০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কামরাঙ্গীরচর ও লালবাগে সেনাবাহিনীর টহল

  • আপডেট: ১০:২৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০১২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও লালবাগ এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনভর এসব এলাকায় ব্যাপক পেট্রোল কার্যক্রম চালানো হয়।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীন আজিমপুর ও কামরাঙ্গীরচর আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে ঢাকা–৭ সংসদীয় আসনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে এই টহল পরিচালিত হয়। এতে প্রায় ১২০ জন সেনাসদস্য অংশ নেন।

টহল কার্যক্রমের ফলে এলাকায় সেনাবাহিনীর দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। এতে অপরাধ দমন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হবে, যা নির্বাচনে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করবে।

টহল চলাকালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড,ভাঙচুর,ভোট কারচুপি বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

কামরাঙ্গীরচর ও লালবাগে সেনাবাহিনীর টহল

আপডেট: ১০:২৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও লালবাগ এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনভর এসব এলাকায় ব্যাপক পেট্রোল কার্যক্রম চালানো হয়।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীন আজিমপুর ও কামরাঙ্গীরচর আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে ঢাকা–৭ সংসদীয় আসনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে এই টহল পরিচালিত হয়। এতে প্রায় ১২০ জন সেনাসদস্য অংশ নেন।

টহল কার্যক্রমের ফলে এলাকায় সেনাবাহিনীর দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। এতে অপরাধ দমন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হবে, যা নির্বাচনে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করবে।

টহল চলাকালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড,ভাঙচুর,ভোট কারচুপি বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।