মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলে দুর্নীতি ও ঘুষের মহোৎসব, ঘুষের রেট বাড়ালেন রেফাঈ আবিদ
- আপডেট: ০৭:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- / ১৮০৬৪
মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :
কানুনগো নাজমুল, নামজারি সহকারী খাদিজা, অফিসের অঘোষিত সেকেন্ড ইন কমান্ড অফিস সহকারী রাকিব, মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নূরজাহান, সঞ্জীব ধনিয়া, সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসান, নাজির কাম ক্যাশিয়ার নাসির, পোষ্য ক্যাডার কিরণ, নোয়াখালীর হাসান এবং কথিত ওমেদার বহিরাগত দালাল সুমন, বেল্লাল, শুভ, মেহেদী, শাহজালাল, সাগর, রফিক, হাসান, হাবিব, মহসিন, মাহমুদ, মিজান, সাব্বির ও শিশিরসহ এক বিশাল সিন্ডিকেটের সমন্বয়ে প্রজাতন্ত্রের আইন ও সেবামূলক বিধিমালাকে সম্পূর্ণ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলকে একচ্ছত্র লুণ্ঠনের চারণভূমিতে পরিণত করেছেন ৩৮তম ব্যাচের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ রেফাঈ আবিদ। যার যোগদানের পর থেকেই পুরো কার্যালয়টি সাধারণ মানুষের জন্য এক মূর্তমান আতঙ্কে রূপ নিয়েছে। বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই এসিল্যান্ড প্রতিটি দাপ্তরিক ফাইলের জন্য টেবিল মেপে ঘুষের অঙ্ক নির্ধারণ করেছেন যেখানে বৈধ নথিপত্রের কোনো মূল্য নেই এবং আবিদের মুখের কথাই অঘোষিত চূড়ান্ত আইন হিসেবে বলবৎ রয়েছে। এই চরম অরাজকতার মূল হোতা এসিল্যান্ড আবিদের প্রত্যক্ষ আশকারায় মতিঝিল ও ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস দুটিকে গ্রাস করেছে এই বহিরাগত দালাল কথিত ওমেদারদের দল যারা পুরো অঞ্চলটিকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জিম্মি করে ফেলেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসটি এখন পুরোপুরি কথিত ওমেদারদের বহিরাগত দালালদের নিয়ন্ত্রণে যেখানে এসিল্যান্ডের ঘুষের মিশন সফল করতে মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে সুমন, বেল্লাল, শুভ, মেহেদী, শাহজালাল, সাগর, রফিক ও হাসানের মতো চক্র। একইভাবে ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও রাজত্ব চালাচ্ছে হাবিব, মহসিন, মাহমুদ, মিজান, সাব্বির ও শিশিরের মতো কথিত ওমেদারদের এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট যাদের খপ্পরে পড়ে সাধারণ ভূমি মালিকরা প্রতিনিয়ত মানসিক ও আর্থিক জুলুমের শিকার হচ্ছেন। এই বহিরাগত দালালরা এসিল্যান্ডের ব্যক্তিগত ক্যাডার বাহিনীর মতো কাজ করে এবং প্রতিদিন সেবাপ্রত্যাশীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করে সরাসরি এসিল্যান্ড আবিদের টেবিলে পৌঁছে দেয়। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে বছরের পর বছর ভূমি অফিসে কর্মকর্তা বদলি হয়ে আসলেও কথিত এই দালাল পরিবর্তন হয় না যার কারণে এরা আসলেই ভূমি অফিসের কে তা জানতে চায় সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা। এই রাজস্ব সার্কেলের অন্যতম প্রধান হোতা কানুনগো নাজমুল ক্ষমতার অপব্যবহার ও নামজারি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ উপার্জন করে রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটি কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে যে নাজমুল দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের টাকায় অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘ডি’ ব্লকে বিলাসবহুল সম্পত্তি ভৈরবের নামকরা শিল্পপতি হাজী ফুল মিয়ার বাড়িটি ক্রয় করেছেন। এখানেই শেষ নয় বরং নিজের অবৈধভাবে অর্জিত কালো টাকা সাদা করতে এবং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে অত্যন্ত চতুরতার সাথে কৌশল অবলম্বন করে কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় নিজের সহোদর বোনের নামে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি বহুতল বাড়ি ক্রয় করেছেন নাজমুল। নাজমুল অদৃশ্য কোনো শক্তির ইশারায় ও বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে একই জায়গায় পদোন্নতি পেয়ে পুনরায় একই চেয়ারে দায়িত্ব পালন করছেন যা সচেতন মহলকে স্তম্ভিত করেছে। অভিযোগ রয়েছে যে নিজের অবৈধ আয়ের ধারা সচল রাখতে ও এই সার্কেলে বদলি ঠেকাতে কানুনগো নাজমুল এর আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ১৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন এবং তার এই পুনর্নিয়োগের পর কার্যালয়ের সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীরা প্রশ্ন তুলছেন যে ঘুষ বাণিজ্য করার জন্য এসিল্যান্ডের আর কত কতিত ওমেদার খ্যাত দালাল ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার প্রয়োজন?। এই সার্কেলের অপর অন্যতম হোতা নামজারি সহকারী খাদিজা বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মিরপুরের বিতর্কিত সাবেক কমিশনার মানিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এই রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে খাদিজা পুরো ভূমি অফিসকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন যেখানে এই কার্যালয়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে রাজত্ব চালাচ্ছেন এসিল্যান্ডের পরম বিশ্বস্ত অফিস সহকারী রাকিব। যার সবুজ সংকেত এবং ঘুষের টাকা ছাড়া কার্যালয়ের কোনো ফাইলে হাত দেওয়ার দুঃসাহস কেউ দেখাতে পারে না । এই রাকিবের সাথে এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু, জালিয়াত চক্র ও সরকারি জমি গ্রাসকারীদের অত্যন্ত নিবিড় ও গভীর সখ্যতা রয়েছে। এই চক্রের মাঠপর্যায়ের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন নামজারি সহকারী খাদিজা, মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নূরজাহান এবং সঞ্জীব ধনিয়া যারা ‘লাইন’ নামক একটি সুসংগঠিত এবং সুনির্দিষ্ট চ্যানেলের মাধ্যমে সেবাপ্রত্যাশীদের পকেট কেটে চলছেন। দিনের বেলা এই কার্যালয়ে সরকারি নিয়মের নাটক চললেও আসল কর্মযজ্ঞ শুরু হয় দাপ্তরিক সময় শেষ হওয়ার পর যখন বাইরে থেকে অফিস বন্ধ মনে হলেও ভেতরে গভীর রাত পর্যন্ত লাইট জ্বালিয়ে চলে ফাইলের স্তূপ আর অবৈধ টাকার বান্ডিল গোনার মহোৎসব। এই সমস্ত অপরাধের অকাট্য তথ্যপ্রমাণ আড়াল করতে কার্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো সুকৌশলে অন্যদিকে ঘুরিয়ে রাখা হয়। বিশেষ অনুসন্ধানে ও ভুক্তোভোগি সেবাপ্রত্যাশিদের অভিযোগে জানা যায় যে এসিল্যান্ড সৈয়দ রেফাঈ আবিদ চলতি মাসেই এখান থেকে বদলি হয়ে চলে যাবেন এবং এই শেষ সময়ে নিজের আখের গোছাতে নামজারি ও মিসকেসের ঘুষের রেট এক ধাক্কায় ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তাছাড়া যেখানে ভুমি মন্ত্রনালয়ের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কোন ওমেদার নিয়োগ দেয়া যাবে না সেখানে রেফাঈ আবিদ এই রাজস্ব সার্কেল থেকে চলে যাওয়ার পরও যেন তার ঘুষের সাম্রাজ্য ও আয়ের ধারা নির্বিঘ্নে চালু থাকে সেজন্য কৌশলে নিজের ভাইকে এই রাজস্ব সার্কেলটিতে নিয়োগ দিয়েছেন এই অর্থলোভী এসিল্যান্ড। যা গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে প্রমানিত হবে বলে ভুক্তোভোগি সেবাপ্রত্যাশিদের আশা। এসিল্যান্ড রেফাঈ আবিদ নিজের ক্ষমতা জাহির করতে এবং সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের ভয় দেখাতে প্রায়শই দম্ভোক্তি করে বলেন যে ডিসি সাহেব নিজে আমাকে ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেন এবং আমাকে আরডিসি বানানোর কথাও ডিসি সাহেব বলেছেন। নিজেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী প্রমাণের চেষ্টায় তিনি নিজেকে ভবিষ্যতের কোনো ক্ষমতাধর মন্ত্রী বা সচিবের পিএস বলেও বেড়ান। একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও নিজেকে ভবিষ্যতের মন্ত্রী-সচিবের পিএস দাবি করা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মিথ্যা বুলি আউড়ে বেড়ানো এই কর্মকর্তার মূল হাতিয়ার যেখানে তিনি নিজেকে বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও তার বাবার বন্ধু বলে পরিচয় দিয়ে বেড়ান। বর্তমানে এই রাজস্ব সার্কেলে ঘুষের টাকা ছাড়া কোনো ফাইল নড়ে না এবং কোনো সেবাই মিলছে না। এই সিন্ডিকেটের অনিয়ম ও অর্থলোভের সবচেয়ে বড় প্রমাণ মেলে মতিঝিল মৌজার ৮৭১০ (২৫/২৬) নম্বর নামজারি কেসের একটি চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনায় যেখানে এক ব্যক্তির চাচার সম্পত্তিকে সম্পূর্ণ নিঃসন্তান দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের কোনো প্রকার সাকসেশন বা উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট ছাড়াই মাত্র একজন ওয়ারিশান দাঁড় করিয়ে বিশাল জালিয়াতির ছক কষা হয়। প্রথমে আইনি জটিলতা ও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এই ফাইলটি একাধিকবার নামঞ্জুর করা হলেও পরবর্তীতে পর্দার আড়ালে ৫ লক্ষ টাকা মোটা অঙ্কের ঘুষের চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই বিতর্কিত ও অবৈধ এই নামজারিটি রাতারাতি অনুমোদন করে দেন এই অর্থলোভী এসিল্যান্ড রেফাঈ আবিদ যা তার প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির এক জলজ্যান্ত প্রমাণ। ভুক্তভোগিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানে এসিল্যান্ড আবিদের নিজস্ব তৈরি একটি গোপন ‘ঘুষের রেট চার্ট’ পাওয়া গেছে যেখানে নামজারি মিসকেসে এসিল্যান্ডের এককালীন ১০,০০০ টাকা রেট বাড়ানোর পর বর্তমানের নতুন রেট অনুযায়ী ‘খ’ তফসিলভুক্ত ফাইলের জন্য ৩০,০০০ টাকার স্থলে এখন ৪০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যার বড় অংশ সরাসরি আবিদের পকেটে যায় এবং ‘পার্ট এলএ’ ও ‘পার্ট খাস’ জমির অনুমোদনে ১৬,০০০ টাকার স্থলে ২৬,০০০ টাকা এবং সাধারণ নামজারি ও মিসকেসে ৮,৫০০ টাকার স্থলে ১৮,৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা জমির পরিমাণ ১০ শতকের বেশি হলেই জ্যামিতিক হারে দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং এছাড়া শ্যামপুর এলাকার শিল্প প্লটের জন্য এককালীন ২০,০০০ টাকার স্থলে ৩০,০০০ টাকা এবং ছোটখাটো সাধারণ আবেদনেও ন্যূনতম ৫,০০০ টাকার স্থলে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ঘুষের টাকা নিশ্চিত করতে ফাইলে একটি বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয় যা না থাকলে ফাইলটি কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল বা ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয়। অপরদিকে টাকা দিলে সমস্ত অবৈধ কাজ মাত্র একদিনে সম্পন্ন হয়। তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা সদ্য পদোন্নতি পাওয়া সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসান, কানুনগো নাজমুল। তাছাড়া সম্প্রতি ভূমি সেবা মেলায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের নামে অতিরিক্ত অর্থ ও অবৈধ ঘুষ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় নাজির কাম ক্যাশিয়ার নাসিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল কিন্তু একটি উন্মুক্ত ও জনমুখী সরকারি মেলায় তার বিশ্বস্ত সহযোগীরা হাতেনাতে ধরা পড়লেও মূল হোতা এসিল্যান্ড আবিদ তার নিজস্ব পোষ্য সন্ত্রাসী কিরণ ও নোয়াখালীর হাসানকে দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে-বাইরে একাধিক ‘ঘুষ কালেকশন পয়েন্ট’ সচল রেখে লুণ্ঠন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ভয়ংকর দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরে ইতিপূর্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ‘সোনালী খবর’-এর প্রথম পাতায় কয়েকটি তথ্যবহুল অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও উচ্চতর প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই কর্মকর্তা আরও বেশি বেপরোয়া ও অহংকারী হয়ে উঠেছেন এবং বর্তমানে তিনি নিজেকে চরম প্রভাবশালী দাবি করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদককে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি দম্ভ করে বলছেন যে তার বিরুদ্ধে পুনরায় সংবাদ প্রকাশ করলে তিনি ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাব ও পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে সাংবাদিককে এমন জায়গায় গায়েব করে দেবেন যে তার লাশও খুঁজে পাওয়া যাবে না। একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারী হয়ে রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল সংস্থাগুলোর নাম অপব্যবহার করে সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার এই দুঃসাহস তিনি কোথা থেকে পাচ্ছেন তা নিয়ে সচেতন নাগরিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের এই জিম্মিদশা, সুসংগঠিত লুটপাট ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অবসান ঘটাতে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক এবং সরকারের সর্বোচ্চ মহলের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ জরুরি এবং অনতিবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে এসিল্যান্ড আবিদ, কানুনগো নাজমুল, আ.লীগের দোসর খাদিজা এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড রাকিবসহ এই চক্রের প্রতিটি সদস্যের অবৈধ সম্পদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সাধারন ভুমিসেবা প্রত্যাশিদের দাবি।




















