১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ভূতাপেক্ষ অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন কোহিনুর মিয়া

  • আপডেট: ০৮:২৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক উপপুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. কোহিনুর মিয়াকে অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

রবিবার (১১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির সাবেক উপপুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. কোহিনুর মিয়াকে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিধি মোতাবেক তিনি প্রাপ্যতা অনুযায়ী বকেয়া বেতন-ভাতাদি পাবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ২০০১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক বছরের মধ্যেই আলোচিত হয়ে উঠেছিলেন তখনকার পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়া।

ওই আমলে একসময় তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার ছিলেন। বিসিএস ১২ ব্যাচের এই কর্মকর্তা ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। এই ব্যাচের অনেক কর্মকর্তারা বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদায় রয়েছে বা অবসরে গেছেন।

তবে ২০০২ সালের জুলাইয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে গভীর রাতে পুলিশি অভিযানের ঘটনায় তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিলেন। ওই ঘটনার জেরে তীব্র আন্দোলনের মুখে তখনকার উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

বিএনপি সরকারের সময়েই তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছিল। যদিও এসব মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০০৯ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোহিনূর মিয়াকে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর দুই বছর পর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। সবশেষ গত মার্চে তার বরখাস্ত আদেশ বাতিল করে তাকে বকেয়া বেতন ভাতাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

কোহিনুর মিয়ার বাড়ি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায়। তবে তাঁর স্কুলজীবন কেটেছে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়, সেখানেই তিনি মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।

যেসব অভিযোগ থেকে মুক্ত কোহিনূর মিয়া

এদিকে একজন পথচারীকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় কুড়ি বছর আগে দায়ের করা একটি মামলা থেকে তৎকালীন প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়াসহ তিনজনকে খালাস দেয় আদালত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভারপ্রাপ্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হকের আদালত এ রায় দেন।

খালাস পাওয়া অন্য দুজন হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তৎকালীন উপ–পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মাজহারুল হক ও কনস্টেবল রুহুল আমীন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১২ মার্চ ধানমন্ডির রাপা প্লাজার সামনে শাহিন সুলতানা শান্তা নামের এক নারী পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। সেদিন তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ ও দলটির নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় নিজের ছেলেকে বিদ্যালয় থেকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে শান্তা ভয়ে পাশের একটি ক্লিনিকে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সদস্যরা তাকে ও তার ছেলেকে টেনে–হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলেন এবং মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার দুই দিন পর ২০০৬ সালের ১৪ মার্চ শান্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই উপ–পুলিশ কমিশনার ও এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেয়। এতে আপত্তি জানিয়ে শান্তা বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন করেন।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০০৯ সালে মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। তবে মামলার অভিযোগপত্র জমা দিতে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় লাগে এবং ২০২৩ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সম্প্রতি তিনজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিলেও তারা ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। এর পরই আদালত কোহিনূরসহ তিনজনকে খালাস দেন।

অন্যদিকে ২০২৪ সালে ১২ নভেম্বর ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী নান্দাইলের ডাবল মার্ডার মামলায় বেকসুর খালাস দেন তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) কোহিনূর মিয়াকে। সেসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী এম. এ হান্নান খান জানান, প্রায় ২০ বছর ৬ মাস ৩ দিন পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৫ মে পৌরসভা নির্বাচনের সময় নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুজন ও আবু তাহের নামে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় শুরুতে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করলেও তদন্তে আসামি শনাক্ত না হওয়ায় একাধিকবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

পরে ২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ভূইয়া সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী, তৎকালীন এসপি কোহিনূর মিয়া ও পৌর মেয়র আব্দুস ছাত্তার ভুইয়া উজ্জ্বলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত করে ২০১১ সালে কোহিনূর মিয়া ও উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ভূতাপেক্ষ অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন কোহিনুর মিয়া

আপডেট: ০৮:২৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক উপপুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. কোহিনুর মিয়াকে অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

রবিবার (১১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির সাবেক উপপুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. কোহিনুর মিয়াকে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিধি মোতাবেক তিনি প্রাপ্যতা অনুযায়ী বকেয়া বেতন-ভাতাদি পাবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ২০০১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক বছরের মধ্যেই আলোচিত হয়ে উঠেছিলেন তখনকার পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়া।

ওই আমলে একসময় তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার ছিলেন। বিসিএস ১২ ব্যাচের এই কর্মকর্তা ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। এই ব্যাচের অনেক কর্মকর্তারা বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদায় রয়েছে বা অবসরে গেছেন।

তবে ২০০২ সালের জুলাইয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে গভীর রাতে পুলিশি অভিযানের ঘটনায় তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিলেন। ওই ঘটনার জেরে তীব্র আন্দোলনের মুখে তখনকার উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

বিএনপি সরকারের সময়েই তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছিল। যদিও এসব মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০০৯ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোহিনূর মিয়াকে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর দুই বছর পর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। সবশেষ গত মার্চে তার বরখাস্ত আদেশ বাতিল করে তাকে বকেয়া বেতন ভাতাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

কোহিনুর মিয়ার বাড়ি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায়। তবে তাঁর স্কুলজীবন কেটেছে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়, সেখানেই তিনি মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।

যেসব অভিযোগ থেকে মুক্ত কোহিনূর মিয়া

এদিকে একজন পথচারীকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় কুড়ি বছর আগে দায়ের করা একটি মামলা থেকে তৎকালীন প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়াসহ তিনজনকে খালাস দেয় আদালত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভারপ্রাপ্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হকের আদালত এ রায় দেন।

খালাস পাওয়া অন্য দুজন হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তৎকালীন উপ–পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মাজহারুল হক ও কনস্টেবল রুহুল আমীন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১২ মার্চ ধানমন্ডির রাপা প্লাজার সামনে শাহিন সুলতানা শান্তা নামের এক নারী পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। সেদিন তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ ও দলটির নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় নিজের ছেলেকে বিদ্যালয় থেকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে শান্তা ভয়ে পাশের একটি ক্লিনিকে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সদস্যরা তাকে ও তার ছেলেকে টেনে–হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলেন এবং মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার দুই দিন পর ২০০৬ সালের ১৪ মার্চ শান্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই উপ–পুলিশ কমিশনার ও এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেয়। এতে আপত্তি জানিয়ে শান্তা বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন করেন।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০০৯ সালে মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। তবে মামলার অভিযোগপত্র জমা দিতে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় লাগে এবং ২০২৩ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সম্প্রতি তিনজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিলেও তারা ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। এর পরই আদালত কোহিনূরসহ তিনজনকে খালাস দেন।

অন্যদিকে ২০২৪ সালে ১২ নভেম্বর ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী নান্দাইলের ডাবল মার্ডার মামলায় বেকসুর খালাস দেন তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) কোহিনূর মিয়াকে। সেসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী এম. এ হান্নান খান জানান, প্রায় ২০ বছর ৬ মাস ৩ দিন পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৫ মে পৌরসভা নির্বাচনের সময় নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুজন ও আবু তাহের নামে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় শুরুতে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করলেও তদন্তে আসামি শনাক্ত না হওয়ায় একাধিকবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

পরে ২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ভূইয়া সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী, তৎকালীন এসপি কোহিনূর মিয়া ও পৌর মেয়র আব্দুস ছাত্তার ভুইয়া উজ্জ্বলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত করে ২০১১ সালে কোহিনূর মিয়া ও উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেন।