১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সহকর্মীদের প্রতিবাদ: পারিবারিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা

  • আপডেট: ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানকে (রিংকু) ঘিরে সম্প্রতি যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার ঘনিষ্ঠ ও সহকর্মীরা।

তাদের দাবি, অত্যন্ত সৎ ও মেধাবী এই অফিসার বগুড়ায় বাড়ি হওয়ার কারণে ও বিএনপিপন্থী রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে আওয়ামী লীগ আমলে তাকে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পোস্টিং দেওয়া হত। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৭ বছর তাকে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ট্রেনিং এ। তবে সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল তার পারিবারিক ইস্যুকে সামনে এনে তাকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।

আসাদুজ্জামান দীর্ঘ কর্মজীবনে এপিবিএন (উখিয়া-রোহিঙ্গা ক্যাম্প), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার গাইবান্ধা, পুলিশ একাডেমি সারদাসহ বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারিত্ব, সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

সহকর্মীদের ভাষ্য, গত বছর পুলিশ সদর দপ্তর এবং পরে সাভার সার্কেলে দায়িত্ব পালনের পর পুনরায় পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দেন তিনি। তাদের অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ নানা দ্বন্দ্ব ও স্বার্থান্বেষী একটি মহলের বিরাগভাজন হওয়ায় তাঁকে নিয়ে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তারা জানান, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়মের সঙ্গে আপস না করায় একটি মহল তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ বাহিনীতে তাঁর সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদার আচরণের জন্য তিনি সহকর্মীদের কাছে সুপরিচিত।

এদিকে আসাদুজ্জামানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হলেও মন্তব্যের ঘরে ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে। অধিকাংশই আসাদুজ্জামানের সততা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে তার পক্ষে মন্তব্য করেছেন।

পোস্টের মন্তব্যের ঘরে মো. সজিব নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, আসাদুজ্জামানের ব্যাপারে বলার আগে হাজার বার ভাবা উচিৎ। তার মতো সৎ পুলিশ অফিসারের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া উচিত নয়। তিনি ডিপার্টমেন্টের গর্ব ও জাতির গর্ব। স্যার যেখানেই কাজ করেছেন সুনামের সহিত তার উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন।

সাগর নামের এক পুলিশ সদস্য লিখেছেন, আসাদ স্যার খুবই ভালো মানুষ, স্যারের সঙ্গে চাকরি করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। খুবই ভালো মানুষ তিনি। একজন আদর্শ ও দক্ষ অফিসার সকল গুনাবলী স্যারের আছে। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে স্যারের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

সুজন ইকবাল নামের আরেক পুলিশ সদস্য লিখেছেন, আমি স্যারের নিজ জেলা বগুড়াতে চাকুরি করি।

আমার জানা মতে রিংকু (আসাদুজ্জামান) স্যার একজন অত্যান্ত ভালো মনের মানুষ। তার এলাকার লোকজন স্যারকে অনেক ভালো বলে।

অপর এক পুলিশ সদস্য মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছে স্যারের অধীনে পুলিশ একাডেমিতে চাকরি করার। আওয়ামী লীগের সময় উনি পুলিশ একাডেমিতেই ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সহকর্মীদের প্রতিবাদ: পারিবারিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা

আপডেট: ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানকে (রিংকু) ঘিরে সম্প্রতি যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার ঘনিষ্ঠ ও সহকর্মীরা।

তাদের দাবি, অত্যন্ত সৎ ও মেধাবী এই অফিসার বগুড়ায় বাড়ি হওয়ার কারণে ও বিএনপিপন্থী রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে আওয়ামী লীগ আমলে তাকে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পোস্টিং দেওয়া হত। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৭ বছর তাকে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ট্রেনিং এ। তবে সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল তার পারিবারিক ইস্যুকে সামনে এনে তাকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।

আসাদুজ্জামান দীর্ঘ কর্মজীবনে এপিবিএন (উখিয়া-রোহিঙ্গা ক্যাম্প), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার গাইবান্ধা, পুলিশ একাডেমি সারদাসহ বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারিত্ব, সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

সহকর্মীদের ভাষ্য, গত বছর পুলিশ সদর দপ্তর এবং পরে সাভার সার্কেলে দায়িত্ব পালনের পর পুনরায় পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দেন তিনি। তাদের অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ নানা দ্বন্দ্ব ও স্বার্থান্বেষী একটি মহলের বিরাগভাজন হওয়ায় তাঁকে নিয়ে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তারা জানান, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়মের সঙ্গে আপস না করায় একটি মহল তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ বাহিনীতে তাঁর সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদার আচরণের জন্য তিনি সহকর্মীদের কাছে সুপরিচিত।

এদিকে আসাদুজ্জামানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হলেও মন্তব্যের ঘরে ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে। অধিকাংশই আসাদুজ্জামানের সততা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে তার পক্ষে মন্তব্য করেছেন।

পোস্টের মন্তব্যের ঘরে মো. সজিব নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, আসাদুজ্জামানের ব্যাপারে বলার আগে হাজার বার ভাবা উচিৎ। তার মতো সৎ পুলিশ অফিসারের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া উচিত নয়। তিনি ডিপার্টমেন্টের গর্ব ও জাতির গর্ব। স্যার যেখানেই কাজ করেছেন সুনামের সহিত তার উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন।

সাগর নামের এক পুলিশ সদস্য লিখেছেন, আসাদ স্যার খুবই ভালো মানুষ, স্যারের সঙ্গে চাকরি করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। খুবই ভালো মানুষ তিনি। একজন আদর্শ ও দক্ষ অফিসার সকল গুনাবলী স্যারের আছে। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে স্যারের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

সুজন ইকবাল নামের আরেক পুলিশ সদস্য লিখেছেন, আমি স্যারের নিজ জেলা বগুড়াতে চাকুরি করি।

আমার জানা মতে রিংকু (আসাদুজ্জামান) স্যার একজন অত্যান্ত ভালো মনের মানুষ। তার এলাকার লোকজন স্যারকে অনেক ভালো বলে।

অপর এক পুলিশ সদস্য মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছে স্যারের অধীনে পুলিশ একাডেমিতে চাকরি করার। আওয়ামী লীগের সময় উনি পুলিশ একাডেমিতেই ছিলেন।