০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা জেলার নতুন ডিসি ফরিদা খানম, তাকে নিয়ে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়

  • আপডেট: ০২:৫৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানমকে বদলি করে ঢাকা জেলার প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, চব্বিশের জুলাই পরবর্তী সময়ে চট্রগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান ফরিদা খানম। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

এ বিষয়ে আজ দুপুরে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন খান সায়ের। পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক থাকা অবস্থায় ফরিদা খানম নিজ ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এবং সরকারি নীতিমালার পরোয়া না করে না করে সরকারি খাস জায়গা পাঁচ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দিয়েছেন। গোপনে দুটি পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিলেন ২৩ শতকের বেশি জায়গা।

এছাড়াও বালুমহাল ইজারা, রেকর্ড জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক খাতের তহবিল অন্য খাতে ব্যয় করাসহ নানা কারণে গতবছর তাকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

আজকে সেই ফরিদা খানমকে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম‍্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত এহেন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে তাদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে কেন? পোস্টের শেষে এমন প্রশ্ন তোলেন জুলকারনাইন সায়ের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঢাকা জেলার নতুন ডিসি ফরিদা খানম, তাকে নিয়ে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়

আপডেট: ০২:৫৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানমকে বদলি করে ঢাকা জেলার প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, চব্বিশের জুলাই পরবর্তী সময়ে চট্রগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান ফরিদা খানম। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

এ বিষয়ে আজ দুপুরে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন খান সায়ের। পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক থাকা অবস্থায় ফরিদা খানম নিজ ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এবং সরকারি নীতিমালার পরোয়া না করে না করে সরকারি খাস জায়গা পাঁচ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দিয়েছেন। গোপনে দুটি পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিলেন ২৩ শতকের বেশি জায়গা।

এছাড়াও বালুমহাল ইজারা, রেকর্ড জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক খাতের তহবিল অন্য খাতে ব্যয় করাসহ নানা কারণে গতবছর তাকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

আজকে সেই ফরিদা খানমকে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম‍্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত এহেন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে তাদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে কেন? পোস্টের শেষে এমন প্রশ্ন তোলেন জুলকারনাইন সায়ের।