০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোটি কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বিলে পার্সেন্টেজ বাণিজ্য, ঢাকা ডিসি অফিসের দুর্নীতির মূল কারিগর সার্ভেয়ার মজিবুল হকের মেগা সিন্ডিকেট

  • আপডেট: ০৮:২৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০২১

মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরঃ
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখাকে নিজস্ব অনিয়ম ও লুটেরা সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ডখ্যাত বিতর্কিত সার্ভেয়ার মজিবুল হক। যিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় পুনরায় একই স্থানে বহাল থেকে অনিয়মের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সাভার, কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, দোহার কিংবা নবাবগঞ্জ থেকে আসা হাজার হাজার নিরীহ জমি মালিককে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মজিবুল হক ঘুষের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন যেখানে প্রতিটি ফাইলের গতি নির্ধারণ হয় তার চাহিদা অনুযায়ী মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে। ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মজিবুল হকের নির্দেশে এলএ শাখায় নথিপত্র আটকে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয় এবং ঘুষ না দিলে কৌশলে ‘ফাইল গায়েব’ করার নাটক সাজিয়ে সেবাপ্রার্থীদের চরম হয়রানির মুখোমুখি হতে বাধ্য করা হয়। অনুসন্ধান ও গভীর তদন্তে উন্মোচিত হয়েছে যে সার্ভেয়ার মজিবুল হকের পরিচালনায় এই অফিসে যে বিষবৃক্ষ রোপিত হয়েছে তার শেকড় অনেক গভীরে প্রথিত। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত ভুমি বিল প্রদানের ক্ষেত্রে যেসব কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরে অনুমোদন হয় তারা সবাই এই সিন্ডিকেটে সরাসরি জড়িত এবং মজিবুল হকের সংগৃহীত দুর্নীতির টাকা কেবল তার নিজের বা অফিসের বড়বাবুদের পকেটে যায় না বরং ভূমি মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সহ ভূমি সংস্কার বোর্ডের অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটেও নিয়মিত পৌঁছে যায়। ডিসি অফিসের এই জালিয়াতির পটভূমিতে পূর্বে ভুয়া চেক জালিয়াতি ও ভুয়া দলিল সৃজন করে সরকারের প্রায় ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছিলেন সাবেক তেজগাঁও এসিল্যান্ড আব্দুল কাদের ওরফে বোমা কাদের। যিনি সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের পিএস থাকার সুযোগে প্রতিমন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টাকা খাইয়ে ডিসি অফিসের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়ে অফিসটিকে দুর্নীতির শীর্ষে পৌছে দেন এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও দুদকে মামলা হয়। সেই একই অনিয়মের ধারাবাহিকতা বর্তমানে পুরোপুরি ধরে রেখেছেন এলএ শাখার সার্ভেয়ার মজিবুল হক। অতীত নথির তথ্যে স্পষ্ট যে এলএ কেস নং-২০/২০১৫-১৬ এর অধীনে বাড্ডা রেজিস্ট্রি অফিসের একটি সম্পূর্ণ ভুয়া দলিল যুক্ত করে অসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভূমির মালিক বানিয়ে কোটি কোটি টাকার সরকারি ক্ষতিপূরণ বিল উত্তোলন করেছিলেন মজিবুল হক এবং তার সহযোগী সার্ভেয়ার কবির হোসেন ও আনিসুর রহমান সিন্ডিকেট। যারা চরম চতুরতায় জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও সর্বোচ্চ মৌজা দর বসিয়ে সরকারের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে আদালতে দণ্ডিত হয়ে সশ্রম জেল খাটেন এবং সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত হন। কিন্তু কারামুক্তির পর বিস্ময়কর ও নজিরবিহীনভাবে উর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ও আইনি ফাঁকফোকরের সুযোগ নিয়ে এই দাগি অপরাধী মজিবুল হক পুনরায় একই ডিসি অফিসে স্বপদে পুনর্বাহাল হয়ে আসেন। দাপ্তরিকভাবে এলএ শাখা-১ এর সার্ভেয়ার হয়েও নিজের প্রশাসনিক দাপটে সবচেয়ে বেশি অর্থ লেনদেন হওয়া এলএ শাখা-৩ এর সমুদয় কার্যক্রম, ফাইল অনুমোদন ও কোটি কোটি টাকার বিল ছাড়করণের চাবিকাঠি এককভাবে কুক্ষিগত করে রাখেন। বর্তমানে মজিবুল হকের নেতৃত্বে মোস্তফা ও স্বপন নামের দুজন বহিরাগত ক্যাডার সার্বক্ষণিক ফাইল তদারকি করে এবং স্বঘোষিত ‘সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ম্যানেজমেন্ট’ নামক বেআইনি সংগঠনের সভাপতি সেজে মজিবুল হক তার বেপরোয়া সাম্রাজ্য চালাচ্ছেন। পূর্বে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের অনুগত সাবেক সচিব মহিবুল হক ঢাকায় ডিসি থাকাকালীন তার রাজনৈতিক আশ্রয়কে কাজে লাগিয়ে মজিবুল এক ভাইয়ের অধিগ্রহণকৃত জমির কোটি কোটি টাকা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্য ভাইয়ের নামে ছাড় করা এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরকারি সম্পত্তির অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া কাগজে বিল প্রদানের মতো মারাত্মক অপকর্ম করেছিলেন। বর্তমানে মৌজা ব্রাহ্মণ চিরন, রাজারবাগ, সিদ্ধেশ্বরী ও দক্ষিণ উলুন এলাকার এলএ কেস নং ১৭/২৩-২৪, মৌজা কালাপুর ও দ্বিমুখা এলাকার এলএ কেস নং ১৫/২৩-২৪ এবং মৌজা বাড্ডা এলাকার এলএ কেস নং ০৭/২৩-২৪ এর কোটি কোটি টাকার অধিগ্রহণ বিল প্রদানে সার্ভেয়ার মজিবুল হক সরাসরি ১ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রকাশ্য নগদ কমিশন বা ঘুষ দাবি করছেন। কোনো বৈধ জমিদাতা এই অন্যায্য পার্সেন্টেজ দিতে অস্বীকার করলে মজিবুল হক তার পোষ্য ভুয়া ব্যক্তিদের সামনে দাঁড় করিয়ে উক্ত জমিতে মিথ্যা ‘মিস কেস’ বা আপত্তি দায়ের করিয়ে ফাইল অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে দেন যার ফলে সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ বাধ্য হয়ে মজিবুল হকের সিন্ডিকেটের কাছে নতিস্বীকার করেন। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা ডিসি অফিসের আনাচে কোনাচে ওতপেতে বসে থাকে যেন ক্ষতিগ্রস্থ ভুমি মালিকদের ভুল বুঝিয়ে ঘুষের টাকা আদায় করতে পারে। এত অকাট্য প্রমাণ, সাজা ভোগ এবং প্রতিনিয়ত শত শত ভুক্তভোগীর কান্নার পরও সার্ভেয়ার মজিবুল হক কীভাবে এলএ শাখায় বহাল তবিয়তে নিজের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন তা সচেতন সুশীল সমাজ ও সেবাপ্রার্থীদের কাছে এক চরম রহস্যের সৃষ্টি করেছে যার দরুন ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ মজিবুল হকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্ত পরিচালনা এবং তাকে ডিসি অফিসের এলএ শাখা থেকে দ্রুত অপসারণ করে অন্যত্র বা নিজ জেলায় সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তার অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

কোটি কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বিলে পার্সেন্টেজ বাণিজ্য, ঢাকা ডিসি অফিসের দুর্নীতির মূল কারিগর সার্ভেয়ার মজিবুল হকের মেগা সিন্ডিকেট

আপডেট: ০৮:২৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরঃ
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখাকে নিজস্ব অনিয়ম ও লুটেরা সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ডখ্যাত বিতর্কিত সার্ভেয়ার মজিবুল হক। যিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় পুনরায় একই স্থানে বহাল থেকে অনিয়মের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সাভার, কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, দোহার কিংবা নবাবগঞ্জ থেকে আসা হাজার হাজার নিরীহ জমি মালিককে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মজিবুল হক ঘুষের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন যেখানে প্রতিটি ফাইলের গতি নির্ধারণ হয় তার চাহিদা অনুযায়ী মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে। ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মজিবুল হকের নির্দেশে এলএ শাখায় নথিপত্র আটকে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয় এবং ঘুষ না দিলে কৌশলে ‘ফাইল গায়েব’ করার নাটক সাজিয়ে সেবাপ্রার্থীদের চরম হয়রানির মুখোমুখি হতে বাধ্য করা হয়। অনুসন্ধান ও গভীর তদন্তে উন্মোচিত হয়েছে যে সার্ভেয়ার মজিবুল হকের পরিচালনায় এই অফিসে যে বিষবৃক্ষ রোপিত হয়েছে তার শেকড় অনেক গভীরে প্রথিত। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত ভুমি বিল প্রদানের ক্ষেত্রে যেসব কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরে অনুমোদন হয় তারা সবাই এই সিন্ডিকেটে সরাসরি জড়িত এবং মজিবুল হকের সংগৃহীত দুর্নীতির টাকা কেবল তার নিজের বা অফিসের বড়বাবুদের পকেটে যায় না বরং ভূমি মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সহ ভূমি সংস্কার বোর্ডের অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটেও নিয়মিত পৌঁছে যায়। ডিসি অফিসের এই জালিয়াতির পটভূমিতে পূর্বে ভুয়া চেক জালিয়াতি ও ভুয়া দলিল সৃজন করে সরকারের প্রায় ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছিলেন সাবেক তেজগাঁও এসিল্যান্ড আব্দুল কাদের ওরফে বোমা কাদের। যিনি সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের পিএস থাকার সুযোগে প্রতিমন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টাকা খাইয়ে ডিসি অফিসের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়ে অফিসটিকে দুর্নীতির শীর্ষে পৌছে দেন এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও দুদকে মামলা হয়। সেই একই অনিয়মের ধারাবাহিকতা বর্তমানে পুরোপুরি ধরে রেখেছেন এলএ শাখার সার্ভেয়ার মজিবুল হক। অতীত নথির তথ্যে স্পষ্ট যে এলএ কেস নং-২০/২০১৫-১৬ এর অধীনে বাড্ডা রেজিস্ট্রি অফিসের একটি সম্পূর্ণ ভুয়া দলিল যুক্ত করে অসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভূমির মালিক বানিয়ে কোটি কোটি টাকার সরকারি ক্ষতিপূরণ বিল উত্তোলন করেছিলেন মজিবুল হক এবং তার সহযোগী সার্ভেয়ার কবির হোসেন ও আনিসুর রহমান সিন্ডিকেট। যারা চরম চতুরতায় জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও সর্বোচ্চ মৌজা দর বসিয়ে সরকারের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে আদালতে দণ্ডিত হয়ে সশ্রম জেল খাটেন এবং সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত হন। কিন্তু কারামুক্তির পর বিস্ময়কর ও নজিরবিহীনভাবে উর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ও আইনি ফাঁকফোকরের সুযোগ নিয়ে এই দাগি অপরাধী মজিবুল হক পুনরায় একই ডিসি অফিসে স্বপদে পুনর্বাহাল হয়ে আসেন। দাপ্তরিকভাবে এলএ শাখা-১ এর সার্ভেয়ার হয়েও নিজের প্রশাসনিক দাপটে সবচেয়ে বেশি অর্থ লেনদেন হওয়া এলএ শাখা-৩ এর সমুদয় কার্যক্রম, ফাইল অনুমোদন ও কোটি কোটি টাকার বিল ছাড়করণের চাবিকাঠি এককভাবে কুক্ষিগত করে রাখেন। বর্তমানে মজিবুল হকের নেতৃত্বে মোস্তফা ও স্বপন নামের দুজন বহিরাগত ক্যাডার সার্বক্ষণিক ফাইল তদারকি করে এবং স্বঘোষিত ‘সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ম্যানেজমেন্ট’ নামক বেআইনি সংগঠনের সভাপতি সেজে মজিবুল হক তার বেপরোয়া সাম্রাজ্য চালাচ্ছেন। পূর্বে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের অনুগত সাবেক সচিব মহিবুল হক ঢাকায় ডিসি থাকাকালীন তার রাজনৈতিক আশ্রয়কে কাজে লাগিয়ে মজিবুল এক ভাইয়ের অধিগ্রহণকৃত জমির কোটি কোটি টাকা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্য ভাইয়ের নামে ছাড় করা এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরকারি সম্পত্তির অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া কাগজে বিল প্রদানের মতো মারাত্মক অপকর্ম করেছিলেন। বর্তমানে মৌজা ব্রাহ্মণ চিরন, রাজারবাগ, সিদ্ধেশ্বরী ও দক্ষিণ উলুন এলাকার এলএ কেস নং ১৭/২৩-২৪, মৌজা কালাপুর ও দ্বিমুখা এলাকার এলএ কেস নং ১৫/২৩-২৪ এবং মৌজা বাড্ডা এলাকার এলএ কেস নং ০৭/২৩-২৪ এর কোটি কোটি টাকার অধিগ্রহণ বিল প্রদানে সার্ভেয়ার মজিবুল হক সরাসরি ১ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রকাশ্য নগদ কমিশন বা ঘুষ দাবি করছেন। কোনো বৈধ জমিদাতা এই অন্যায্য পার্সেন্টেজ দিতে অস্বীকার করলে মজিবুল হক তার পোষ্য ভুয়া ব্যক্তিদের সামনে দাঁড় করিয়ে উক্ত জমিতে মিথ্যা ‘মিস কেস’ বা আপত্তি দায়ের করিয়ে ফাইল অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে দেন যার ফলে সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ বাধ্য হয়ে মজিবুল হকের সিন্ডিকেটের কাছে নতিস্বীকার করেন। তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা ডিসি অফিসের আনাচে কোনাচে ওতপেতে বসে থাকে যেন ক্ষতিগ্রস্থ ভুমি মালিকদের ভুল বুঝিয়ে ঘুষের টাকা আদায় করতে পারে। এত অকাট্য প্রমাণ, সাজা ভোগ এবং প্রতিনিয়ত শত শত ভুক্তভোগীর কান্নার পরও সার্ভেয়ার মজিবুল হক কীভাবে এলএ শাখায় বহাল তবিয়তে নিজের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন তা সচেতন সুশীল সমাজ ও সেবাপ্রার্থীদের কাছে এক চরম রহস্যের সৃষ্টি করেছে যার দরুন ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এই চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ মজিবুল হকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্ত পরিচালনা এবং তাকে ডিসি অফিসের এলএ শাখা থেকে দ্রুত অপসারণ করে অন্যত্র বা নিজ জেলায় সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তার অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।