০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তেজগাঁও বিটিসিএলে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আনসার সদস্য জড়িত থাকার খবর ‘ভিত্তিহীন’

  • আপডেট: ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কার্যালয়ে চোর সন্দেহে আটক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আনসার সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনসার বাহিনীর মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাহিনীটি জানায়, সকালে তেজগাঁও টি অ্যান্ড টি তার ভান্ডার এলাকায় কয়েকজন যুবক অনুপ্রবেশ করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্য শাহজামাল একজনকে চুরি করতে দেখে ধাওয়া করেন। দৌড়ানোর একপর্যায়ে ওই যুবক পুরোনো টিনের চাল ভেঙে নিচে পড়ে যান।

পরে বিটিসিএলের স্টাফ মো. শওকত হোসেন ওই যুবককে আটক করেন। বিটিসিএলের টেলিফোনিক নির্দেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করতে সহযোগিতা করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্যদের মধ্যে পিসি নুরুল ইসলাম আটক যুবককে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের পি.ও. সুলতান মাহমুদ ও ইলেকট্রিশিয়ান সাইফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থল ছেড়ে নিজ নিজ দায়িত্বস্থলে ফিরে যান।

আনসার বাহিনী বলেছে, আটক যুবককে আনসার সদস্যরা ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে মারধর বা নির্যাতন করেছেন—এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। এছাড়া আহত অবস্থায় আনসার সদস্যরা ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন—এমন প্রচারিত তথ্যও সঠিক নয় বলে দাবি করেছে তারা।

বাহিনীটি জানায় , নিরাপত্তা ভঙ্গকারী কোনো ব্যক্তিকে আটক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করাই দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের কর্তব্য। এ ঘটনায়ও তারা আটক ব্যক্তিকে বিটিসিএলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, নির্যাতন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনকে প্রশ্রয় দেয় না। কোনো ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা হলে বাহিনীর ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

তেজগাঁও বিটিসিএলে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আনসার সদস্য জড়িত থাকার খবর ‘ভিত্তিহীন’

আপডেট: ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কার্যালয়ে চোর সন্দেহে আটক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আনসার সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনসার বাহিনীর মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাহিনীটি জানায়, সকালে তেজগাঁও টি অ্যান্ড টি তার ভান্ডার এলাকায় কয়েকজন যুবক অনুপ্রবেশ করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্য শাহজামাল একজনকে চুরি করতে দেখে ধাওয়া করেন। দৌড়ানোর একপর্যায়ে ওই যুবক পুরোনো টিনের চাল ভেঙে নিচে পড়ে যান।

পরে বিটিসিএলের স্টাফ মো. শওকত হোসেন ওই যুবককে আটক করেন। বিটিসিএলের টেলিফোনিক নির্দেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করতে সহযোগিতা করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্যদের মধ্যে পিসি নুরুল ইসলাম আটক যুবককে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের পি.ও. সুলতান মাহমুদ ও ইলেকট্রিশিয়ান সাইফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থল ছেড়ে নিজ নিজ দায়িত্বস্থলে ফিরে যান।

আনসার বাহিনী বলেছে, আটক যুবককে আনসার সদস্যরা ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে মারধর বা নির্যাতন করেছেন—এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। এছাড়া আহত অবস্থায় আনসার সদস্যরা ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন—এমন প্রচারিত তথ্যও সঠিক নয় বলে দাবি করেছে তারা।

বাহিনীটি জানায় , নিরাপত্তা ভঙ্গকারী কোনো ব্যক্তিকে আটক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করাই দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের কর্তব্য। এ ঘটনায়ও তারা আটক ব্যক্তিকে বিটিসিএলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, নির্যাতন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনকে প্রশ্রয় দেয় না। কোনো ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা হলে বাহিনীর ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।