০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যৌন উত্তেজক ঔষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন আজহারী-তাসনিম জারা,আসলে যা ছিল

  • আপডেট: ০২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ড.মিজানুর রহমান আজহারী,তাসনিম জারা ও ডা.জাহাঙ্গীর কবিরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি, কণ্ঠ ও ভিডিও ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত চক্রের ১০ (দশ) সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পল্টন মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. সারাফাত হোসেন, সাফায়েত হোসেন শুভ, তৌকি তাজওয়ার ইলহাম, তাকিবুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, মিনহাজুর রহমান শাহেদ, শাহামান তৌফিক, ইমন হোসেন বিজয়, অমিদ হাসান এবং মো. ইমরান।

পুলিশ বলছে, চক্রটি মূলক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা আজহারী, তাসনিম এবং ডা. জাহাঙ্গীর কবিরসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া প্রচারণার মাধ্যমে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করত।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ কলোনী এলাকা থেকে ৯ জনকে এবং পরবর্তীতে শুক্রবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকার এভিনিউ-১ থেকে মো. ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী ড. আজহারী প্রথম ভুয়া ভিডিও ও বিজ্ঞাপন শনাক্ত করেন এবং তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেন। পরে তার প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রজু হয়।

সম্প্রতি অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি মোবাইল ফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিমকার্ড এবং বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক অবৈধ ঔষধ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকতরা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা দীর্ঘদিন ধরে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে আসছিল।

চক্রের ফেসবুক পেজগুলোতে দেখা যায়, তারা কখনও মিজানুর রহমান আজহারী, কখনও তাসনিম জারা আবার কখনও জাকির নায়েকের ছবি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেগুলোতে বিভিন্ন ধরনের হালাল যৌন উত্তেজক ঔষুধ খাওয়া ও কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

যৌন উত্তেজক ঔষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন আজহারী-তাসনিম জারা,আসলে যা ছিল

আপডেট: ০২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ড.মিজানুর রহমান আজহারী,তাসনিম জারা ও ডা.জাহাঙ্গীর কবিরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি, কণ্ঠ ও ভিডিও ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত চক্রের ১০ (দশ) সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পল্টন মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. সারাফাত হোসেন, সাফায়েত হোসেন শুভ, তৌকি তাজওয়ার ইলহাম, তাকিবুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, মিনহাজুর রহমান শাহেদ, শাহামান তৌফিক, ইমন হোসেন বিজয়, অমিদ হাসান এবং মো. ইমরান।

পুলিশ বলছে, চক্রটি মূলক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা আজহারী, তাসনিম এবং ডা. জাহাঙ্গীর কবিরসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া প্রচারণার মাধ্যমে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করত।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ কলোনী এলাকা থেকে ৯ জনকে এবং পরবর্তীতে শুক্রবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকার এভিনিউ-১ থেকে মো. ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী ড. আজহারী প্রথম ভুয়া ভিডিও ও বিজ্ঞাপন শনাক্ত করেন এবং তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেন। পরে তার প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রজু হয়।

সম্প্রতি অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ৪৭টি মোবাইল ফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ২১টি সিমকার্ড এবং বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক অবৈধ ঔষধ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকতরা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা দীর্ঘদিন ধরে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে আসছিল।

চক্রের ফেসবুক পেজগুলোতে দেখা যায়, তারা কখনও মিজানুর রহমান আজহারী, কখনও তাসনিম জারা আবার কখনও জাকির নায়েকের ছবি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেগুলোতে বিভিন্ন ধরনের হালাল যৌন উত্তেজক ঔষুধ খাওয়া ও কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন।