০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: ডিএমপি কমিশনার

  • আপডেট: ০৫:২৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কমিশনার) মো. সারওয়ার বলেছেন, আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই। নতুন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্তে ‘এআইএস রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ভায়োলেশন ডিটেকশন সিস্টেম’ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটালভাবে মামলা প্রক্রিয়া পরিচালনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত “ঢাকার নাগরিক সেবা বৃদ্ধি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পুলিশের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নয়টি সফটওয়্যার, অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ডিএমপির কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা শহরের প্রায় ৭০টি স্থানে সড়ক ও ক্রসিং উন্নয়ন করে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্পিড ক্যামেরা, ভিডিও মামলা, ডিজিটাল ডাটাবেজ সংযুক্তি এবং ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চালু হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘হ্যালো ডিএমপি’ অ্যাপ, সিটিজেন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ভেহিকল ট্র্যাকিং, সাইবার সাপোর্ট সেন্টারসহ একাধিক ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ১১ হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং নাগরিকদের পাঠানো ভিডিও যাচাই করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীতে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও কার্যকর পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট: ০৫:২৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কমিশনার) মো. সারওয়ার বলেছেন, আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই। নতুন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্তে ‘এআইএস রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ভায়োলেশন ডিটেকশন সিস্টেম’ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটালভাবে মামলা প্রক্রিয়া পরিচালনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত “ঢাকার নাগরিক সেবা বৃদ্ধি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পুলিশের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নয়টি সফটওয়্যার, অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ডিএমপির কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা শহরের প্রায় ৭০টি স্থানে সড়ক ও ক্রসিং উন্নয়ন করে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্পিড ক্যামেরা, ভিডিও মামলা, ডিজিটাল ডাটাবেজ সংযুক্তি এবং ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চালু হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘হ্যালো ডিএমপি’ অ্যাপ, সিটিজেন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ভেহিকল ট্র্যাকিং, সাইবার সাপোর্ট সেন্টারসহ একাধিক ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ১১ হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং নাগরিকদের পাঠানো ভিডিও যাচাই করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীতে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও কার্যকর পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।