০২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুষ্ঠু ভোটের জন্য এবার সেনাবাহিনী যেভাবে প্রস্তুত, কেন্দ্রেও থাকবে সেনাক্যাম্প

  • আপডেট: ১২:৫২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০০৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ভোট নেওয়া হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে তৈরি সেনাবাহিনী। ভোট গ্রহণ সামনে রেখে এবার মাঠে প্রস্তুত ১ লাখের বেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, যা বিগত নির্বাচনের চেয়ে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। ভোটকেন্দ্র, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং ব্যালট বাক্স সুরক্ষায় যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। এমনকি কেন্দ্রভিত্তিক সেনাক্যাম্পও থাকবে।সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে সেনাসদর থেকে।

সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেনের সংবাদ সম্মেলন ও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত জানা যায়।

এর আগে রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় এবং স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনাক্যাম্প পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বৈঠকে সেনাপ্রধান তাদের দুটি প্রধান উদ্দেশের কথা জানান। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত থাকবে। দ্বিতীয়টি হলো জনগণকে এই বার্তা দেওয়া – সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী সবাই সমন্বিতভাবে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধপরিকর।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, নির্বাচনের দিন ও তার পরবর্তী সময়ে বিপৎসংকুল ও দুর্গম এলাকার কেন্দ্রে নির্বাচনসংক্রান্ত ব্যক্তি বা সরঞ্জামাদি পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দ্রুততম সময়ে সাড়া দিতে সব বাহিনীর হেলিকপ্টারগুলো সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা থাকবে।

পরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর জানান, ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে মাঠে প্রস্তুত ১ লাখ সেনাসদস্য, যা বিগত নির্বাচনের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীর বিপুল-সংখ্যক সদস্য থাকছেন।

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং ব্যালট বাক্স সুরক্ষায় প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। পুরো পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে ঢাকায় সেনাসদর থেকে।

নির্বাচন-কেন্দ্রিক সব ধরনের থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করে সে অনুযায়ী সেনা মোতায়েন করা হয়েছে জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর জানান, সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে সেজন্য এবার উপজেলাভিত্তিক ও ক্ষেত্রবিশেষ কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সেনাপ্রধানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক বলেন, কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী সেটা করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আইনানুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী প্রস্তুত।

সব কাজ সমন্বিতভাবে করতে সেনাসদরে একটা সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যাতে দ্রুততম সময়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর বলেন, আগের নির্বাচনে ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনা সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকতেন। তারা দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করতেন। এবার ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো ভোট কেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ ভোটাররা যাতেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬২টি জেলার ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে সর্বমোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান এবং চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে।

মিথ্যা ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় হুমকি বলে উল্লেখ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর। এ জন্য সাংবাদিকদের সাহায্য চান। তাৎক্ষণিকভাবে বস্তুনিষ্ঠ এবং তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া অপতথ্য রোধে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন এই সেনা কর্মকর্তা।

নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্র রোধে সেনাবাহিনীর চলমান অভিযানের কথাও তুলে ধরেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর। গত ২০ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ১৪ দিনে দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি-বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া নিয়মিত যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র, ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং দুষ্কৃতকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সুষ্ঠু ভোটের জন্য এবার সেনাবাহিনী যেভাবে প্রস্তুত, কেন্দ্রেও থাকবে সেনাক্যাম্প

আপডেট: ১২:৫২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ভোট নেওয়া হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে তৈরি সেনাবাহিনী। ভোট গ্রহণ সামনে রেখে এবার মাঠে প্রস্তুত ১ লাখের বেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, যা বিগত নির্বাচনের চেয়ে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। ভোটকেন্দ্র, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং ব্যালট বাক্স সুরক্ষায় যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। এমনকি কেন্দ্রভিত্তিক সেনাক্যাম্পও থাকবে।সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে সেনাসদর থেকে।

সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেনের সংবাদ সম্মেলন ও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত জানা যায়।

এর আগে রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় এবং স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনাক্যাম্প পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বৈঠকে সেনাপ্রধান তাদের দুটি প্রধান উদ্দেশের কথা জানান। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত থাকবে। দ্বিতীয়টি হলো জনগণকে এই বার্তা দেওয়া – সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী সবাই সমন্বিতভাবে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধপরিকর।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, নির্বাচনের দিন ও তার পরবর্তী সময়ে বিপৎসংকুল ও দুর্গম এলাকার কেন্দ্রে নির্বাচনসংক্রান্ত ব্যক্তি বা সরঞ্জামাদি পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দ্রুততম সময়ে সাড়া দিতে সব বাহিনীর হেলিকপ্টারগুলো সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা থাকবে।

পরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর জানান, ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে মাঠে প্রস্তুত ১ লাখ সেনাসদস্য, যা বিগত নির্বাচনের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীর বিপুল-সংখ্যক সদস্য থাকছেন।

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং ব্যালট বাক্স সুরক্ষায় প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। পুরো পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে ঢাকায় সেনাসদর থেকে।

নির্বাচন-কেন্দ্রিক সব ধরনের থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করে সে অনুযায়ী সেনা মোতায়েন করা হয়েছে জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর জানান, সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে সেজন্য এবার উপজেলাভিত্তিক ও ক্ষেত্রবিশেষ কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সেনাপ্রধানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক বলেন, কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী সেটা করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আইনানুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী প্রস্তুত।

সব কাজ সমন্বিতভাবে করতে সেনাসদরে একটা সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যাতে দ্রুততম সময়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর বলেন, আগের নির্বাচনে ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনা সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকতেন। তারা দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করতেন। এবার ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো ভোট কেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ ভোটাররা যাতেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬২টি জেলার ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে সর্বমোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান এবং চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে।

মিথ্যা ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় হুমকি বলে উল্লেখ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর। এ জন্য সাংবাদিকদের সাহায্য চান। তাৎক্ষণিকভাবে বস্তুনিষ্ঠ এবং তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া অপতথ্য রোধে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন এই সেনা কর্মকর্তা।

নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্র রোধে সেনাবাহিনীর চলমান অভিযানের কথাও তুলে ধরেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর। গত ২০ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ১৪ দিনে দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি-বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া নিয়মিত যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র, ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং দুষ্কৃতকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।