০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

কারাগার থেকে পালানো ৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক,১৬৬ জনের তথ্য নেই

  • আপডেট: ০১:৩০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২ হাজার ২৪৭ বন্দীর মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনো ৬৯০ বন্দী পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহার হোসেন।

এছাড়া নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ বন্দীর মধ্যে ১৬৬ জনের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কারা সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক।

সৈয়দ মোতাহার হোসেন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ২ হাজার ২৪৭ বন্দী পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ৬৯০ জন এখনো পলাতক। তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।

নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ওই কারাগার থেকে ৮২৬ জন বন্দী পালিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৬৬০ জনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি ১৬৬ জনের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কারাগারে কোনো বন্দীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, কারাগারে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৭৫টি কারাগার রয়েছে। প্রতিটি কারাগারে খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি কারাগার সংস্কার করা প্রয়োজন।

কারাগারে মাদক প্রবেশ এবং এতে কারারক্ষীদের সহযোগিতার অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দ মোতাহার হোসেন বলেন, মাদক ও আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে কারা অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, কোনো কারারক্ষী মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ফৌজদারি অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

কারা মহাপরিদর্শক জানান, গত দুই বছরে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনায় ২১ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর এবং ৮২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছোটখাটো অপরাধের কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৩০৩ জনকে বিভিন্ন বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

কারাগার থেকে পালানো ৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক,১৬৬ জনের তথ্য নেই

আপডেট: ০১:৩০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২ হাজার ২৪৭ বন্দীর মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনো ৬৯০ বন্দী পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহার হোসেন।

এছাড়া নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ বন্দীর মধ্যে ১৬৬ জনের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কারা সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক।

সৈয়দ মোতাহার হোসেন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ২ হাজার ২৪৭ বন্দী পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ৬৯০ জন এখনো পলাতক। তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।

নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ওই কারাগার থেকে ৮২৬ জন বন্দী পালিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৬৬০ জনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি ১৬৬ জনের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কারাগারে কোনো বন্দীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, কারাগারে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৭৫টি কারাগার রয়েছে। প্রতিটি কারাগারে খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি কারাগার সংস্কার করা প্রয়োজন।

কারাগারে মাদক প্রবেশ এবং এতে কারারক্ষীদের সহযোগিতার অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দ মোতাহার হোসেন বলেন, মাদক ও আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে কারা অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, কোনো কারারক্ষী মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ফৌজদারি অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

কারা মহাপরিদর্শক জানান, গত দুই বছরে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনায় ২১ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর এবং ৮২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছোটখাটো অপরাধের কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৩০৩ জনকে বিভিন্ন বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।