০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আপডেট: ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী—পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমনটাই মনে করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে আরও তদন্ত প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন এবং চাঁদা না দেওয়ার কারণে স্টুডিওতে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো তিনি কোনো মামলা করেননি বলে জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সালমান মুক্তাদির নিজেই জানিয়েছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি। ফলে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, তা এখনো নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। চাঁদাবাজির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করা হলে পুলিশ তা তদন্ত করে দেখবে।

ঘটনাস্থল রাজধানীর মানিকদী নামাপাড়া, যা ক্যান্টনমেন্ট থানার আওতাধীন। সেখানে প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে তিনি বলেন, ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে কিছু লোক রাতে জায়গাটি দখল করতে যায়। এ সময় সেখানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই স্থাপনার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনাও ছিল, যেখানে কনটেন্ট তৈরির কাজ হতো। সেটিতেও ভাঙচুর করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করেছে। তবে প্রকৃত ঘটনা জানতে আরও বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ এবং দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ বলছে, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলার মূল লক্ষ্য ছিল না এবং চাঁদাবাজির ঘটনার প্রমাণও তারা পায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী—পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমনটাই মনে করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে আরও তদন্ত প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন এবং চাঁদা না দেওয়ার কারণে স্টুডিওতে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো তিনি কোনো মামলা করেননি বলে জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সালমান মুক্তাদির নিজেই জানিয়েছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি। ফলে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, তা এখনো নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। চাঁদাবাজির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করা হলে পুলিশ তা তদন্ত করে দেখবে।

ঘটনাস্থল রাজধানীর মানিকদী নামাপাড়া, যা ক্যান্টনমেন্ট থানার আওতাধীন। সেখানে প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে তিনি বলেন, ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে কিছু লোক রাতে জায়গাটি দখল করতে যায়। এ সময় সেখানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই স্থাপনার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনাও ছিল, যেখানে কনটেন্ট তৈরির কাজ হতো। সেটিতেও ভাঙচুর করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করেছে। তবে প্রকৃত ঘটনা জানতে আরও বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ এবং দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ বলছে, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলার মূল লক্ষ্য ছিল না এবং চাঁদাবাজির ঘটনার প্রমাণও তারা পায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।