০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চেকপোস্টে হেলমেট বিহীন ছাত্রদল নেতার ভিডিও করা ‘স্বৈরাচারের দোসর’ বলে সাংবাদিককে হুমকি

  • আপডেট: ০৮:৫৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর একের পর এক বাসে আগুন ও লাগাতার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজধানীর বিমানবন্দরে পুলিশের চেকপোস্টে হেলমেট বিহীন ছাত্রদল নেতার ভিডিও করায় সাংবাদিককে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ বলে হুমকির ঘটনা ঘটেছে। সেই সাথে সাংবাদিককে কর্তব্যরত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের ২ নং সহ-সভাপতি ইমরান খানের বিরুদ্ধে।

বিমানন্দর থানাধীন জসিমউদ্দিন মোড় এলাকায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে চেকপোস্টে থাকা পুলিশের সামনেই বীরদর্পে চলে যায় ওই নেতা।

পুলিশের সামনেই ছাত্রদল নেতার হুমকির শিকার হওয়া ওই সাংবাদিক হলেন ‘এশিয়া পোস্টের’ স্টাফ রিপোর্টার নুরুল আমিন হাসান।

তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় পরিবহণে আগুন ও একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিভিন্ন জায়গার মত বিমানবন্দরের জসিম উদ্দিন এলাকায় পুলিশের চেকপোস্ট চলছিল। ওই সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ও চেকপোস্টের পুলিশি তল্লাশির ভিডিও করছিলাম। এক পর্যায়ে একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট বিহীন দুইজন ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের সিগন্যাল দিয়ে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। যার ভিডিও ধারণ করার সময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের ২ নং সহ-সভাপতি ইমরান খান পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে মারধর করার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন।।সেই সাথে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

সাংবাদিক হাসান বলেন, ‘ওই সময় ইমরান বলেন- হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি ভিডিও করছেন কেন, আপন সাংবাদিক আপনার লগে রাখেন। আপনি তো স্বৈরাচারের দোসর। ইমরান আরো বলেন, আমি একজন ছাত্র নেতা, ভিডিও করতে হলে অবশ্যই আমাকে জিজ্ঞাসা করা লাগবে। আমি প্রোগাম শেষ করে আসছি। উত্তরের ছাত্রদলের প্রেসিডেন্টকের বিদায় দিয়ে আসছি।’

এছাড়াও ওই সময় ইমরান খান বিভিন্ন হুমকি ধামকি ও চরম বাজে ব্যবহার করেন পুলিশের উপস্থিতিতেই চলে যান বলে জানান সাংবাদিক হাসান।

ঘটনার ঠিক ওই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হোন ডিএমপির বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার। হুমকির বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জানান ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

তখন ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘এখন কেউ আমাদেরকে মারধর করলেও আমরা কিছু বলবো না। তারপরও বলবো চলে যায়, যাক।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

চেকপোস্টে হেলমেট বিহীন ছাত্রদল নেতার ভিডিও করা ‘স্বৈরাচারের দোসর’ বলে সাংবাদিককে হুমকি

আপডেট: ০৮:৫৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর একের পর এক বাসে আগুন ও লাগাতার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজধানীর বিমানবন্দরে পুলিশের চেকপোস্টে হেলমেট বিহীন ছাত্রদল নেতার ভিডিও করায় সাংবাদিককে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ বলে হুমকির ঘটনা ঘটেছে। সেই সাথে সাংবাদিককে কর্তব্যরত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের ২ নং সহ-সভাপতি ইমরান খানের বিরুদ্ধে।

বিমানন্দর থানাধীন জসিমউদ্দিন মোড় এলাকায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে চেকপোস্টে থাকা পুলিশের সামনেই বীরদর্পে চলে যায় ওই নেতা।

পুলিশের সামনেই ছাত্রদল নেতার হুমকির শিকার হওয়া ওই সাংবাদিক হলেন ‘এশিয়া পোস্টের’ স্টাফ রিপোর্টার নুরুল আমিন হাসান।

তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় পরিবহণে আগুন ও একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিভিন্ন জায়গার মত বিমানবন্দরের জসিম উদ্দিন এলাকায় পুলিশের চেকপোস্ট চলছিল। ওই সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ও চেকপোস্টের পুলিশি তল্লাশির ভিডিও করছিলাম। এক পর্যায়ে একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট বিহীন দুইজন ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের সিগন্যাল দিয়ে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। যার ভিডিও ধারণ করার সময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের ২ নং সহ-সভাপতি ইমরান খান পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে মারধর করার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন।।সেই সাথে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

সাংবাদিক হাসান বলেন, ‘ওই সময় ইমরান বলেন- হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি ভিডিও করছেন কেন, আপন সাংবাদিক আপনার লগে রাখেন। আপনি তো স্বৈরাচারের দোসর। ইমরান আরো বলেন, আমি একজন ছাত্র নেতা, ভিডিও করতে হলে অবশ্যই আমাকে জিজ্ঞাসা করা লাগবে। আমি প্রোগাম শেষ করে আসছি। উত্তরের ছাত্রদলের প্রেসিডেন্টকের বিদায় দিয়ে আসছি।’

এছাড়াও ওই সময় ইমরান খান বিভিন্ন হুমকি ধামকি ও চরম বাজে ব্যবহার করেন পুলিশের উপস্থিতিতেই চলে যান বলে জানান সাংবাদিক হাসান।

ঘটনার ঠিক ওই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হোন ডিএমপির বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার। হুমকির বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জানান ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

তখন ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘এখন কেউ আমাদেরকে মারধর করলেও আমরা কিছু বলবো না। তারপরও বলবো চলে যায়, যাক।’