০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোরকা পরে ভূমি অফিসে ডিসি, সাধারণ সেবাগ্রহীতা সেজে দেখলেন কী হচ্ছে

  • আপডেট: ০৭:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা জেলার একটি ভূমি অফিসে সাধারণ সেবাগ্রহীতার বেশে হাজির হয়েছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম। বোরকা পরে পরিচয় গোপন রেখে উত্তর খান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তিনি সরাসরি ভূমিসেবা নেওয়ার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ভূমি অফিসে অন্যদিনের মতোই সেবাগ্রহীতাদের ভিড় ছিল। কেউ এসেছিলেন জমির নামজারি করতে, আবার কেউ নিজের আবেদনের অগ্রগতি জানতে। তাদের সঙ্গে একজন সাধারণ সেবাগ্রহীতার মতো করে অফিসে প্রবেশ করেন ফরিদা খানম। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি ভূমিসেবা নিতে এসেছেন বলে জানান।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, পরিচয় গোপন রেখে অফিসে অবস্থানের সময় তিনি অন্য সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন। ভূমিসেবা নিতে এসে তারা কোনো ধরনের ভোগান্তি, বিলম্ব, অনিয়ম বা হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না, তা জানার চেষ্টা করেন তিনি।

এ সময় ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রমও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের আচরণ, সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য সেবাগুলো কতটা সহজ—এসব বিষয়ও তিনি দেখেন।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও সহজে সাধারণ মানুষকে ভূমিসেবা দেওয়ার নির্দেশনা দেন ফরিদা খানম। সেবা নিতে এসে কেউ যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দাপ্তরিক প্রতিবেদন বা অভিযোগের ওপর নির্ভর করার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে গিয়ে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের অভিজ্ঞতা জানা গেলে সরকারি সেবার বাস্তব চিত্র বোঝা সহজ হয়। পরিচয় প্রকাশ না করে সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়ালে সেবা পাওয়ার প্রকৃত অভিজ্ঞতাও কাছ থেকে জানা সম্ভব বলে তারা মনে করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

বোরকা পরে ভূমি অফিসে ডিসি, সাধারণ সেবাগ্রহীতা সেজে দেখলেন কী হচ্ছে

আপডেট: ০৭:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা জেলার একটি ভূমি অফিসে সাধারণ সেবাগ্রহীতার বেশে হাজির হয়েছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম। বোরকা পরে পরিচয় গোপন রেখে উত্তর খান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তিনি সরাসরি ভূমিসেবা নেওয়ার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ভূমি অফিসে অন্যদিনের মতোই সেবাগ্রহীতাদের ভিড় ছিল। কেউ এসেছিলেন জমির নামজারি করতে, আবার কেউ নিজের আবেদনের অগ্রগতি জানতে। তাদের সঙ্গে একজন সাধারণ সেবাগ্রহীতার মতো করে অফিসে প্রবেশ করেন ফরিদা খানম। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি ভূমিসেবা নিতে এসেছেন বলে জানান।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, পরিচয় গোপন রেখে অফিসে অবস্থানের সময় তিনি অন্য সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন। ভূমিসেবা নিতে এসে তারা কোনো ধরনের ভোগান্তি, বিলম্ব, অনিয়ম বা হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না, তা জানার চেষ্টা করেন তিনি।

এ সময় ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রমও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের আচরণ, সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য সেবাগুলো কতটা সহজ—এসব বিষয়ও তিনি দেখেন।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও সহজে সাধারণ মানুষকে ভূমিসেবা দেওয়ার নির্দেশনা দেন ফরিদা খানম। সেবা নিতে এসে কেউ যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দাপ্তরিক প্রতিবেদন বা অভিযোগের ওপর নির্ভর করার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে গিয়ে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের অভিজ্ঞতা জানা গেলে সরকারি সেবার বাস্তব চিত্র বোঝা সহজ হয়। পরিচয় প্রকাশ না করে সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়ালে সেবা পাওয়ার প্রকৃত অভিজ্ঞতাও কাছ থেকে জানা সম্ভব বলে তারা মনে করেন।