০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

ট্রাফিক সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান

  • আপডেট: ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কিশোরগঞ্জ শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা পুলিশ। বুধবার (৬ মে) দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের নিয়ে বিশেষ ব্রিফিং ও দিকনির্দেশনা দেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। 

ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার ট্রাফিক সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় কোনোভাবেই জনগণের সঙ্গে অপেশাদার বা রূঢ় আচরণ করা যাবে না। প্রতিটি পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে।

তিনি আরও নির্দেশনা দেন, অফিস সময় ও স্কুল-কলেজ ছুটির সময় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই পয়েন্ট ফাঁকা রাখা যাবে না।

ডিউটিরত অবস্থায় কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ লেনদেন বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। পাশাপাশি রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে যানবাহন অনির্দিষ্টভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইনের সমতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

তিনি জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “শহরের যানজট নিরসনে নাগরিকদের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আইন মানা নাগরিকের দায়িত্ব, আর আইন প্রয়োগ করা পুলিশের কর্তব্য।”
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া যানবাহন চালালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়। একইসঙ্গে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার এবং চার চাকার যানবাহনে সিটবেল্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্টোপথে যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এ ধরনের অপরাধে বড় অঙ্কের জরিমানা ও যানবাহন জব্দ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ এবং ফুটপাত দখল বা অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক রেকারিংসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার শহরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, পুলিশ শুধু শাস্তিদাতা নয়, বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছে। তবে শহরের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

আজ থেকেই এই বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান কার্যকরভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ট্রাফিক সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান

আপডেট: ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কিশোরগঞ্জ শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা পুলিশ। বুধবার (৬ মে) দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের নিয়ে বিশেষ ব্রিফিং ও দিকনির্দেশনা দেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। 

ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার ট্রাফিক সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় কোনোভাবেই জনগণের সঙ্গে অপেশাদার বা রূঢ় আচরণ করা যাবে না। প্রতিটি পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে।

তিনি আরও নির্দেশনা দেন, অফিস সময় ও স্কুল-কলেজ ছুটির সময় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই পয়েন্ট ফাঁকা রাখা যাবে না।

ডিউটিরত অবস্থায় কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ লেনদেন বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। পাশাপাশি রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে যানবাহন অনির্দিষ্টভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইনের সমতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

তিনি জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “শহরের যানজট নিরসনে নাগরিকদের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আইন মানা নাগরিকের দায়িত্ব, আর আইন প্রয়োগ করা পুলিশের কর্তব্য।”
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া যানবাহন চালালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়। একইসঙ্গে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার এবং চার চাকার যানবাহনে সিটবেল্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্টোপথে যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এ ধরনের অপরাধে বড় অঙ্কের জরিমানা ও যানবাহন জব্দ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ এবং ফুটপাত দখল বা অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক রেকারিংসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার শহরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, পুলিশ শুধু শাস্তিদাতা নয়, বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছে। তবে শহরের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

আজ থেকেই এই বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান কার্যকরভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।