০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগ, পুড়ল মসজিদ ও ডিএনসিসির গাড়ি

  • আপডেট: ০৫:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক (মোসলেহউদ্দিন তুহিন), ঢাকাঃ  রাজধানীর মিরপুর–১০ নম্বর গোলচত্বর ও হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কর্মীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডিএনসিসির একাধিক গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত ভেকু ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হয়েছেন কয়েকজন সাংবাদিকও।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে মিরপুর–১০ থেকে মিরপুর–১৪ এলাকার ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখল সরাতে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অভিযান শুরুর সময় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযানে সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদের একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের একটি স্থানেও ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় হকার ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। উত্তেজিত হকারদের একাংশ সিটি করপোরেশনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিভিন্ন সূত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ও আগুন দেওয়া গাড়ির সংখ্যা নিয়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত একটি ভেকু এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
ইটপাটকেল, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

ঘটনার একপর্যায়ে মিরপুর–১০ গোলচত্বর থেকে পুলিশের একটি পিকআপ ঘটনাস্থলের দিকে গেলে সেটিকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। সকাল পৌনে ১১টার দিকে হোপ মার্কেট এলাকা থেকে কয়েকজন আনসার সদস্যকে মিরপুর–১৩ নম্বরের দিকে সরে যেতে দেখা যায়। তাদের লক্ষ্য করেও লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।


দুপুর পৌনে ১২টার দিকেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। মিরপুর আইডিয়াল কলেজের সামনে হকারদের একটি অংশ অবস্থান নেয় এবং পুলিশ অবস্থান নেয় মিরপুর–১০ গোলচত্বর এলাকায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। অন্যদিকে হকারদের দিক থেকেও ইটপাটকেল ছোড়া হয়। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সাংবাদিকদের ওপরও হামলা
ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ওপরও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। সমকালের আলোকচিত্রী মাহবুব হোসেন নবীন হামলার শিকার হন। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে মিরপুর–১০ গোলচত্বরের পুলিশ বক্স ভাঙচুর এবং যমুনা টিভির গাড়ি ভাঙচুরের কথাও জানানো হয়েছে।


আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস
আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কথা বলা হয়েছে।
মসজিদের আগুন নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। হকার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্ছেদের সময় বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে মসজিদে আগুন দিয়ে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এটি ডিএনসিসি প্রশাসকের অভিযোগ; ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফল এখনো পাওয়া যায়নি।

‘অভিযান বন্ধ হবে না’। ঘটনার পর মিরপুর–১০ এলাকা পরিদর্শন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। তার অভিযোগ, ফুটপাত দখলকারীদের ইন্ধনে সিটি করপোরেশনের যানবাহন, সাংবাদিক এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা হয়েছে।

ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিএনসিসি ও পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর–১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় ডিএনসিসি প্রশাসক ঘোষণা দিয়েছিলেন, নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের জন্য ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না এবং পুনরায় দখল হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমন্বয়ের ঘাটতির অভিযোগঃ এদিকে ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মিরপুরের ব্যস্ত এই এলাকায় সংঘর্ষের কারণে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক যান চলাচল ও জনজীবন ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগ, পুড়ল মসজিদ ও ডিএনসিসির গাড়ি

আপডেট: ০৫:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক (মোসলেহউদ্দিন তুহিন), ঢাকাঃ  রাজধানীর মিরপুর–১০ নম্বর গোলচত্বর ও হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কর্মীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডিএনসিসির একাধিক গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত ভেকু ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হয়েছেন কয়েকজন সাংবাদিকও।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে মিরপুর–১০ থেকে মিরপুর–১৪ এলাকার ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখল সরাতে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অভিযান শুরুর সময় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযানে সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদের একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের একটি স্থানেও ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় হকার ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। উত্তেজিত হকারদের একাংশ সিটি করপোরেশনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিভিন্ন সূত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ও আগুন দেওয়া গাড়ির সংখ্যা নিয়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত একটি ভেকু এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
ইটপাটকেল, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

ঘটনার একপর্যায়ে মিরপুর–১০ গোলচত্বর থেকে পুলিশের একটি পিকআপ ঘটনাস্থলের দিকে গেলে সেটিকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। সকাল পৌনে ১১টার দিকে হোপ মার্কেট এলাকা থেকে কয়েকজন আনসার সদস্যকে মিরপুর–১৩ নম্বরের দিকে সরে যেতে দেখা যায়। তাদের লক্ষ্য করেও লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।


দুপুর পৌনে ১২টার দিকেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। মিরপুর আইডিয়াল কলেজের সামনে হকারদের একটি অংশ অবস্থান নেয় এবং পুলিশ অবস্থান নেয় মিরপুর–১০ গোলচত্বর এলাকায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। অন্যদিকে হকারদের দিক থেকেও ইটপাটকেল ছোড়া হয়। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সাংবাদিকদের ওপরও হামলা
ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ওপরও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। সমকালের আলোকচিত্রী মাহবুব হোসেন নবীন হামলার শিকার হন। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে মিরপুর–১০ গোলচত্বরের পুলিশ বক্স ভাঙচুর এবং যমুনা টিভির গাড়ি ভাঙচুরের কথাও জানানো হয়েছে।


আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস
আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কথা বলা হয়েছে।
মসজিদের আগুন নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। হকার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্ছেদের সময় বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে মসজিদে আগুন দিয়ে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এটি ডিএনসিসি প্রশাসকের অভিযোগ; ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফল এখনো পাওয়া যায়নি।

‘অভিযান বন্ধ হবে না’। ঘটনার পর মিরপুর–১০ এলাকা পরিদর্শন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। তার অভিযোগ, ফুটপাত দখলকারীদের ইন্ধনে সিটি করপোরেশনের যানবাহন, সাংবাদিক এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা হয়েছে।

ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিএনসিসি ও পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর–১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় ডিএনসিসি প্রশাসক ঘোষণা দিয়েছিলেন, নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের জন্য ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না এবং পুনরায় দখল হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমন্বয়ের ঘাটতির অভিযোগঃ এদিকে ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মিরপুরের ব্যস্ত এই এলাকায় সংঘর্ষের কারণে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক যান চলাচল ও জনজীবন ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।