০৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

এলজিইডির সদর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল কবীর ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক

  • আপডেট: ০৬:১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

অনুসন্ধানের দুদকের চিঠি জারি করা হয়েছে এর মাধ্যমে সব ব্যাংকে তথ্য যাওয়া হয়েছে মো. ইকবাল কবীরও তার পরিবারের সদস্যদের।

দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল এর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৬ এপ্রিল/২০২৬ জারি করা ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠির অনুলিপি রাষ্ট্রায়ত্ত, বেসরকারি, ইসলামি ও বিদেশি ব্যাংকসহ দেশের শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং এইচএসবিসি।

এছাড়াও তালিকায় আরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক, উন্নয়ন ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, একটি নির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ না করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

মো. ইকবাল কবীর বর্তমানে এলজিইডির চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

তার বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ থাকার পরেও এলজিইডি’র ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ আমলে না নিয়ে তাকে বর্তমানে গত ২ এপ্রিল /২০২৬ ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি সদর দপ্তর আগারগাঁও ঢাকায় পদোন্নতি দিয়ে প্রদায়ন করেছেন।

বর্তমানে তিনি এলজিইডি প্রধান কার্যালয় আগারগায় ঢাকায় কর্মতর আছে।

মো. ইকবাল কবীর এবং তার পরিবারের বিষয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরো অসংখ্য অবৈধ সম্পদ ও বাড়ি গাড়ি ফ্লাট,প্লট এর তথ্য পাওয়া যাবে বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে চেষ্টা করে মো. ইকবাল কবীরের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এলজিইডির সদর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল কবীর ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট: ০৬:১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

অনুসন্ধানের দুদকের চিঠি জারি করা হয়েছে এর মাধ্যমে সব ব্যাংকে তথ্য যাওয়া হয়েছে মো. ইকবাল কবীরও তার পরিবারের সদস্যদের।

দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল এর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৬ এপ্রিল/২০২৬ জারি করা ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠির অনুলিপি রাষ্ট্রায়ত্ত, বেসরকারি, ইসলামি ও বিদেশি ব্যাংকসহ দেশের শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং এইচএসবিসি।

এছাড়াও তালিকায় আরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক, উন্নয়ন ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, একটি নির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ না করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

মো. ইকবাল কবীর বর্তমানে এলজিইডির চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

তার বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ থাকার পরেও এলজিইডি’র ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ আমলে না নিয়ে তাকে বর্তমানে গত ২ এপ্রিল /২০২৬ ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি সদর দপ্তর আগারগাঁও ঢাকায় পদোন্নতি দিয়ে প্রদায়ন করেছেন।

বর্তমানে তিনি এলজিইডি প্রধান কার্যালয় আগারগায় ঢাকায় কর্মতর আছে।

মো. ইকবাল কবীর এবং তার পরিবারের বিষয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরো অসংখ্য অবৈধ সম্পদ ও বাড়ি গাড়ি ফ্লাট,প্লট এর তথ্য পাওয়া যাবে বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে চেষ্টা করে মো. ইকবাল কবীরের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।