১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

তারাবির নামাজে স্বামী, ঘরে নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, গ্রেফতার ২

  • আপডেট: ০৭:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০০৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় এক নারীর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে তুরাগ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন–নূরে আলম বাঘ ও মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেল ইসলাম জনি।

বুধবার(০৪ মার্চ) রাতে ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, তুরাগ থানাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে ভিকটিম রেজিনা মমতাজ স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। গত সোমবার রাত আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে তার স্বামী তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য বাসা থেকে বের হন। রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ফিরে এসে দরজা খুলে দেখেন, ভিকটিমের হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা এবং নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন এবং ঘরের মালামাল ছিল এলোমেলো আছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাত আনুমানিক ৮টা ১৮ মিনিটে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ভিকটিমকে হাত-পা বেঁধে ও নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তারা এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের নাকফুল লুট করে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অভিযান চালিয়ে নূরে আলমকে ১৫ নম্বর সেক্টর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১২ নম্বর সেক্টরের একটি অফিস থেকে লুণ্ঠিত এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি পিতলের নাকফুল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত স্কচটেপ ও ভাঙা চশমা উদ্ধার করা হয়।

একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশন এলাকা থেকে মো. রাসেল মাদব্বরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

তারাবির নামাজে স্বামী, ঘরে নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, গ্রেফতার ২

আপডেট: ০৭:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় এক নারীর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে তুরাগ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন–নূরে আলম বাঘ ও মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেল ইসলাম জনি।

বুধবার(০৪ মার্চ) রাতে ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, তুরাগ থানাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে ভিকটিম রেজিনা মমতাজ স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। গত সোমবার রাত আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে তার স্বামী তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য বাসা থেকে বের হন। রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ফিরে এসে দরজা খুলে দেখেন, ভিকটিমের হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা এবং নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন এবং ঘরের মালামাল ছিল এলোমেলো আছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাত আনুমানিক ৮টা ১৮ মিনিটে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ভিকটিমকে হাত-পা বেঁধে ও নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তারা এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের নাকফুল লুট করে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অভিযান চালিয়ে নূরে আলমকে ১৫ নম্বর সেক্টর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১২ নম্বর সেক্টরের একটি অফিস থেকে লুণ্ঠিত এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি পিতলের নাকফুল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত স্কচটেপ ও ভাঙা চশমা উদ্ধার করা হয়।

একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশন এলাকা থেকে মো. রাসেল মাদব্বরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।