০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সন্ত্রাস-মাদক দমনে কঠোর অবস্থান: পাহাড়ি জনপদে আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন

  • আপডেট: ০৭:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৫

মো: দীন ইসলাম, সোনালী খবর।

পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন (৬ বিএন), রাঙ্গামাটি। সমতলের পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন এবং আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ‘অপারেশন উত্তরণ’-এ সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে পাহাড়ি-বাঙালির সহাবস্থান সুদৃঢ় করতেও তারা বিশেষ অবদান রাখছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যাটালিয়নের কার্যক্রমে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর পেছনে রয়েছে দক্ষ, দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব। ব্যাটালিয়নের পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কর্মদক্ষতা, সততা ও সুসংগঠিত নেতৃত্বের মাধ্যমে ব্যাটালিয়নের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছেন। তার নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় সভা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং যৌথ পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলেছে এই ব্যাটালিয়ন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার ফলে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যৌথ অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাস ও মাদক কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এই ব্যাটালিয়নের সদস্যরা প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখেন। রাঙ্গামাটির পাশাপাশি সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তারা শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করেন। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের এ ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।

শুধু নিরাপত্তা নয়,পরিবেশ সংরক্ষণেও নজর দিয়েছে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন। ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০৮টি ফলজ গাছ—লিচু ও মাল্টা—রোপণ করা হয়েছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এছাড়া ব্যাটালিয়নের অভ্যন্তরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, সদস্যদের আবাসন ও প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মপরিবেশ উন্নত করা হয়েছে। নিয়মিত ক্যাম্প পরিদর্শন, মাসিক দরবার ও গণশুনানির মাধ্যমে সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং কর্মদক্ষতা উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে কার্যকর উদ্যোগ।

সামগ্রিকভাবে দক্ষ নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং উন্নয়নমুখী কার্যক্রমের সমন্বয়ে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন এখন পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের এক নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাঙ্গামাটির ফরমোনটিলা থেকে নানিয়ারচরের দুর্গম এলাকা পর্যন্ত তাদের এই সুদৃঢ় পথচলা অব্যাহত রয়েছে।

ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস দৈনিক সোনালী খবরকে বলেন,“পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এখানে শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাই যথেষ্ট নয়, মানুষের আস্থা অর্জন, পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং উন্নয়নের সুফল সবার কাছে দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়াটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন সেই সমন্বিত লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,“সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা কোনো ধরণের আপোষ করি না। আমাদের অবস্থান একেবারেই ‘জিরো টলারেন্স’। একইসঙ্গে আমরা চাই পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান আরও শক্তিশালী হোক, যাতে সবাই নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।”

উন্নয়ন ও পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “নিরাপত্তার পাশাপাশি উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আমাদের অগ্রাধিকারের অংশ। বৃক্ষরোপণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আমরা একটি স্থিতিশীল, টেকসই, সবুজ ও সম্ভাবনাময় পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তুলতে কাজ করছি।”

সদস্যদের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সদস্যরাই সকল সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। তাদের মনোবল, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে আমরা নিয়মিত উদ্যোগ নিচ্ছি, যাতে তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকতে পারে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সন্ত্রাস-মাদক দমনে কঠোর অবস্থান: পাহাড়ি জনপদে আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন

আপডেট: ০৭:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মো: দীন ইসলাম, সোনালী খবর।

পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন (৬ বিএন), রাঙ্গামাটি। সমতলের পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন এবং আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ‘অপারেশন উত্তরণ’-এ সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে পাহাড়ি-বাঙালির সহাবস্থান সুদৃঢ় করতেও তারা বিশেষ অবদান রাখছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যাটালিয়নের কার্যক্রমে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর পেছনে রয়েছে দক্ষ, দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব। ব্যাটালিয়নের পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কর্মদক্ষতা, সততা ও সুসংগঠিত নেতৃত্বের মাধ্যমে ব্যাটালিয়নের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছেন। তার নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় সভা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং যৌথ পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলেছে এই ব্যাটালিয়ন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার ফলে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যৌথ অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাস ও মাদক কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এই ব্যাটালিয়নের সদস্যরা প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখেন। রাঙ্গামাটির পাশাপাশি সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তারা শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করেন। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের এ ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।

শুধু নিরাপত্তা নয়,পরিবেশ সংরক্ষণেও নজর দিয়েছে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন। ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০৮টি ফলজ গাছ—লিচু ও মাল্টা—রোপণ করা হয়েছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এছাড়া ব্যাটালিয়নের অভ্যন্তরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, সদস্যদের আবাসন ও প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মপরিবেশ উন্নত করা হয়েছে। নিয়মিত ক্যাম্প পরিদর্শন, মাসিক দরবার ও গণশুনানির মাধ্যমে সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং কর্মদক্ষতা উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে কার্যকর উদ্যোগ।

সামগ্রিকভাবে দক্ষ নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং উন্নয়নমুখী কার্যক্রমের সমন্বয়ে ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন এখন পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের এক নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাঙ্গামাটির ফরমোনটিলা থেকে নানিয়ারচরের দুর্গম এলাকা পর্যন্ত তাদের এই সুদৃঢ় পথচলা অব্যাহত রয়েছে।

ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস দৈনিক সোনালী খবরকে বলেন,“পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এখানে শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাই যথেষ্ট নয়, মানুষের আস্থা অর্জন, পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং উন্নয়নের সুফল সবার কাছে দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়াটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাগড়া আনসার ব্যাটালিয়ন সেই সমন্বিত লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,“সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা কোনো ধরণের আপোষ করি না। আমাদের অবস্থান একেবারেই ‘জিরো টলারেন্স’। একইসঙ্গে আমরা চাই পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান আরও শক্তিশালী হোক, যাতে সবাই নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।”

উন্নয়ন ও পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “নিরাপত্তার পাশাপাশি উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আমাদের অগ্রাধিকারের অংশ। বৃক্ষরোপণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আমরা একটি স্থিতিশীল, টেকসই, সবুজ ও সম্ভাবনাময় পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তুলতে কাজ করছি।”

সদস্যদের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সদস্যরাই সকল সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। তাদের মনোবল, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে আমরা নিয়মিত উদ্যোগ নিচ্ছি, যাতে তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকতে পারে।”