০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২

  • আপডেট: ০৭:০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচার, ভুয়া ভিসা প্রদান ও প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নরসিংদীর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) পিবিআই নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নরসিংদী সদর উপজেলার বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুর রউফকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করেন একই এলাকার শিমুল চন্দ্র দাস (৩৭) ও তার আত্মীয় গাজীপুরের তিতারকুল এলাকার সুবোধ চন্দ্র দাস (৩১)। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর চুক্তিনামা সম্পাদনের পর ভিকটিমের কাছ থেকে দফায় দফায় মোট ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে গত ৪ জুন ২০২৫ তারিখে আসামিরা ভিকটিমকে ইতালি না পাঠিয়ে জাল কাগজপত্র দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেয়। ৮ জুন মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসা দুটি জাল হিসেবে সনাক্ত করে এবং ভিকটিমকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। দেশে ফেরত আসার পর টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা কালক্ষেপণ করতে থাকে এবং পরবর্তীতে টাকা গ্রহণের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম আব্দুর রউফ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ০৯, তারিখ: ০৩/১০/২০২৬ইং, ধারা: মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০২৬ এর ৬/৭/৮/২২ তৎসহ পেনাল কোডের ৩২৩/৫০৬(২)/৩৪)। মামলাটি পিবিআই-এর তফসিলভুক্ত হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পিবিআই নরসিংদী জেলা মামলাটি স্ব-উদ্যোগে অধিগ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) মো. ইয়াসিন,কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার বলেন,আজ ৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টায় গাজীপুরের তিতারকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতা সুবোধ চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন ভোর সাড়ে ৩টায় নরসিংদীর টাউয়াদী হাবিলদারের বাড়ির ভাড়া বাসা থেকে সহযোগী আসামি শিমুল চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পিবিআই-এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২

আপডেট: ০৭:০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচার, ভুয়া ভিসা প্রদান ও প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নরসিংদীর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) পিবিআই নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নরসিংদী সদর উপজেলার বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুর রউফকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করেন একই এলাকার শিমুল চন্দ্র দাস (৩৭) ও তার আত্মীয় গাজীপুরের তিতারকুল এলাকার সুবোধ চন্দ্র দাস (৩১)। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর চুক্তিনামা সম্পাদনের পর ভিকটিমের কাছ থেকে দফায় দফায় মোট ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে গত ৪ জুন ২০২৫ তারিখে আসামিরা ভিকটিমকে ইতালি না পাঠিয়ে জাল কাগজপত্র দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেয়। ৮ জুন মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসা দুটি জাল হিসেবে সনাক্ত করে এবং ভিকটিমকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। দেশে ফেরত আসার পর টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা কালক্ষেপণ করতে থাকে এবং পরবর্তীতে টাকা গ্রহণের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম আব্দুর রউফ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ০৯, তারিখ: ০৩/১০/২০২৬ইং, ধারা: মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০২৬ এর ৬/৭/৮/২২ তৎসহ পেনাল কোডের ৩২৩/৫০৬(২)/৩৪)। মামলাটি পিবিআই-এর তফসিলভুক্ত হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পিবিআই নরসিংদী জেলা মামলাটি স্ব-উদ্যোগে অধিগ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) মো. ইয়াসিন,কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার বলেন,আজ ৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টায় গাজীপুরের তিতারকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতা সুবোধ চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন ভোর সাড়ে ৩টায় নরসিংদীর টাউয়াদী হাবিলদারের বাড়ির ভাড়া বাসা থেকে সহযোগী আসামি শিমুল চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পিবিআই-এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।