০৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন-খোরশেদ আলম

  • আপডেট: ০৬:৩০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।  সাক্ষাৎ শেষে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে নারী ও শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে জানান ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পারলাম ফায়ার সার্ভিস গ্রিল কাটার কোনো যন্ত্র নিয়ে আসতে দেখা যায়নি। ভেতরে মানুষজন বাঁচার জন্য চিৎকার করছে। আর তারা হাতুড়ি দিয়ে গ্রিল ভাঙার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া জনবলও কম আসছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আবাসিক ভবনের আগুনের ভয়াবহতা জেনেও ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতিতে ছিল কমতি। যা সত্যি খুবই দুঃখ জনক ঘটনা । উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে খোরশেদ আলম আরো বলেন, এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আজকের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া , টাঙ্গাইল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নেতৃবৃন্দ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন-খোরশেদ আলম

আপডেট: ০৬:৩০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।  সাক্ষাৎ শেষে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে নারী ও শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে জানান ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পারলাম ফায়ার সার্ভিস গ্রিল কাটার কোনো যন্ত্র নিয়ে আসতে দেখা যায়নি। ভেতরে মানুষজন বাঁচার জন্য চিৎকার করছে। আর তারা হাতুড়ি দিয়ে গ্রিল ভাঙার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া জনবলও কম আসছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আবাসিক ভবনের আগুনের ভয়াবহতা জেনেও ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতিতে ছিল কমতি। যা সত্যি খুবই দুঃখ জনক ঘটনা । উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে খোরশেদ আলম আরো বলেন, এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আজকের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া , টাঙ্গাইল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নেতৃবৃন্দ।