নুরুজ্জামান চৌধুরীকে বিদায় সংবর্ধনা দিলেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি
- আপডেট: ০৭:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৮০১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর
দীর্ঘ কর্মজীবনের ইতি টেনে অবসর জীবনে পা রাখলেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি) মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী। দীর্ঘদিনের কর্মসঙ্গীকে বিদায় জানাতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।
অনুষ্ঠানে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) শাহ মমতাজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড অপারেশন এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে ইন্টেলিজেন্স, আইসিটি ও মিডিয়া) বি. এম. আশরাফ উল্যাহ তাহের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইলিয়াছ হোসেনসহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদায়ী সহকর্মীর দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, অবসর মানেই কর্মজীবনের সঙ্গে সব সম্পর্কের অবসান নয়। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, অর্জিত জ্ঞান ও মূল্যবান পরামর্শ পরবর্তী প্রজন্মের পুলিশ সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে কাজে লাগাতে হবে। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, মাঝেমধ্যে দাওয়াত দিতে হবে, তাদের কথা শুনতে হবে। আপনারা যেকোনো সময় আমাদের অফিসে আসবেন। আপনাদের জন্য আমাদের অফিসের দরজা সব সময় খোলা থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবেন।’
ডিআইজি বলেন, একজন কর্মকর্তা দীর্ঘ কর্মজীবনে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন, তা প্রতিষ্ঠানের জন্য মূল্যবান সম্পদ। অবসরপ্রাপ্ত সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।
নুরুজ্জামান চৌধুরী দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং সহকর্মীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্ক তার কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন।
কর্মজীবনের পাশাপাশি পারিবারিক জীবনেও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন নুরুজ্জামান চৌধুরী। তার সহধর্মিণী মোছা. ফেরদৌসি বেগম। তাদের দুই কন্যা জাকিয়া জামান চৌধুরী ও সামিয়া জামান চৌধুরী।
বিদায়ী সংবর্ধনায় সহকর্মীদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের কর্মসঙ্গীকে বিদায় জানাতে গিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তারা তার অবসরজীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে কাটুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।




















