০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জোর করে টাকা আদায়ের সুযোগ নেই, পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের বার্তা দিলেন মন্ত্রী

  • আপডেট: ০৯:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০১২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পরিবহন খাতে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশন যদি কোনো তহবিল সংগ্রহ করে, তা সংশ্লিষ্টদের সমঝোতা ও সম্মতির ভিত্তিতেই হতে হবে। কাউকে বাধ্য করে অর্থ আদায় করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

বৃহস্পতিবার(১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। তবে এটি হতে হবে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে। চালক বা সংশ্লিষ্ট কেউ যদি স্বেচ্ছায় দিতে না চান, তাকে বাধ্য করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও জানান, মালিক সমিতিগুলো নির্দিষ্ট হারে যে অর্থ তোলে, তা মালিকদের কল্যাণে ব্যবহারের কথা। তবে সেই অর্থ কতটুকু এবং কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি নজরে রাখবে এবং কোনো ধরনের অপব্যবহার হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। সমঝোতার ভিত্তিতে সংগঠন পরিচালিত হলে সেটিকে ‘চাঁদা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু জোর করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

এসময় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

ঈদের ছুটিতে সড়কে যান ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গত ঈদে ছুটির দিন বেশি ছিল। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করবো। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে, সেটা ঠিক করা হবে। তবে অতিরিক্ত কিছু পদক্ষেপ যুক্ত করার বিষয়ে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল ও যানজট সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। তিনি বলেন, অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব কি না, নাকি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে-সে বিষয়ে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মহাসড়কে বাজার বসা, অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে যানজট বাড়ছে। স্ট্রিট পার্কিংয়ের নামে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ইজারা দেওয়ার বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেট্রোরেলের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং দ্রুতগতিতে এগোবে। বিআরটি প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি রাষ্ট্রবান্ধব হয়নি-এমন প্রাথমিক ধারণা রয়েছে। তবে বিপুল অর্থ ব্যয় ও ঋণসংক্রান্ত জটিলতা বিবেচনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে।

সড়কে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, যেখানে জনস্বার্থ, সেখানে দলীয় স্বার্থ নগণ্য। কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করেই মন্ত্রণালয় পরিচালনা করা হবে।

পদ্মা সেতুর টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নিয়মিত টোল আদায় হচ্ছে এবং সেতুর কিস্তিও পরিশোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো বকেয়া নেই বলে দাবি করেন তিনি।

রেল খাতে দীর্ঘসূত্রতা ও সমন্বয়হীনতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অনেক জায়গায় রেললাইন নির্মাণ শেষ হলেও ইঞ্জিন ও বগির অভাবে ট্রেন চালু করা যায়নি। কোথাও ইঞ্জিন এসেছে, কিন্তু বগি নেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী রেল খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরেই ইঞ্জিন ও বগি তৈরি করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সমন্বয় আনার মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে যাত্রাসময় কমানো, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত টিকিট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় ১৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

জোর করে টাকা আদায়ের সুযোগ নেই, পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের বার্তা দিলেন মন্ত্রী

আপডেট: ০৯:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পরিবহন খাতে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশন যদি কোনো তহবিল সংগ্রহ করে, তা সংশ্লিষ্টদের সমঝোতা ও সম্মতির ভিত্তিতেই হতে হবে। কাউকে বাধ্য করে অর্থ আদায় করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

বৃহস্পতিবার(১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। তবে এটি হতে হবে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে। চালক বা সংশ্লিষ্ট কেউ যদি স্বেচ্ছায় দিতে না চান, তাকে বাধ্য করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও জানান, মালিক সমিতিগুলো নির্দিষ্ট হারে যে অর্থ তোলে, তা মালিকদের কল্যাণে ব্যবহারের কথা। তবে সেই অর্থ কতটুকু এবং কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি নজরে রাখবে এবং কোনো ধরনের অপব্যবহার হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। সমঝোতার ভিত্তিতে সংগঠন পরিচালিত হলে সেটিকে ‘চাঁদা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু জোর করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

এসময় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

ঈদের ছুটিতে সড়কে যান ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গত ঈদে ছুটির দিন বেশি ছিল। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করবো। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে, সেটা ঠিক করা হবে। তবে অতিরিক্ত কিছু পদক্ষেপ যুক্ত করার বিষয়ে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল ও যানজট সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। তিনি বলেন, অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব কি না, নাকি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে-সে বিষয়ে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মহাসড়কে বাজার বসা, অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে যানজট বাড়ছে। স্ট্রিট পার্কিংয়ের নামে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ইজারা দেওয়ার বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেট্রোরেলের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং দ্রুতগতিতে এগোবে। বিআরটি প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি রাষ্ট্রবান্ধব হয়নি-এমন প্রাথমিক ধারণা রয়েছে। তবে বিপুল অর্থ ব্যয় ও ঋণসংক্রান্ত জটিলতা বিবেচনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে।

সড়কে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, যেখানে জনস্বার্থ, সেখানে দলীয় স্বার্থ নগণ্য। কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করেই মন্ত্রণালয় পরিচালনা করা হবে।

পদ্মা সেতুর টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নিয়মিত টোল আদায় হচ্ছে এবং সেতুর কিস্তিও পরিশোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো বকেয়া নেই বলে দাবি করেন তিনি।

রেল খাতে দীর্ঘসূত্রতা ও সমন্বয়হীনতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অনেক জায়গায় রেললাইন নির্মাণ শেষ হলেও ইঞ্জিন ও বগির অভাবে ট্রেন চালু করা যায়নি। কোথাও ইঞ্জিন এসেছে, কিন্তু বগি নেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী রেল খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরেই ইঞ্জিন ও বগি তৈরি করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সমন্বয় আনার মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে যাত্রাসময় কমানো, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত টিকিট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় ১৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।