০৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে প্রতারণা, আগারগাঁওয়ে ৫ দালালের দণ্ড

  • আপডেট: ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দালালবিরোধী অভিযান চালিয়ে পাসপোর্ট দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। পরে র‌্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দালাল চক্রের দুই সদস্যকে ১৫ দিন করে, দুইজনকে ১০ দিন করে এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলে পাসপোর্টপ্রার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করা হতো। পরে অল্প সময়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো।

দালালদের উপদ্রব বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নোটিশ বোর্ডে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পাশাপাশি মাইকিংও করা হয়। এরপরও দালাল চক্রের তৎপরতা অব্যাহত থাকায় র‌্যাব-২ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে প্রতারণা, আগারগাঁওয়ে ৫ দালালের দণ্ড

আপডেট: ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দালালবিরোধী অভিযান চালিয়ে পাসপোর্ট দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। পরে র‌্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দালাল চক্রের দুই সদস্যকে ১৫ দিন করে, দুইজনকে ১০ দিন করে এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলে পাসপোর্টপ্রার্থীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করা হতো। পরে অল্প সময়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো।

দালালদের উপদ্রব বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নোটিশ বোর্ডে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পাশাপাশি মাইকিংও করা হয়। এরপরও দালাল চক্রের তৎপরতা অব্যাহত থাকায় র‌্যাব-২ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।