০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক পুলিশ নিয়োগে দালালমুক্ত থাকার আহ্বান: পুলিশ সুপার

  • আপডেট: ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর তৃতীয় দিনের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই (ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট-পিইটি)

সোমবার (২৯ জুন) নোয়াখালী পুলিশ লাইন্স মাঠে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে দ্বিতীয় দিনের পিইটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশ নেন। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের পুশ-আপ, সিট-আপ,ড্র্যাগিং ও রোপ ক্লাইম্বিং ইভেন্টের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন। তিনি প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক। তাই কোনো দালাল বা প্রতারকের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজ যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তৃতীয় দিনের সব ইভেন্ট শেষে মোট ১৯০ জন প্রার্থী লিখিত ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন। উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার আগামী ধাপের পরীক্ষার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (পিআইএমএস) শারমিন আক্তার, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, নিয়োগ বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, পুলিশ সদর দপ্তরের মনোনীত প্রতিনিধি, নোয়াখালী জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক পুলিশ নিয়োগে দালালমুক্ত থাকার আহ্বান: পুলিশ সুপার

আপডেট: ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর তৃতীয় দিনের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই (ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট-পিইটি)

সোমবার (২৯ জুন) নোয়াখালী পুলিশ লাইন্স মাঠে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে দ্বিতীয় দিনের পিইটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশ নেন। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের পুশ-আপ, সিট-আপ,ড্র্যাগিং ও রোপ ক্লাইম্বিং ইভেন্টের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন। তিনি প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক। তাই কোনো দালাল বা প্রতারকের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজ যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তৃতীয় দিনের সব ইভেন্ট শেষে মোট ১৯০ জন প্রার্থী লিখিত ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন। উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার আগামী ধাপের পরীক্ষার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (পিআইএমএস) শারমিন আক্তার, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, নিয়োগ বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, পুলিশ সদর দপ্তরের মনোনীত প্রতিনিধি, নোয়াখালী জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।