১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি, বিমানের পরিচালক প্রশাসনে মিজানুর রশীদ

  • আপডেট: ০৪:২৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মিজানুর রশীদ। বুধবার (৪ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

১৯৯৮ সালে ট্রেইনি অফিসার হিসেবে সংস্থায় যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মিজানুর রশীদ। তার নিষ্ঠা, মেধা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি জেনারেল ম্যানেজার পদে পদোন্নতি পান। এরপর থেকে তিনি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সততা ও সাফল্যের সঙ্গে পালন করে আসছেন। এসব যোগ্যতার ভিত্তিতেই তাকে পরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পতিত সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সেইসব কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন ছিলেন, যারা ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।

শিক্ষাজীবনে মিজানুর রশীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। ফ্রান্স সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিনি তুলুজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আকাশযান ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

সেখানে বিমান চলাচল ব্যবসা ও বাজার পরিকল্পনা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এছাড়া তিনি ফ্রান্সের ইনস্টিটিউট অ্যারোনটিক এ স্পাসিয়াল-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তিও অর্জন করেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বিমান চলাচল ব্যবসা ব্যবস্থাপনার ওপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশে সংস্থার একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। গত পাঁচ বছর ধরে দেশের একমাত্র সরকার অনুমোদিত বিমান ও আকাশযান বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষকতাও করছেন তিনি।

একজন অভিজ্ঞ পেশাজীবী হিসেবে বিমানের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মিজানুর রশীদ। তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা চালু হয়েছে, যার ফলে প্রতি মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব সময়মতো উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে লাভজনক রুট চিহ্নিত করা এবং রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি রাজস্ব বিভাগের অধীনে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সেলস ও হিসাব নিরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন। এর ফলে টিকিটসংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম প্রায় নির্মূল হয়েছে এবং ভুল বা কাল্পনিক বুকিংয়ের মতো প্রতারণামূলক কার্যক্রম শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এই উদ্যোগের ফলে কোভিড সময়কাল থেকে বিভিন্ন এজেন্সি থেকে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মিজানুর রশীদ তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি, বিমানের পরিচালক প্রশাসনে মিজানুর রশীদ

আপডেট: ০৪:২৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মিজানুর রশীদ। বুধবার (৪ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

১৯৯৮ সালে ট্রেইনি অফিসার হিসেবে সংস্থায় যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মিজানুর রশীদ। তার নিষ্ঠা, মেধা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি জেনারেল ম্যানেজার পদে পদোন্নতি পান। এরপর থেকে তিনি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সততা ও সাফল্যের সঙ্গে পালন করে আসছেন। এসব যোগ্যতার ভিত্তিতেই তাকে পরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পতিত সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সেইসব কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন ছিলেন, যারা ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।

শিক্ষাজীবনে মিজানুর রশীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। ফ্রান্স সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিনি তুলুজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আকাশযান ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

সেখানে বিমান চলাচল ব্যবসা ও বাজার পরিকল্পনা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এছাড়া তিনি ফ্রান্সের ইনস্টিটিউট অ্যারোনটিক এ স্পাসিয়াল-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তিও অর্জন করেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বিমান চলাচল ব্যবসা ব্যবস্থাপনার ওপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশে সংস্থার একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। গত পাঁচ বছর ধরে দেশের একমাত্র সরকার অনুমোদিত বিমান ও আকাশযান বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষকতাও করছেন তিনি।

একজন অভিজ্ঞ পেশাজীবী হিসেবে বিমানের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মিজানুর রশীদ। তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা চালু হয়েছে, যার ফলে প্রতি মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব সময়মতো উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে লাভজনক রুট চিহ্নিত করা এবং রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি রাজস্ব বিভাগের অধীনে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সেলস ও হিসাব নিরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন। এর ফলে টিকিটসংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম প্রায় নির্মূল হয়েছে এবং ভুল বা কাল্পনিক বুকিংয়ের মতো প্রতারণামূলক কার্যক্রম শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এই উদ্যোগের ফলে কোভিড সময়কাল থেকে বিভিন্ন এজেন্সি থেকে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মিজানুর রশীদ তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।