সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঁচজন আটক, অসুস্থ হয়ে একজনের মৃত্যু
- আপডেট: ০৮:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৮০০২
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে আটক মো. জনি হোসেন (৩০) পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল পাঁচটার দিকে জনি হোসেনের মৃত্যু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার ভোররাতে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়। রাত আনুমানিক তিনটার দিকে হাসপাতালের ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার সময় শাহাদত (৩৫) নামের একজনকে আটক করা হয়।
এরপর ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে হাসপাতালের ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. জনি হোসেন, জিহান (১২) ও নাদিম (১১)। সকাল ছয়টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামের আরেকজনকে আটক করা হয়।
আনসারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক পাঁচজনকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁদের সবাইকে তখন সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় হস্তান্তর করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে।
পরে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে আটক শাহাদত ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক আনিসুরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযোগকারীর মোবাইল ফোন ফেরত না দেওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক তিনজনকে হাসপাতালের একটি কক্ষে রাখা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিকেল তিনটার দিকে জনি হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পাঁচটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
জনি হোসেনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।



















