০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

সিসি ক্যামেরা বসিয়ে আত্মগোপনে থাকা প্রতারক গ্রেফতার

  • আপডেট: ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা গাড়ি ক্রয়-বিক্রয় প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য মো.সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন সাতপাখি এলাকা থেকে সিআইডির ঢাকা মেট্রো-উত্তর ইউনিটের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামি বিভিন্ন মামলা মাথায় নিয়ে বাসাসহ আশপাশের এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন।

রবিবার(০১ মার্চ) দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি ও তার চক্র পুরনো গাড়ি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জাল নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মালিকানা হস্তান্তর সংক্রান্ত কাগজ তৈরি করত। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তারা জাল কাগজ প্রদর্শন ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গাড়ির কথিত মালিকের সঙ্গে কথোপকথন করিয়ে ১০ লক্ষ টাকার একটি গাড়ি বিক্রি করে। এর মধ্যে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। পরে প্রকৃত মালিকানা জটিলতার কারণে ক্রেতাকে আর্থিক ও আইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়।

চক্রটি বিভিন্ন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠান থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে তা জাল কাগজপত্রে বিক্রি করত। মো. সাইফুল ইসলাম নিজেকে বিভিন্ন কোম্পানির এমডি, বার্তা সম্পাদক ও চ্যানেলের পরিচালক পরিচয় দিতেন। তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শারমিনকে নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করত প্রতারণার জন্য।

সিআইডি জানায়, মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত প্রতারক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার অপরাধ স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত এবং প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য সিআইডি অভিযান চালাচ্ছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদসহ মামলার সকল তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সিসি ক্যামেরা বসিয়ে আত্মগোপনে থাকা প্রতারক গ্রেফতার

আপডেট: ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা গাড়ি ক্রয়-বিক্রয় প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য মো.সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন সাতপাখি এলাকা থেকে সিআইডির ঢাকা মেট্রো-উত্তর ইউনিটের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামি বিভিন্ন মামলা মাথায় নিয়ে বাসাসহ আশপাশের এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন।

রবিবার(০১ মার্চ) দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি ও তার চক্র পুরনো গাড়ি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জাল নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মালিকানা হস্তান্তর সংক্রান্ত কাগজ তৈরি করত। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তারা জাল কাগজ প্রদর্শন ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গাড়ির কথিত মালিকের সঙ্গে কথোপকথন করিয়ে ১০ লক্ষ টাকার একটি গাড়ি বিক্রি করে। এর মধ্যে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। পরে প্রকৃত মালিকানা জটিলতার কারণে ক্রেতাকে আর্থিক ও আইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়।

চক্রটি বিভিন্ন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠান থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে তা জাল কাগজপত্রে বিক্রি করত। মো. সাইফুল ইসলাম নিজেকে বিভিন্ন কোম্পানির এমডি, বার্তা সম্পাদক ও চ্যানেলের পরিচালক পরিচয় দিতেন। তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শারমিনকে নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করত প্রতারণার জন্য।

সিআইডি জানায়, মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত প্রতারক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার অপরাধ স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত এবং প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য সিআইডি অভিযান চালাচ্ছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদসহ মামলার সকল তথ্য সংগ্রহ করা হবে।