সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট: ০৩:৪৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৮০০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করতে চায় সরকার, যা সার্বিক জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা সংবিধানে ধারণ করা হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই দিন-তারিখ ও তালিকা নির্ধারণ করা হবে। বিরোধীদলের পক্ষ থেকে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারা নাম পাঠাবেন।
তিনি বলেন, বিরোধীদলের সদস্যরা বৈঠকে এসে কথা বললে যেমন স্বাগত জানানো হবে, তেমনি বৈঠকের বাইরে লিখিতভাবে দেওয়া পরামর্শও গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।
সংবিধান সংশোধনের পথে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একে কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে প্রত্যাশা হিসেবে দেখছেন তারা। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, শহীদের রক্ত এবং জাতির বিশাল আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কাজ করছে এই কমিটি। এই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধারণ করতে হলে সংবিধান সংস্কারই প্রথম পদক্ষেপ।
তিনি জানান, কেবল রাজনীতিবিদরাই নন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো আগ্রহ প্রকাশ করলে সবার সঙ্গেই পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে। ফলে আলোচনা শেষ করার নির্দিষ্ট সময় এখনই বেঁধে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সংগৃহীত বিষয়গুলো এবং যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, সেগুলো বিবেচনা করা হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দলের নিজস্ব নির্বাচনি ইশতেহার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধান সংস্কারের পথেই এগোচ্ছে কমিটি।



















