১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্রগ্রামে চুরির টাকায় কেনা ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল উদ্ধার,গ্রেফতার ৪

  • আপডেট: ০৭:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের আসকারদিঘীর পূর্বপাড়া এলাকায় সংঘটিত এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জড়িত চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পশ্চিম)। এ সময় চোরাই স্বর্ণ বিক্রির টাকায় কেনা একটি ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল,একটি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো.জসিম (৪৩),মোস্তাকিন হোসেন মিঠু (৪২),সেতু দাস ওরফে সালাহ উদ্দিন (৩২) (নব মুসলিম) এবং মো. ইসমাঈল (৩০)।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান,গত ৫ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানাধীন আসকারদিঘীর পূর্বপাড়ায় রিচ নাহার ভবনের সপ্তম তলায় চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা বাসা থেকে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পূরবী বিশ্বাস গত ১৬ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–২৬)। মামলার পর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পশ্চিম) ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে। ফুটেজে ৩-৪ জন সন্দেহভাজনকে বাসার আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিম ও মোস্তাকিন হোসেন মিঠুকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং জসিমের বাসা থেকে চুরিকৃত একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাতের দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের আরেক সদস্য সেতু দাস ওরফে সালাহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান,চুরি করা স্বর্ণ বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি নতুন ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল কিনেছেন এবং তার কাছে ৬০ হাজার টাকা রয়েছে। পরে মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

সালাহ উদ্দিন আরও জানান,স্বর্ণ বিক্রির সময় তার সঙ্গে মো. ইসমাঈল নামের আরেকজন ছিলেন। পরে নিউমার্কেট এলাকা থেকে ইসমাঈলকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কোতোয়ালী থানাধীন টেরিবাজার এলাকার একটি দোকানের ঠিকানা দেন। তবে সেখানে অভিযান চালাতে গেলে অভিযুক্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে চুরির টাকায় কেনা ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল উদ্ধার,গ্রেফতার ৪

আপডেট: ০৭:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের আসকারদিঘীর পূর্বপাড়া এলাকায় সংঘটিত এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জড়িত চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পশ্চিম)। এ সময় চোরাই স্বর্ণ বিক্রির টাকায় কেনা একটি ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল,একটি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো.জসিম (৪৩),মোস্তাকিন হোসেন মিঠু (৪২),সেতু দাস ওরফে সালাহ উদ্দিন (৩২) (নব মুসলিম) এবং মো. ইসমাঈল (৩০)।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান,গত ৫ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানাধীন আসকারদিঘীর পূর্বপাড়ায় রিচ নাহার ভবনের সপ্তম তলায় চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা বাসা থেকে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পূরবী বিশ্বাস গত ১৬ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–২৬)। মামলার পর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পশ্চিম) ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে। ফুটেজে ৩-৪ জন সন্দেহভাজনকে বাসার আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিম ও মোস্তাকিন হোসেন মিঠুকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং জসিমের বাসা থেকে চুরিকৃত একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাতের দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের আরেক সদস্য সেতু দাস ওরফে সালাহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান,চুরি করা স্বর্ণ বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি নতুন ‘রয়েল এনফিল্ড’মোটরসাইকেল কিনেছেন এবং তার কাছে ৬০ হাজার টাকা রয়েছে। পরে মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

সালাহ উদ্দিন আরও জানান,স্বর্ণ বিক্রির সময় তার সঙ্গে মো. ইসমাঈল নামের আরেকজন ছিলেন। পরে নিউমার্কেট এলাকা থেকে ইসমাঈলকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কোতোয়ালী থানাধীন টেরিবাজার এলাকার একটি দোকানের ঠিকানা দেন। তবে সেখানে অভিযান চালাতে গেলে অভিযুক্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা।