০৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার দুর্নীতিবাজ রাজস্ব পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদলের ঘুষ-দুর্নীতির রাজত্ব, নাম-বেনামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় ও বিলাসবহুল জীবনযাপ

  • আপডেট: ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৪

বিশেষ প্রতিনিধি:

রাজধানী ঢাকার সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং সরকারি রাজস্ব চুরি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন ঢাকা ওয়াসা জোন-৩ (লালমাটিয়া, ঢাকা)-এর বিতর্কিত রাজস্ব পরিদর্শক মোঃ ফজলুর রহমান বাদল। পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবাধ ঘুষ গ্রহণ, চরম গ্রাহক হয়রানি ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এবং গড়ে তুলেছেন নামে-বেনামে রূপকথার মতো অবৈধ সম্পদের পাহাড়। সম্প্রতি এই ওয়াসা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত যাবতীয় দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (ঢাকা ওয়াসা শাখা) সচিব বরাবর একটি বিস্ফোরক লিখিত অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছেন রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার সচেতন নাগরিক সাগর হাওলাদার (পিতা: সরোয়ার হাওলাদার, মাতা: মালেকা বেগম, ঠিকানা: বাসা নং- ৪৬, রোড- ০৫, ব্লক- এ, গুলশান-২, ঢাকা)।

এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান বাদলের ব্যক্তিগত ও অফিশিয়াল সমস্ত তথ্য উন্মোচন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে তার পিতার নাম- আলী মিয়া সরদার, মাতার নাম- ফজিলাতুন নেছা, স্ত্রীর নাম- পারভীন আক্তার, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর- ৫০৮৮৭২৬৫৫৮, জন্ম তারিখ- ০১/১২/১৯৬১ ইং, টিআইএন নম্বর- ৫৫৮৯৩৭৯৮৬০৮১, কর সার্কেল- ০৬ এবং কর অঞ্চল-১, ঢাকা। সরকারি নথিপত্রে তার বর্তমান ঠিকানা হিসেবে দুটি ভিন্ন অভিজাত স্থান উল্লেখ রয়েছে— যার প্রথমটি হলো বাসা নং-৩৫, দক্ষিণখান, উত্তরা, ঢাকা এবং দ্বিতীয়টি হলো ক্রিস্টাল হোমস, ফ্ল্যাট নং-বি/৪, ১৪ নং সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা। দায়েরকৃত অভিযোগে সরাসরি তোপ দেগে বলা হয়েছে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান বাদল বিগত সরকারের আমলে নিজের পদ ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে ঘুষ, দুর্নীতি এবং নিরীহ গ্রাহকদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা জোন-৩, লালমাটিয়া, ঢাকায় কর্মরত থাকা অবস্থায় তার ঘুষ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তিনি একটি সুসংগঠিত দালাল চক্রকে সঙ্গে নিয়ে লালমাটিয়া ও তৎসংলগ্ন এলাকার বাড়ি মালিক এবং সাধারণ পানির গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত চরম হয়রানি করে আসছেন। অভিযোগের মূল সূত্রে জানা যায়, ফজলুর রহমান বাদলের মূল হাতিয়ার হলো ওয়াসার পানির বিল কমানো এবং বাড়ানো। দালালদের মাধ্যমে যেসকল বাড়ি মালিক বা গ্রাহক তার চাহিদা অনুযায়ী লক্ষ লক্ষ টাকার মোটা অঙ্কের ঘুষ তুলে দেন তাদের ওয়াসার অফিশিয়াল বিল ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে একদিকে তিনি নিজে পকেটস্থ করছেন কোটি কোটি টাকার অবৈধ অর্থ, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছেন।

অপরদিকে, যেসব সচেতন বা অনীহা প্রকাশকারী বাড়ি মালিক ও গ্রাহক তার এই অনৈতিক দাবিকৃত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রতিশোধ হিসেবে তাদের পানির বিল কাল্পনিক ও অমানুষিক হারে বাড়িয়ে দিয়ে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক মানসিক চাপে ফেলা হয়। কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে নিরীহ বাড়ি মালিকগণ একপ্রকার বাধ্য হয়েই ফজলুর রহমান বাদল ও তার দালাল চক্রের হাতে মোটা অঙ্কের ঘুষের টাকা তুলে দিয়ে রক্ষা পান। এভাবে বছরের পর বছর ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি নামে-বেনামে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রাইম লোকেশনে বিনিয়োগ করেছেন। শুধু নিজের নামেই নয়, অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা আড়াল করতে তিনি তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের নামেও গড়ে তুলেছেন অঢেল সাম্রাজ্য। অভিযোগে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার স্ত্রীর নামে ঢাকার অত্যন্ত মূল্যবান মোহাম্মদপুর এলাকা এবং বসিলা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বিলাসবহুল বাড়ি এবং বাণিজ্যিক ও আবাসিক প্লট রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, এই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও তার পরিবারের ব্যবহারের জন্য রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল ও আধুনিক মডেলের গাড়ি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন নামীদামী ব্যাংকে ফজলুর রহমান বাদল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোটি কোটি টাকা গচ্ছিত রাখা হয়েছে। অভিযোগে অত্যন্ত জোরালোভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি নিরপেক্ষ ও গভীরে গিয়ে বিভাগীয় ও আইনি তদন্ত পরিচালনা করা হয়, তবে তার শত কোটি টাকারও বেশি অজানা ও অপ্রদর্শিত সিন্ডিকেট, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং দুর্নীতির প্রকৃত থলের বিড়াল ও ভয়াল চেহারা দেশবাসীর সামনে বেরিয়ে আসবে। তাই রাষ্ট্রীয় রাজস্ব রক্ষা ও সাধারণ জনগণের হয়রানি বন্ধের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক কালবিলম্ব না করে তদন্তপূর্বক ফজলুর রহমান বাঙ্গদার বিরুদ্ধে কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফজলুর রহমান বাদলকে একাধিকবার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি বলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঢাকা ওয়াসার দুর্নীতিবাজ রাজস্ব পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদলের ঘুষ-দুর্নীতির রাজত্ব, নাম-বেনামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় ও বিলাসবহুল জীবনযাপ

আপডেট: ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:

রাজধানী ঢাকার সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং সরকারি রাজস্ব চুরি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন ঢাকা ওয়াসা জোন-৩ (লালমাটিয়া, ঢাকা)-এর বিতর্কিত রাজস্ব পরিদর্শক মোঃ ফজলুর রহমান বাদল। পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবাধ ঘুষ গ্রহণ, চরম গ্রাহক হয়রানি ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এবং গড়ে তুলেছেন নামে-বেনামে রূপকথার মতো অবৈধ সম্পদের পাহাড়। সম্প্রতি এই ওয়াসা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত যাবতীয় দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (ঢাকা ওয়াসা শাখা) সচিব বরাবর একটি বিস্ফোরক লিখিত অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছেন রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার সচেতন নাগরিক সাগর হাওলাদার (পিতা: সরোয়ার হাওলাদার, মাতা: মালেকা বেগম, ঠিকানা: বাসা নং- ৪৬, রোড- ০৫, ব্লক- এ, গুলশান-২, ঢাকা)।

এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান বাদলের ব্যক্তিগত ও অফিশিয়াল সমস্ত তথ্য উন্মোচন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে তার পিতার নাম- আলী মিয়া সরদার, মাতার নাম- ফজিলাতুন নেছা, স্ত্রীর নাম- পারভীন আক্তার, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর- ৫০৮৮৭২৬৫৫৮, জন্ম তারিখ- ০১/১২/১৯৬১ ইং, টিআইএন নম্বর- ৫৫৮৯৩৭৯৮৬০৮১, কর সার্কেল- ০৬ এবং কর অঞ্চল-১, ঢাকা। সরকারি নথিপত্রে তার বর্তমান ঠিকানা হিসেবে দুটি ভিন্ন অভিজাত স্থান উল্লেখ রয়েছে— যার প্রথমটি হলো বাসা নং-৩৫, দক্ষিণখান, উত্তরা, ঢাকা এবং দ্বিতীয়টি হলো ক্রিস্টাল হোমস, ফ্ল্যাট নং-বি/৪, ১৪ নং সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা। দায়েরকৃত অভিযোগে সরাসরি তোপ দেগে বলা হয়েছে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান বাদল বিগত সরকারের আমলে নিজের পদ ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে ঘুষ, দুর্নীতি এবং নিরীহ গ্রাহকদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা জোন-৩, লালমাটিয়া, ঢাকায় কর্মরত থাকা অবস্থায় তার ঘুষ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তিনি একটি সুসংগঠিত দালাল চক্রকে সঙ্গে নিয়ে লালমাটিয়া ও তৎসংলগ্ন এলাকার বাড়ি মালিক এবং সাধারণ পানির গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত চরম হয়রানি করে আসছেন। অভিযোগের মূল সূত্রে জানা যায়, ফজলুর রহমান বাদলের মূল হাতিয়ার হলো ওয়াসার পানির বিল কমানো এবং বাড়ানো। দালালদের মাধ্যমে যেসকল বাড়ি মালিক বা গ্রাহক তার চাহিদা অনুযায়ী লক্ষ লক্ষ টাকার মোটা অঙ্কের ঘুষ তুলে দেন তাদের ওয়াসার অফিশিয়াল বিল ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে একদিকে তিনি নিজে পকেটস্থ করছেন কোটি কোটি টাকার অবৈধ অর্থ, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছেন।

অপরদিকে, যেসব সচেতন বা অনীহা প্রকাশকারী বাড়ি মালিক ও গ্রাহক তার এই অনৈতিক দাবিকৃত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রতিশোধ হিসেবে তাদের পানির বিল কাল্পনিক ও অমানুষিক হারে বাড়িয়ে দিয়ে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক মানসিক চাপে ফেলা হয়। কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে নিরীহ বাড়ি মালিকগণ একপ্রকার বাধ্য হয়েই ফজলুর রহমান বাদল ও তার দালাল চক্রের হাতে মোটা অঙ্কের ঘুষের টাকা তুলে দিয়ে রক্ষা পান। এভাবে বছরের পর বছর ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি নামে-বেনামে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রাইম লোকেশনে বিনিয়োগ করেছেন। শুধু নিজের নামেই নয়, অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা আড়াল করতে তিনি তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের নামেও গড়ে তুলেছেন অঢেল সাম্রাজ্য। অভিযোগে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার স্ত্রীর নামে ঢাকার অত্যন্ত মূল্যবান মোহাম্মদপুর এলাকা এবং বসিলা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বিলাসবহুল বাড়ি এবং বাণিজ্যিক ও আবাসিক প্লট রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, এই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও তার পরিবারের ব্যবহারের জন্য রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল ও আধুনিক মডেলের গাড়ি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন নামীদামী ব্যাংকে ফজলুর রহমান বাদল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোটি কোটি টাকা গচ্ছিত রাখা হয়েছে। অভিযোগে অত্যন্ত জোরালোভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি নিরপেক্ষ ও গভীরে গিয়ে বিভাগীয় ও আইনি তদন্ত পরিচালনা করা হয়, তবে তার শত কোটি টাকারও বেশি অজানা ও অপ্রদর্শিত সিন্ডিকেট, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং দুর্নীতির প্রকৃত থলের বিড়াল ও ভয়াল চেহারা দেশবাসীর সামনে বেরিয়ে আসবে। তাই রাষ্ট্রীয় রাজস্ব রক্ষা ও সাধারণ জনগণের হয়রানি বন্ধের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক কালবিলম্ব না করে তদন্তপূর্বক ফজলুর রহমান বাঙ্গদার বিরুদ্ধে কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফজলুর রহমান বাদলকে একাধিকবার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি বলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।