১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

‘৯৯ শতাংশ পুলিশ সৎ’—আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদরদপ্তর

  • আপডেট: ০৯:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের “শতকরা ৯৯ ভাগ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল” মন্তব্য নিয়ে উদ্ভূত আলোচনা প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। সংস্থাটি বলছে, বক্তব্যটি নির্দিষ্ট সময়ের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইজিপির বক্তব্য মূলত সাম্প্রতিক বছরগুলোর প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চার বছরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গৃহীত ও অনুসন্ধানে পাঠানো অভিযোগের সংখ্যা ছিল মোট ৭ হাজার ৮৮২টি। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪ জন। সে হিসেবে গড় বার্ষিক অভিযোগের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৯৭০টি এবং অভিযোগে জড়িত হওয়ার হার প্রায় ০.৯০ শতাংশ।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে ১ শতাংশ বা তার কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা অস্বাভাবিক নয়। বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতারই নির্দেশক।

সংস্থাটি আরও জানায়, সব অভিযোগ সরাসরি দুর্নীতি বা অসততার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সমস্যা, আচরণগত সীমাবদ্ধতা বা পেশাগত অদক্ষতার মতো বিষয়ও অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত থাকে। এসব বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতি বা অসততার হার আরও কমে প্রায় ০.৭০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার সদস্যের বাহিনীতে অল্পসংখ্যক সদস্যের অনিয়মের কারণে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানায়, আইজিপি তার বক্তব্যে মূলত এই বাস্তবতাটিই তুলে ধরতে চেয়েছেন যে, বাহিনীর সিংহভাগ সদস্য সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

‘৯৯ শতাংশ পুলিশ সৎ’—আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদরদপ্তর

আপডেট: ০৯:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের “শতকরা ৯৯ ভাগ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল” মন্তব্য নিয়ে উদ্ভূত আলোচনা প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। সংস্থাটি বলছে, বক্তব্যটি নির্দিষ্ট সময়ের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইজিপির বক্তব্য মূলত সাম্প্রতিক বছরগুলোর প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চার বছরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গৃহীত ও অনুসন্ধানে পাঠানো অভিযোগের সংখ্যা ছিল মোট ৭ হাজার ৮৮২টি। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪ জন। সে হিসেবে গড় বার্ষিক অভিযোগের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৯৭০টি এবং অভিযোগে জড়িত হওয়ার হার প্রায় ০.৯০ শতাংশ।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে ১ শতাংশ বা তার কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা অস্বাভাবিক নয়। বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতারই নির্দেশক।

সংস্থাটি আরও জানায়, সব অভিযোগ সরাসরি দুর্নীতি বা অসততার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সমস্যা, আচরণগত সীমাবদ্ধতা বা পেশাগত অদক্ষতার মতো বিষয়ও অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত থাকে। এসব বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতি বা অসততার হার আরও কমে প্রায় ০.৭০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার সদস্যের বাহিনীতে অল্পসংখ্যক সদস্যের অনিয়মের কারণে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানায়, আইজিপি তার বক্তব্যে মূলত এই বাস্তবতাটিই তুলে ধরতে চেয়েছেন যে, বাহিনীর সিংহভাগ সদস্য সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।