১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষক রনজিলা হত্যা:এখনই নির্দিষ্ট করে কাউকে মূল অপরাধী বলা সম্ভব নয়: ডিবি

  • আপডেট: ০৪:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীদের টানে রিকশা থেকে পড়ে স্কুলশিক্ষক রনজিলা পারভীন নিহত হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে থানা পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও ছায়া তদন্ত করছে। তারা প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অত্যন্ত আলোচিত হওয়ায় ঘটনার পর থেকেই এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। তবে তদন্ত একটি চলমান প্রক্রিয়া হওয়ায় এখনই নির্দিষ্ট করে কাউকে মূল অপরাধী বলা সম্ভব নয়।

শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় র‍্যাব যে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে তাদের একজনের বিরুদ্ধে ১২টি ছিনতাই মামলা রয়েছে। ফলে তাকে একেবারে নির্দোষ বলার সুযোগ নেই। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

মূল আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, থানার তদন্তের পাশাপাশি ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশও এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় ছায়া তদন্ত করে থাকে। এ ঘটনাতেও তাদের নজরদারি রয়েছে।

সংসদ ভবনের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় একজন শিক্ষক ছিনতাইকারীর টানে পড়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশের দায়িত্বে কোনো অবহেলা ছিল কি না এমন প্রশ্নও ওঠে।

জবাবে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি বলা যাবে না। তবে তেমনটি হলে তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদ ভবনের ঘটনার পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আগে থেকেই বাস টার্মিনাল, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোশাকধারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদের টহল ছিল। তবে ঘটনার পর ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় চাহিদা অনুযায়ী কোনো কোনো স্থানে একটি টহল দলের পরিবর্তে তিনটি টহল দল করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের টিমও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা মহানগর অনেক বড় এলাকা। তারপরও পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে টহল বাড়ানো হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

শিক্ষক রনজিলা হত্যা:এখনই নির্দিষ্ট করে কাউকে মূল অপরাধী বলা সম্ভব নয়: ডিবি

আপডেট: ০৪:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীদের টানে রিকশা থেকে পড়ে স্কুলশিক্ষক রনজিলা পারভীন নিহত হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে থানা পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও ছায়া তদন্ত করছে। তারা প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অত্যন্ত আলোচিত হওয়ায় ঘটনার পর থেকেই এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। তবে তদন্ত একটি চলমান প্রক্রিয়া হওয়ায় এখনই নির্দিষ্ট করে কাউকে মূল অপরাধী বলা সম্ভব নয়।

শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় র‍্যাব যে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে তাদের একজনের বিরুদ্ধে ১২টি ছিনতাই মামলা রয়েছে। ফলে তাকে একেবারে নির্দোষ বলার সুযোগ নেই। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

মূল আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, থানার তদন্তের পাশাপাশি ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশও এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় ছায়া তদন্ত করে থাকে। এ ঘটনাতেও তাদের নজরদারি রয়েছে।

সংসদ ভবনের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় একজন শিক্ষক ছিনতাইকারীর টানে পড়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশের দায়িত্বে কোনো অবহেলা ছিল কি না এমন প্রশ্নও ওঠে।

জবাবে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি বলা যাবে না। তবে তেমনটি হলে তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদ ভবনের ঘটনার পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আগে থেকেই বাস টার্মিনাল, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোশাকধারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদের টহল ছিল। তবে ঘটনার পর ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় চাহিদা অনুযায়ী কোনো কোনো স্থানে একটি টহল দলের পরিবর্তে তিনটি টহল দল করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের টিমও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা মহানগর অনেক বড় এলাকা। তারপরও পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে টহল বাড়ানো হচ্ছে।