০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য, নামে বেনামে সম্পদের পাহাড়

  • আপডেট: ১০:০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০২৭

বিশেষ প্রতিনিধি :

এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌলশী পদে কর্মরত কাজী সাইফুল কবিরের কর্মস্থলে দির্ঘদিন ধরে ঘুষ অনিয়ম দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। একাধীক সুত্রে যানা যায় বিগত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে এলজিইডির কর্মরত থেকে ঘুষ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছিলেন তিনি। এখনো রয়েগেছেন বহাল তরিয়াতে। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট। তাঁর অবৈধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ বদলী ও ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বনে গেছেন রাতারাতি কোটিপতি। রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানানো তাঁর কাজ। বেপরোয়া কমিশন বানিজ্যর কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে তাঁর অধিনস্থ সকল কার্যক্রম। সুত্রে আরও জানা যায় এলজিইডির কাজী সাইফুল কবিরের প্রভাব ও অনিয়ম করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে এ যেন দেখার কেউ নেই। এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের প্রভাব ও অনিয়মের অভিযোগ ভুরি ভুরি থাকলেও তিনি দীর্ঘ দিন অবস্থান শুধু নীতিমালা লঙ্ঘনই নয়, বরং প্রতিষ্ঠিত প্রভাব ও দুর্নীতির ইঙ্গিত বহন করে। মহা-দুর্নীতিবাজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবির চাকরীর বিভিন্ন সময় কালে ভুয়া বিল ভাওছারের বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বনে গেছেন কোটি পতি। অতিরিক্ত বরাদ্ধ নিয়ে নাম মাত্র কাজকরে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আলোচিত-সমালোচিত রুপ পুর বালিশ কান্ডে অনেক কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের সময়ে চাকরিচুত কিংবা সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে এখনো বহালে চাকরি করছেন এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্তি প্রধান প্রকৌলশী পদে কর্মরত কাজী সাইফুল কবির। বিগত সময়ে অধিনস্তদের বদলী বানিজ্যসহ নানা ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির চক্র গড়ে তোলে হাতিয়ে নিয়েছেনে কোটি কোটি টাকা। এবার এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিরোজ সরকার নামে এক ভোক্তভোগি। তিনি বদলী বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, ও সরকারি অর্থ আত্মসাত করে অবৈধ ভাবে নিজে ও তার স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ প্রায় শত কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার পিতার নাম-কাজী জালাল উদ্দিন, মাতার নাম-হাসিনা বেগম, স্ত্রীর নাম-ফারজানা নাসরিন হক, তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৯৫৬৬৭৯০৭১৪, জন্ম তারিখ: ৭ জুন ১৯৬৮ইং, তার টিআইএন নং-১৫১৫৫৩২১৫২২৬, কর সার্কেল-১৯ (শ্যামনগর) কর অঞ্চল-খুলনা, তার পূর্বের টিআইএন নং-৪২৬১০৬৭১২১, বর্তমান ঠিকানা, বাসা-১০৬৯, কাঠালতলা, মিরপুর-০২, ঢাকা। বাসা-৬/২, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। স্থায়ী ঠিকানাঃ পায়গ্রাম কসবা, কাজী বাড়ী, ডাকঘর: ফুলতলা, থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনা। তার স্ত্রীর নাম ফারজানা নাসরিন হক, তার পিতার নাম-মোঃ মোজাম্মেল হক, মাতার নাম-ইস্পেনডিয়ারী হক, স্বামীর নাম-কাজী সাইফুল কবির। তার পেশা-গৃহিনী, তার জাতিয় পরিচয়পত্র নং-৫৯৭৩৫১৩৯০৫, জন্ম তারিখ: ২৬আগস্ট ১৯৭৩ইং, তার টিআইএন নং-৭৯২৬১৫৪০৭৮২৪, কর সার্কেল-৪৯৪, কর অঞ্চল-২৩, ঢাকা। তার পূর্বের টিআইএন নং-১৮৪১০৪৩০০১, গত ৭ আগস্ট ২০১৩ সালে তার পূর্বের টিনটি অনলাইনে আপডেট করেন। বর্তমান বাসা-১০৬৯, কাঠালতলা, মিরপুর-০২, ঢাকা। স্থায়ী ঠিকানা: বাসা-৬/২, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। তাছাড়া সাইফুল কবির এর মিরপুরস্থ সেকশন-২, ব্লব-বি, এভিঃ-১ এর ১৪ নং বাড়িতে ফ্ল্যাট নং-বি/২, ১১৭৬ বর্গফুটের একটি ফ্লাটও রয়েছে। তাছাড়া একই ভবনে তার শালিকার নামেও ১১৭৬ বর্গফুটের আরো একটি ফ্ল্যাট রয়েছে যা সাইফুল কবির ক্রয়য় করে দেন।
সাইফুল কবির বর্তমান এলজিইডির তত্ত্বধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন পদে কর্মরত থাকার সুবাদে বদলী, বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্য, সহ যাবতীয় অবৈধ কর্মকান্ড তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করিয়ে প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধ ভাবে নিজে ও তার স্ত্রী গৃহিনী ফারজানা নাসরিন হক সহ পরিবারে অন্যন্য সদস্যগণ কোটি কোটি টাকার মালিক বানিয়েছেন। সাইফুল কবির সরকারি অর্থ আত্মসাত করে সরকারের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করেছেন। সাইফুল কবির ও তার পরিবারে সম্পদের সাথে সাথে মোহাম্মদপুর, ঢাকার বাড়ি স্ত্রীর ফারজানা নাসরিন হক এর নামে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে নিমার্ণ করেছেন। ধানমন্ডিতে তার স্ত্রীর নামে একটি আলিশান বাড়ী নিমার্ণ করেছেন প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয় করে। খুলনায় সদরে তার স্ত্রীর নামে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী নিমার্ণ করেছেন প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয় করে। খুলনা জেলার ফুলতলা থানায় শত শত বিঘা জমি ক্রয় করেছেন বলে এলাকাবাসি জানান। ক্রয় করেছেন পূর্বাচলে আবাসিক এলাকায় তার স্ত্রীর নামে একাধিক প্লট রয়েছে এবং বসুন্ধারা আবাসিক এলাকায় একটি বিলাশবহুল বাড়ি রয়েছে। মাসুমা নাসরিন হক এর নামে একটি বিলাশবহুল গাড়ী রয়েছে যার গাড়ী নং- ঢাকা মেট্রো-গ-৩২-৮২৯৭, গাড়ীটির মূল্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। গাড়ীর ঠিকানা: বাসা-১৪, এভিনিউ-০১, ব্লক-বি, মিরপুর-০২, ঢাকা। গাড়ীটির মালিক মাসুমা নাসরিন হক একজন গৃহিনী হয়েও তার নামে বিলাশবহুল গাড়ী, বাড়ী রয়েছে। তাছাড়া তার স্ত্রীর নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের একাধিক বাড়ী, গাড়ী, ফ্ল্যাট, প্লট ও বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। বর্তমানে এলজিইডির সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যাক্তি কাজী সাইফুল কবির। তার কথা ছাড়া সারা বাংলাদেশের এলজিইডির কোন প্রকার বদলী নিয়োগ ও প্রমোশন হয়না। তিনি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিম্মি করে সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে ঘুষ গ্রহন করে সমস্ত অপকর্ম করে থাকেন। তার সরকারি আত্মসাতকৃত টাকা, ঘুষের টাকা তার স্ত্রী ক্যাশিয়ার হিসাবে কাজ করেন। তার রয়েছে কয়েক ডজন সাংবাদিক এর সঙ্গে সু পরিচিত হওয়ায় অন্যান্য সাংবাদিকগণ তার অবৈধ সম্পদ ও অবৈধ কর্মকান্ড অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিক নেতাদের মাধ্যমে তা ম্যানেজ করে ফেলেন। তা হলে তিনি বিভিন্ন ভাবে মাস্তান চাদাবাজের মাধ্যমে মামলা হামলার হুমকি দিয়ে তার অনুসন্ধান কাজ বাধাগ্রস্ত করে থাকেন। কাজী সাইফুল কবির এর বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত করলে আরও থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন সময়ে অপশক্তিকে ম্যানেজ করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ এলজিইডির সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌলশী বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবির।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য, নামে বেনামে সম্পদের পাহাড়

আপডেট: ১০:০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি :

এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌলশী পদে কর্মরত কাজী সাইফুল কবিরের কর্মস্থলে দির্ঘদিন ধরে ঘুষ অনিয়ম দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। একাধীক সুত্রে যানা যায় বিগত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে এলজিইডির কর্মরত থেকে ঘুষ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছিলেন তিনি। এখনো রয়েগেছেন বহাল তরিয়াতে। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট। তাঁর অবৈধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ বদলী ও ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বনে গেছেন রাতারাতি কোটিপতি। রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানানো তাঁর কাজ। বেপরোয়া কমিশন বানিজ্যর কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে তাঁর অধিনস্থ সকল কার্যক্রম। সুত্রে আরও জানা যায় এলজিইডির কাজী সাইফুল কবিরের প্রভাব ও অনিয়ম করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে এ যেন দেখার কেউ নেই। এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবিরের প্রভাব ও অনিয়মের অভিযোগ ভুরি ভুরি থাকলেও তিনি দীর্ঘ দিন অবস্থান শুধু নীতিমালা লঙ্ঘনই নয়, বরং প্রতিষ্ঠিত প্রভাব ও দুর্নীতির ইঙ্গিত বহন করে। মহা-দুর্নীতিবাজ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবির চাকরীর বিভিন্ন সময় কালে ভুয়া বিল ভাওছারের বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বনে গেছেন কোটি পতি। অতিরিক্ত বরাদ্ধ নিয়ে নাম মাত্র কাজকরে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আলোচিত-সমালোচিত রুপ পুর বালিশ কান্ডে অনেক কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের সময়ে চাকরিচুত কিংবা সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে এখনো বহালে চাকরি করছেন এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্তি প্রধান প্রকৌলশী পদে কর্মরত কাজী সাইফুল কবির। বিগত সময়ে অধিনস্তদের বদলী বানিজ্যসহ নানা ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির চক্র গড়ে তোলে হাতিয়ে নিয়েছেনে কোটি কোটি টাকা। এবার এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিরোজ সরকার নামে এক ভোক্তভোগি। তিনি বদলী বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, ও সরকারি অর্থ আত্মসাত করে অবৈধ ভাবে নিজে ও তার স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ প্রায় শত কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার পিতার নাম-কাজী জালাল উদ্দিন, মাতার নাম-হাসিনা বেগম, স্ত্রীর নাম-ফারজানা নাসরিন হক, তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৯৫৬৬৭৯০৭১৪, জন্ম তারিখ: ৭ জুন ১৯৬৮ইং, তার টিআইএন নং-১৫১৫৫৩২১৫২২৬, কর সার্কেল-১৯ (শ্যামনগর) কর অঞ্চল-খুলনা, তার পূর্বের টিআইএন নং-৪২৬১০৬৭১২১, বর্তমান ঠিকানা, বাসা-১০৬৯, কাঠালতলা, মিরপুর-০২, ঢাকা। বাসা-৬/২, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। স্থায়ী ঠিকানাঃ পায়গ্রাম কসবা, কাজী বাড়ী, ডাকঘর: ফুলতলা, থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনা। তার স্ত্রীর নাম ফারজানা নাসরিন হক, তার পিতার নাম-মোঃ মোজাম্মেল হক, মাতার নাম-ইস্পেনডিয়ারী হক, স্বামীর নাম-কাজী সাইফুল কবির। তার পেশা-গৃহিনী, তার জাতিয় পরিচয়পত্র নং-৫৯৭৩৫১৩৯০৫, জন্ম তারিখ: ২৬আগস্ট ১৯৭৩ইং, তার টিআইএন নং-৭৯২৬১৫৪০৭৮২৪, কর সার্কেল-৪৯৪, কর অঞ্চল-২৩, ঢাকা। তার পূর্বের টিআইএন নং-১৮৪১০৪৩০০১, গত ৭ আগস্ট ২০১৩ সালে তার পূর্বের টিনটি অনলাইনে আপডেট করেন। বর্তমান বাসা-১০৬৯, কাঠালতলা, মিরপুর-০২, ঢাকা। স্থায়ী ঠিকানা: বাসা-৬/২, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। তাছাড়া সাইফুল কবির এর মিরপুরস্থ সেকশন-২, ব্লব-বি, এভিঃ-১ এর ১৪ নং বাড়িতে ফ্ল্যাট নং-বি/২, ১১৭৬ বর্গফুটের একটি ফ্লাটও রয়েছে। তাছাড়া একই ভবনে তার শালিকার নামেও ১১৭৬ বর্গফুটের আরো একটি ফ্ল্যাট রয়েছে যা সাইফুল কবির ক্রয়য় করে দেন।
সাইফুল কবির বর্তমান এলজিইডির তত্ত্বধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন পদে কর্মরত থাকার সুবাদে বদলী, বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্য, সহ যাবতীয় অবৈধ কর্মকান্ড তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করিয়ে প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধ ভাবে নিজে ও তার স্ত্রী গৃহিনী ফারজানা নাসরিন হক সহ পরিবারে অন্যন্য সদস্যগণ কোটি কোটি টাকার মালিক বানিয়েছেন। সাইফুল কবির সরকারি অর্থ আত্মসাত করে সরকারের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করেছেন। সাইফুল কবির ও তার পরিবারে সম্পদের সাথে সাথে মোহাম্মদপুর, ঢাকার বাড়ি স্ত্রীর ফারজানা নাসরিন হক এর নামে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে নিমার্ণ করেছেন। ধানমন্ডিতে তার স্ত্রীর নামে একটি আলিশান বাড়ী নিমার্ণ করেছেন প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয় করে। খুলনায় সদরে তার স্ত্রীর নামে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী নিমার্ণ করেছেন প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয় করে। খুলনা জেলার ফুলতলা থানায় শত শত বিঘা জমি ক্রয় করেছেন বলে এলাকাবাসি জানান। ক্রয় করেছেন পূর্বাচলে আবাসিক এলাকায় তার স্ত্রীর নামে একাধিক প্লট রয়েছে এবং বসুন্ধারা আবাসিক এলাকায় একটি বিলাশবহুল বাড়ি রয়েছে। মাসুমা নাসরিন হক এর নামে একটি বিলাশবহুল গাড়ী রয়েছে যার গাড়ী নং- ঢাকা মেট্রো-গ-৩২-৮২৯৭, গাড়ীটির মূল্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। গাড়ীর ঠিকানা: বাসা-১৪, এভিনিউ-০১, ব্লক-বি, মিরপুর-০২, ঢাকা। গাড়ীটির মালিক মাসুমা নাসরিন হক একজন গৃহিনী হয়েও তার নামে বিলাশবহুল গাড়ী, বাড়ী রয়েছে। তাছাড়া তার স্ত্রীর নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের একাধিক বাড়ী, গাড়ী, ফ্ল্যাট, প্লট ও বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। বর্তমানে এলজিইডির সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যাক্তি কাজী সাইফুল কবির। তার কথা ছাড়া সারা বাংলাদেশের এলজিইডির কোন প্রকার বদলী নিয়োগ ও প্রমোশন হয়না। তিনি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিম্মি করে সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে ঘুষ গ্রহন করে সমস্ত অপকর্ম করে থাকেন। তার সরকারি আত্মসাতকৃত টাকা, ঘুষের টাকা তার স্ত্রী ক্যাশিয়ার হিসাবে কাজ করেন। তার রয়েছে কয়েক ডজন সাংবাদিক এর সঙ্গে সু পরিচিত হওয়ায় অন্যান্য সাংবাদিকগণ তার অবৈধ সম্পদ ও অবৈধ কর্মকান্ড অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিক নেতাদের মাধ্যমে তা ম্যানেজ করে ফেলেন। তা হলে তিনি বিভিন্ন ভাবে মাস্তান চাদাবাজের মাধ্যমে মামলা হামলার হুমকি দিয়ে তার অনুসন্ধান কাজ বাধাগ্রস্ত করে থাকেন। কাজী সাইফুল কবির এর বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত করলে আরও থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন সময়ে অপশক্তিকে ম্যানেজ করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ এলজিইডির সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌলশী বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবির।