০৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাটির পাত্রে লুকিয়ে চীনা নাগরিকের স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা, উদ্ধার ২.৫ কেজি

  • আপডেট: ০৯:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে থাকা মাটির তৈরি পাঁচটি পাত্র থেকে প্রায় ২ দশমিক ৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।আনসার সদস্যদের তৎপরতায় এসব স্বর্ণ শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে দুইটার দিকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আনসারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চীন থেকে আসা ওই নাগরিকের সঙ্গে থাকা পাঁচটি মাটির তৈরি মগ/ঝাড়ে বিশেষ কৌশলে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য রায়হান হোসেন ও এপিসি সাইফুল বিষয়টি শনাক্ত করেন। পরে তাঁরা পাত্রগুলো উদ্ধার করে কর্তব্যরত পিসি মো. আনিসুর রহমানকে বিষয়টি জানান।

পিসি আনিসুর রহমান বিষয়টি শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুককে অবহিত করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করা সামগ্রী বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্বর্ণকারের সহায়তায় মাটির পাত্রগুলো আগুনে পুড়িয়ে ভেতরে থাকা স্বর্ণ আলাদা করে। পরে সেখান থেকে পাঁচটি স্বর্ণের বার বা বিস্কুট পাওয়া যায়।

আনসার জানিয়েছে, উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কেজি, যা প্রায় ২১৫ ভরি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মাটির পাত্রে লুকিয়ে চীনা নাগরিকের স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা, উদ্ধার ২.৫ কেজি

আপডেট: ০৯:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে থাকা মাটির তৈরি পাঁচটি পাত্র থেকে প্রায় ২ দশমিক ৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।আনসার সদস্যদের তৎপরতায় এসব স্বর্ণ শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে দুইটার দিকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আনসারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চীন থেকে আসা ওই নাগরিকের সঙ্গে থাকা পাঁচটি মাটির তৈরি মগ/ঝাড়ে বিশেষ কৌশলে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য রায়হান হোসেন ও এপিসি সাইফুল বিষয়টি শনাক্ত করেন। পরে তাঁরা পাত্রগুলো উদ্ধার করে কর্তব্যরত পিসি মো. আনিসুর রহমানকে বিষয়টি জানান।

পিসি আনিসুর রহমান বিষয়টি শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুককে অবহিত করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করা সামগ্রী বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্বর্ণকারের সহায়তায় মাটির পাত্রগুলো আগুনে পুড়িয়ে ভেতরে থাকা স্বর্ণ আলাদা করে। পরে সেখান থেকে পাঁচটি স্বর্ণের বার বা বিস্কুট পাওয়া যায়।

আনসার জানিয়েছে, উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কেজি, যা প্রায় ২১৫ ভরি।