০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: নবীন কর্মকর্তাদের আনসার মহাপরিচালক

  • আপডেট: ০৯:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাহিনীর সদর দপ্তরে ৪৫তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডারের ১৯ জন নবীন কর্মকর্তাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের পর ওই কর্মকর্তারা বাহিনীর সদর দপ্তরে উপস্থিত হন। সেখানে সম্মেলনকক্ষে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মহাপরিচালক। পরে স্বাগত ও পরিচিতিমূলক সভায় নবীন কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বৃহত্তম জনসম্পৃক্ত শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী। প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের এ বাহিনীর প্রতিটি স্তরের সদস্যের দায়িত্ব ও ভূমিকা আলাদা হলেও জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণে তাঁদের সম্মিলিত অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

বাহিনীর সাংগঠনিক শক্তিকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও উপলব্ধিকে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য, আদর্শ ও দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সাংগঠনিক উৎকর্ষ অর্জন এবং জাতীয় স্বার্থে অবদান রাখার মানসিকতা ধারণ করতে হবে।

আনসার মহাপরিচালক বলেন, এ বাহিনী শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, জনকল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুসংগঠিত, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, তাঁদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বোঝা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নবীন কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং জাতীয় উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অবদান আরও বাড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মহাপরিচালক।

অনুষ্ঠানে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: নবীন কর্মকর্তাদের আনসার মহাপরিচালক

আপডেট: ০৯:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাহিনীর সদর দপ্তরে ৪৫তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডারের ১৯ জন নবীন কর্মকর্তাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের পর ওই কর্মকর্তারা বাহিনীর সদর দপ্তরে উপস্থিত হন। সেখানে সম্মেলনকক্ষে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মহাপরিচালক। পরে স্বাগত ও পরিচিতিমূলক সভায় নবীন কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বৃহত্তম জনসম্পৃক্ত শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী। প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের এ বাহিনীর প্রতিটি স্তরের সদস্যের দায়িত্ব ও ভূমিকা আলাদা হলেও জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণে তাঁদের সম্মিলিত অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

বাহিনীর সাংগঠনিক শক্তিকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও উপলব্ধিকে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য, আদর্শ ও দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সাংগঠনিক উৎকর্ষ অর্জন এবং জাতীয় স্বার্থে অবদান রাখার মানসিকতা ধারণ করতে হবে।

আনসার মহাপরিচালক বলেন, এ বাহিনী শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, জনকল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুসংগঠিত, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, তাঁদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বোঝা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নবীন কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং জাতীয় উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অবদান আরও বাড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মহাপরিচালক।

অনুষ্ঠানে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।