নেপালে বিকেএসপি জুডো দলের সাফল্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
- আপডেট: ০৭:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
- / ১৮০১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ‘অষ্টম নেকোস (NECOS) আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে’ দাপুটে পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশের বিকেএসপি জুডো দল। টুর্নামেন্টের শেষ দিনে আরও দুটি স্বর্ণপদক জয়ের মাধ্যমে মোট ৪টি স্বর্ণ ও ১টি ব্রোঞ্জ নিয়ে জুনিয়র ক্যাটাগরিতে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দলের এই অসামান্য সাফল্যে বিকেএসপির কৃতি জুডোকাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
কাঠমান্ডুর নয়া বাজারে অবস্থিত বহুমুখী মার্শাল আর্ট কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার তৃতীয় ও শেষ দিনে বাংলাদেশের হয়ে সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত করেন ফাবিহা বুশরা ও শাহিন আহমেদ। মেয়েদের +৭০ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রতিপক্ষকে পাত্তাই না দিয়ে স্বর্ণ জেতেন ফাবিহা বুশরা।
টুর্নামেন্ট জুড়ে পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেরা খেলোয়াড়’ নির্বাচিত হয়েছেন। বিশেষ করে সেমিফাইনাল মাত্র ৪ সেকেন্ডে এবং ফাইনাল ৩০ সেকেন্ডে জিতে ফাবিহা সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। দিনের অন্য ইভেন্টে পুরুষদের -৭৩ কেজি ওজনে স্বর্ণ জেতেন শাহিন আহমেদ।
এর আগে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৮ ক্যাডেট +৫৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে আজিজা আলেয়া লিয়ন এবং বালক ক্যাডেট +৬২ কেজি ইভেন্টে উসাচিং মারমা বিজয় স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন। এছাড়া বালিকা -৪৫ কেজি ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জয় করেন রেমি হাসি। বিকেএসপির ৩ জন বালক ও ৩ জন বালিকা—অর্থাৎ মোট ৬ জন খেলোয়াড় অংশ নিয়ে প্রায় প্রত্যেকেই পদক জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।
দলের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এক অভিনন্দন বার্তায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “বিদেশের মাটিতে আমাদের তরুণ জুডোকাদের এই অর্জন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গর্বের। বিশেষ করে ফাবিহা বুশরার টুর্নামেন্ট সেরা হওয়া এবং স্বল্প সময়ে প্রতিপক্ষকে হারানো আমাদের অ্যাথলেটদের সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। আমি বিকেএসপির খেলোয়াড়, কোচ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই সাফল্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
উল্লেখ্য, নেপাল ক্রীড়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় জুডো সংঘের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে স্বাগতিক নেপালের ১৫টি ক্লাবসহ বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রায় ৩০০ জন জুডোকা অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ড. লুৎফর রহমান, কোচের দায়িত্বে মো: আবু বকর সিদ্দিক এবং অফিশিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া অফিসার আল-আমিন।



















