০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীতে অসহায় বৃদ্ধার চিকিৎসায় মানবিকতার নজির গড়লেন আনসার সদস্যরা

  • আপডেট: ০৫:০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নীলফামারীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অসহায় এক বৃদ্ধার চিকিৎসায় এগিয়ে এসে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা।

জানা যায়, গত ১৪ জুলাই ফরিদা বেগম (৭০) নামে এক ভিক্ষুক বৃদ্ধা অসুস্থ অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার পাশে কোনো স্বজন বা দেখভালের মানুষ না থাকায় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য আনসারুল ইসলাম ও প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. আমিনুর ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে মানবিক উদ্যোগ নেন।

তারা বৃদ্ধার খোঁজখবর নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজ উদ্যোগে তার এক্স-রে করান। পরীক্ষায় তার পা ভাঙা ধরা পড়লে দ্রুত সার্জারি বিভাগে নিয়ে প্লাস্টারের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে ফরিদা বেগমের নিয়মিত চিকিৎসা, সেবাযত্ন ও প্রয়োজনীয় দেখভালের দায়িত্বও পালন করছেন এই দুই আনসার সদস্য।

সরকারি হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের এমন মানবিক ভূমিকা চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয়েছে, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধেও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা সমানভাবে নিবেদিত। ফরিদা বেগমের চিকিৎসায় তাদের এই সহায়তা সরকারি হাসপাতালে মানবিক সেবার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

নীলফামারীতে অসহায় বৃদ্ধার চিকিৎসায় মানবিকতার নজির গড়লেন আনসার সদস্যরা

আপডেট: ০৫:০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নীলফামারীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অসহায় এক বৃদ্ধার চিকিৎসায় এগিয়ে এসে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা।

জানা যায়, গত ১৪ জুলাই ফরিদা বেগম (৭০) নামে এক ভিক্ষুক বৃদ্ধা অসুস্থ অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার পাশে কোনো স্বজন বা দেখভালের মানুষ না থাকায় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য আনসারুল ইসলাম ও প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. আমিনুর ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে মানবিক উদ্যোগ নেন।

তারা বৃদ্ধার খোঁজখবর নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজ উদ্যোগে তার এক্স-রে করান। পরীক্ষায় তার পা ভাঙা ধরা পড়লে দ্রুত সার্জারি বিভাগে নিয়ে প্লাস্টারের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে ফরিদা বেগমের নিয়মিত চিকিৎসা, সেবাযত্ন ও প্রয়োজনীয় দেখভালের দায়িত্বও পালন করছেন এই দুই আনসার সদস্য।

সরকারি হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের এমন মানবিক ভূমিকা চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয়েছে, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধেও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা সমানভাবে নিবেদিত। ফরিদা বেগমের চিকিৎসায় তাদের এই সহায়তা সরকারি হাসপাতালে মানবিক সেবার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।