১১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

মাদকের মূল হোতাদের ধরতে হবে, তৈরি করতে হবে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ: রেলওয়ে পুলিশ প্রধান

  • আপডেট: ১০:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেফতার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চার্জ) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা এবং নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য মাদক কারবারিদের একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরির প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব সংস্থা মুহূর্তেই একজন মাদক কারবারিকে শনাক্ত করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে উল্লেখ করে রেলওয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, রেলপথও মাদক পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠতে পারে। বিশাল রেল নেটওয়ার্ক, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীর চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনে মানুষের অবাধ যাতায়াতের কারণে নজরদারি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে রেলওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মাদকের মূল হোতাদের ধরতে হবে, তৈরি করতে হবে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ: রেলওয়ে পুলিশ প্রধান

আপডেট: ১০:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেফতার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চার্জ) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা এবং নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য মাদক কারবারিদের একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরির প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব সংস্থা মুহূর্তেই একজন মাদক কারবারিকে শনাক্ত করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে উল্লেখ করে রেলওয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, রেলপথও মাদক পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠতে পারে। বিশাল রেল নেটওয়ার্ক, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীর চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনে মানুষের অবাধ যাতায়াতের কারণে নজরদারি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে রেলওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।