১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুরে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: বিভাগীয় কমিশনার

  • আপডেট: ০৭:২৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০১৭

মোহাম্মদ হায়দার আলী, চট্টগ্রাম:

জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতা দূর হওয়ায় এখন সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে সলিমপুরে প্রবেশমুখে অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. জিয়াউদ্দীন বলেন, ভবিষ্যতে এই এলাকার উন্নয়নের জন্য সরকার যে পরিকল্পনাগুলো গ্রহণ করেছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত সহযোগিতায় সেই বাধা দূর হয়েছে।

এখন থেকে সরকার পূর্বে গ্রহণ করা পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য নিয়মিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সলিমপুর এলাকা শহরের খুব কাছে হওয়া সত্ত্বেও এতদিন প্রশাসনের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা ছিল। বিষয়টি অনেক আগেই সমাধান হওয়া উচিত ছিল। সম্প্রতি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার কারণে প্রশাসনের মনোযোগ সেদিকে ছিল।

নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে এলাকায় সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

জঙ্গল সলিমপুরে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: বিভাগীয় কমিশনার

আপডেট: ০৭:২৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

মোহাম্মদ হায়দার আলী, চট্টগ্রাম:

জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতা দূর হওয়ায় এখন সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে সলিমপুরে প্রবেশমুখে অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. জিয়াউদ্দীন বলেন, ভবিষ্যতে এই এলাকার উন্নয়নের জন্য সরকার যে পরিকল্পনাগুলো গ্রহণ করেছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত সহযোগিতায় সেই বাধা দূর হয়েছে।

এখন থেকে সরকার পূর্বে গ্রহণ করা পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য নিয়মিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সলিমপুর এলাকা শহরের খুব কাছে হওয়া সত্ত্বেও এতদিন প্রশাসনের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা ছিল। বিষয়টি অনেক আগেই সমাধান হওয়া উচিত ছিল। সম্প্রতি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার কারণে প্রশাসনের মনোযোগ সেদিকে ছিল।

নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে এলাকায় সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।