কখনো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবে । পলক একবার এসেছিলো ২০ বছর আগে আমার ল চেম্বারে যে সে পেশায় কিছু করতে চায় – নাটোর বারে আইনপেশা ভালো হবে না ,কি করা যায়। বললাম তোমার বাপও রাজনীতি করছে তুমি পৌরসভার মেয়র হয়ে যাও – একটু তোতলায় মনে হচ্ছিল প্রথমে , পরেতো সে টকশো শুরু করলো । সকালে উঠে হয়ে গেলো মন্ত্রী।

আমি যদি বেশী দুরে না যাই – আমার গ্রামেই তাহলে কি পাবো জানেন ? মন্ত্রী পাবো রীতিমতো দুইদফা মহা মন্ত্রী, একদফা হুইপ । যে কল্পনায় ভাবে নাই মন্ত্রী হবে। মুজিবুল হকের কথা বলছি । এখন বলতে পারেন তার কপালে লিখা আছে – রাজনীতিতে ত‍্যাগ আছে , লেগে ছিলো । ভাই আজও দেশে এমপি দের কি কাজ তা নির্ধারণ করতে পারি নি ? এমপি হলেই ভাবে ১০ কোটি খরচ করেছি ১০০ কোটি ৫ বছরে কামাবো , গোটা আসনের সব খাবার আমার।

এবারও যারা এমপি হবে বা হতে চায় এরা অনেকে আদৌ সংবিধানের বইটি সব গূলো অনুচ্ছেদ পড়ে দেখে নি । কিংবা তার গতিপথের চিত্র অনুধাবন করেনি । যদি ১৭ বছরের ত্যাগ তার মানদণ্ড বা মাপকাঠি হয় তাহলে সে বিচারে লক্ষ মানুষ যোগ‍্য হয়ে দাঁড়াবে কারন আমার ড্রাইভার যে আমার শুধু গাডী চালিয়েছে তার বিরুদ্ধে ৯ টি মামলা , আমার বাসায় যে দাঁড়োয়ান সে পুলিশকে ডুকতে দেয় নাই বাসায় তার জন‍্য তার মাথায় ও বুকে বন্দুক এর নল দিয়ে মেরেছে – তার ত্যাগ , তার কষ্টের সমাধান আমি কি দিয়ে করবো ?

নিজেকে ১৭ বছরের ত্যাগ , এলাকা ছাড়া , দেশ ছাড়া , ৫০ বছর বয়সের একটি নির্দিষ্ট পেশায় গিয়ে পৌঁছানোর পর তা ছেড়ে দেয়া , মামলা মোকদ্দমা, হামলা নির্যাতন, মায়ের , ভাইয়ের সব নীপিডিত হওয়ার পরও আমি ভাবি আমার ছোট্ট পরিসরে ছোট্ট একটি নেতৃত্ব পাওয়া পর্যন্ত মানায় বা আমার লেভেলে এমপি এখনো যায় না – অনেকে ফোন করে অতি প্রশংসা করতে গিয়ে বলে আপনি মন্ত্রীদের পড়াবেন – আপনার অনেক কর্মী বা শীর্ষরাই মন্ত্রী হবে আর আমি কলকলিয়ে ওদের কথায় সুখের বা খুশির ঢেকুর গিলবো আরকি ?

আমরা এতোটাই আবেগের জাতি যে কোনদিন বলে ফেলতে পারি ম‍্যাডামের সাথে যে কাজ করছে ফাতেমা তার অনেক ত‍্যাগ – সত‍্যিই অনেক অনেক ত‍্যাগ তাই তাকে মন্ত্রী বানানো উচিত , কিংবা তারেক রহমানের সাথে যে কাজ করে সানি তাঁকেও মন্ত্রী পদমর্যাদার কিছু দেয়া হউক , সেও কষট করে তারেক সাহেবের সেবা করছে , এবং ভালো ছেলেও বটে – কেউ সাহস করে উফ শব্দটি বলবে না , কিংবা কেউ এই প্রস্তাবনা দিলে নেতাকে খুশি করার জন‍্য তালও মিলাবে – দেশের ডিজাইনাররা এভাবেই ডিজাইন করে আগামীর ফ‍্যাশন ধরে রাখতে চায়। লালু বুলু ফালু আলুরা দেশ চালায় নাই আগে ? চালিয়েছে তো ? রুচির কথা বললেই বিপদ। এই যে হাদী শহীদ হলো – আমি কেঁদেছি , ২ রাত ঘুমাই নাই কিন্তু ঘোর কেটে যাচ্ছে যেই লোকজন বলা শুরু করলো শহীদ জিয়ার জানাজার থেকে বেশী লোক হইছে , জাতীয় কবি নজরুলের পাশেই তার দাফন হবে – তখন বলতে বাধ‍্য হলাম হাদি ঐ উচ্চতায় থাকা সে আসলেই কোনো সংগ্রামী নেতা বা কবিও না – তার তেমন বর্নাঢ্য অতীতও নাই , আছে উদ্দম সাহস ভরা দরাজ কন্ঠ যা লাখো লাখো যুবক এখনো ধারন করে – পার্থক্য একটাই যে ও শহীদ হয়েছে , গুলি খেয়েছে আর বেচে থাকা এই লাখো সংগরামী যুবকরা এখনও মরে নাই – আর এরা জীবন্ত যোদ্ধা ।আমি নিজেও আসলে তুলনা করাও শিখি নাই তাই সিপাহীরে মন্ত্রী বানাই , সিএসপি রে বানাই পৌরসভার মেয়র ।কর্মীরা চাকর বাকর ধরে হয় এমপি মন্ত্রী আর নেতার নেতারা পার্টি অফিসের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে রাজার দর্শন পেতে।

(নয়ন বাংগালীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া)