ঘুষ দুর্নীতির শীর্ষে জাতীয় গৃহায়ন মিরপুর-২.প্রকৌশলী কাউসার মোরশেদ
- আপডেট: ০৪:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৮০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
জাতীয় গৃহায়ন,মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২,ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী-কাওছার মোর্শেদ এর বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ।
তারদের এসব অবৈধ উপার্জনের বিষয়ের তদন্ত চেয়ে গৃহায়ন ও গর্ণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজউক শাখায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তাজউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে,কাওছার মোর্শেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী, মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২, ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার পিতা- মাহবুব উর রহমান সরকার, তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ২৬৯৫০৪৬৯৩০০৫৪, জন্ম তারিখ- ১৫/১১/১৯৮০, টিআইএন নং- ৬৪৯৫৭৫৪৪৩২৩৮, বর্তমান ঠিকানাঃ ৩৮৯/৪, জাফ্রাবাদ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা- ১২০৭।
জাতীয় গৃহায়নে শীর্ষ দুর্নীতিবাজ কাওছার মোর্শেদ এর দুর্নীতিতে ভরে গেছে গোটা জাতীয় গৃহায়ন অফিস। সেখানে বর্তমানে তার নেতৃত্বে দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকার ঘুষ দুর্নীতি তদবীর করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তিনি তার আয়কর নথিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আয়কর নথি সাজিয়েছেন।
তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তিনি ৩০/০৬/২০২০ইং সালে তার আয়কর নথিতে তিনি নীট সম্পদ প্রদর্শন করেছেন ৭৪,৮৯,২০৪/- টাকা। তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর হাউজিং এস্টেটের ১৪ নম্বর সেকশনে অবস্থিত ২১টি চারতলা পুরাতন ভবনের নিলামকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে উক্ত বিল্ডিং গুলো কম দামে নিলাম মূল্য দেখিয়েছেন। ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও একই দিন সকাল ১১টার মধ্যেই নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার আগ্রহী ব্যবসায়ীরা নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। তার দাবি, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ২১টি ভবনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি টাকা হলেও সেগুলো মাত্র আড়াই কোটি টাকায় নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, এ তথ্য সঠিক হলে সরকার প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি অবৈধ টাকা অর্জন করে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন, প্লট ক্রয় করেছেন, বাড়ী-গাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েচেন। তার ও তার পরিবারের বিষয়ে সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। তার অবৈধ সম্পদ ও অবৈধ নিয়োগের বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরোও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
উল্লেখিত তার স্ত্রী তিনাত ফারজীনের নামে বিলাস বহু একটি গাড়ি রয়েছে যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো : জি GHA-193558।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।



















