১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, চালক পলাতক

  • আপডেট: ১১:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তবে অভিযানের সময় সিএনজিচালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি সন্দেহজনক সিএনজিকে থামার সংকেত দিলে চালক গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে সিএনজিটিতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা ইয়াবা ও সিএনজির বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, মাদকের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, চালক পলাতক

আপডেট: ১১:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তবে অভিযানের সময় সিএনজিচালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি সন্দেহজনক সিএনজিকে থামার সংকেত দিলে চালক গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে সিএনজিটিতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা ইয়াবা ও সিএনজির বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, মাদকের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।