১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসার আড়ালে বোমা বানাচ্ছিলেন জেএমবি সদস্য আল-আমিন, তার অতীত নিয়ে যা জানা গেল

  • আপডেট: ০৪:০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৭৮

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় মাদ্রাসাটির পরিচালক আল আমিন শেখ ওরফে রাজিবের স্ত্রীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আল-আমিন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির তামিম–সারোয়ার গ্রুপের সদস্য। তার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাটে। গত তিন বছর ধরে কেরানীগঞ্জের ওই বাড়িটিকে পরিবার নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি মাদ্রাসা পরিচালনা করছিলেন তারা।

শুক্রবার দক্ষিণ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিষ্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে একাধিক বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এছাড়া মাদ্রাসার পরিচালক আল-আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাদ্রাসার আড়ালে আল-আমিনের বোমা বানানোর কর্মাকাণ্ডে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। বিষ্ফোরণের ঘটনার পর থেকে আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ ও র‌্যাবের নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে আজ শনিবার(২৭ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আজ বিকালে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।

২০১৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী থেকে জেএমবি সদস্য শেখ আল-আমিনসহ আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছিল র‌্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি চাকু, বিস্ফোরক দ্রব্য, জিহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধারের তথ্য দিয়েছিল র‌্যাব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসার আড়ালে বোমা বানাচ্ছিলেন জেএমবি সদস্য আল-আমিন, তার অতীত নিয়ে যা জানা গেল

আপডেট: ০৪:০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় মাদ্রাসাটির পরিচালক আল আমিন শেখ ওরফে রাজিবের স্ত্রীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আল-আমিন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির তামিম–সারোয়ার গ্রুপের সদস্য। তার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাটে। গত তিন বছর ধরে কেরানীগঞ্জের ওই বাড়িটিকে পরিবার নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি মাদ্রাসা পরিচালনা করছিলেন তারা।

শুক্রবার দক্ষিণ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিষ্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে একাধিক বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এছাড়া মাদ্রাসার পরিচালক আল-আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাদ্রাসার আড়ালে আল-আমিনের বোমা বানানোর কর্মাকাণ্ডে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। বিষ্ফোরণের ঘটনার পর থেকে আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ ও র‌্যাবের নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে আজ শনিবার(২৭ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আজ বিকালে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।

২০১৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী থেকে জেএমবি সদস্য শেখ আল-আমিনসহ আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছিল র‌্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি চাকু, বিস্ফোরক দ্রব্য, জিহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধারের তথ্য দিয়েছিল র‌্যাব।