০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

২৪ দিনে রেকর্ড টিকা মজুত, সংকটের শঙ্কা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • আপডেট: ০১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুত গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে টিকার কোনো ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও সংকটের আশঙ্কা নেই।

বুধবার (৬ মে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর ভিআইপি লাউঞ্জে হাম-রুবেলা টিকা হস্তান্তর শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ চালানে একসঙ্গে ১৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এছাড়া ৯ হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিতভাবে প্রতি সপ্তাহেই নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।

তিনি জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে আসবে। এসব টিকা দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং স্টক ঘাটতির সম্ভাবনাও নেই। এ জন্য ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভিসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, গত মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঢাকায় একটি বড় অডিটোরিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, অতীতে টিকা সংকটের অন্যতম কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুতের অভাব ও নিয়মিত ক্যাম্পেইনের ঘাটতি। তবে সরকারের উদ্যোগে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
গণমাধ্যমের ভূমিকাও উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের ইতিবাচক প্রচারণার ফলে জনসচেতনতা বেড়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

২৪ দিনে রেকর্ড টিকা মজুত, সংকটের শঙ্কা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট: ০১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুত গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে টিকার কোনো ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও সংকটের আশঙ্কা নেই।

বুধবার (৬ মে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর ভিআইপি লাউঞ্জে হাম-রুবেলা টিকা হস্তান্তর শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ চালানে একসঙ্গে ১৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এছাড়া ৯ হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিতভাবে প্রতি সপ্তাহেই নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।

তিনি জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে আসবে। এসব টিকা দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং স্টক ঘাটতির সম্ভাবনাও নেই। এ জন্য ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভিসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, গত মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঢাকায় একটি বড় অডিটোরিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, অতীতে টিকা সংকটের অন্যতম কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুতের অভাব ও নিয়মিত ক্যাম্পেইনের ঘাটতি। তবে সরকারের উদ্যোগে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
গণমাধ্যমের ভূমিকাও উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের ইতিবাচক প্রচারণার ফলে জনসচেতনতা বেড়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।