০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার-মহেশখালী-কুতুবদিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

  • আপডেট: ০৪:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কক্সবাজার উপকূলীয় সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সাগর এলাকায় দিনব্যাপী এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, আধুনিক জাহাজ ও উচ্চগতির স্পিড বোটের মাধ্যমে টহল পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাডার, Automatic Identification System (AIS), VHF ও HF কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং GPS প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্রসীমায় সব ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গত দুই মাসে পরিচালিত একাধিক বিশেষ অভিযানে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র ও ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ডাকাতদের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ কুতুবদিয়া, বিসিজি স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরী সমন্বয়ে কক্সবাজার উপকূল ও তৎসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূল এবং মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সাগর, নদীপথ ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

কক্সবাজার-মহেশখালী-কুতুবদিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

আপডেট: ০৪:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

কক্সবাজার উপকূলীয় সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সাগর এলাকায় দিনব্যাপী এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, আধুনিক জাহাজ ও উচ্চগতির স্পিড বোটের মাধ্যমে টহল পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাডার, Automatic Identification System (AIS), VHF ও HF কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং GPS প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্রসীমায় সব ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গত দুই মাসে পরিচালিত একাধিক বিশেষ অভিযানে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র ও ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ডাকাতদের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ কুতুবদিয়া, বিসিজি স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরী সমন্বয়ে কক্সবাজার উপকূল ও তৎসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূল এবং মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সাগর, নদীপথ ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।