১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

”অপহরণ’ নাকি অন্য কিছু? সিসিটিভিতে মোটরসাইকেলে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য – ৪০ মিনিট পর ফিরে অস্বীকার সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময়ের

  • আপডেট: ১০:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০৯

৪০ মিনিট পর অফিসে ফিরে অপহরণ অস্বীকার; দাবি, রিকশায় ভৈরব নদের পাশের সড়কে গিয়ে কথা বলেছেন মুখ পরিচিতদের সঙ্গে

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা: খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর তাঁকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে—এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ছুটে যান। অফিসের রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত DVR-এর সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পর্যবেক্ষণ করা হয়। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুটেজে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে তন্ময় কুমার মন্ডলকে মোটরসাইকেলে করে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। অথচ প্রায় ৪০ মিনিট পর অফিসে ফিরে তিনি অপহরণের ঘটনা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, তিনি রিকশায় করে খুলনার ভৈরব নদের পাশের একটি সড়কে গিয়েছিলেন। সেখানে পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি অফিসে ফিরে এসেছেন।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে, কয়েকজন যুবক সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে অফিস এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে গেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তাকে দিনের বেলায় এভাবে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান খুলনা সদর থানা পুলিশের সদস্যরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীরাও সেখানে ছুটে যান।

ঘটনার প্রকৃত অবস্থা জানতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিজস্ব সিসিটিভি ব্যবস্থার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। অফিসের রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত DVR ও মনিটরে পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুটেজে তন্ময় কুমার মন্ডলকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। তবে ফুটেজের দৃশ্য থেকে তাঁকে জোর করে নেওয়া হয়েছিল, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় তাদের সঙ্গে গিয়েছিলেন—সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার শুরু করলে ‘সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে’। এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে এবং ঘটনাটি মুহূর্তেই আলোচনায় আসে।

এরই মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট পর তন্ময় কুমার মন্ডল নিজেই অফিসে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি সাংবাদিকদের কাছে স্পষ্টভাবে দাবি করেন, তাঁকে কেউ অপহরণ করেননি। কয়েকজন মুখচেনা ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। তিনি রিকশায় করে খুলনার ভৈরব নদের পাশের একটি সড়কে যান এবং সেখানে তাঁদের সঙ্গে কথা বলা শেষে অফিসে ফিরে আসেন।

তাঁর এই বক্তব্যের পরই ঘটনার নতুন দিক সামনে আসে। কারণ তন্ময় কুমার মন্ডল নিজে রিকশায় যাওয়ার কথা বললেও অফিসের নিজস্ব DVR-এ সংরক্ষিত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণকারী গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে। ফলে তাঁর বক্তব্য এবং ফুটেজে দৃশ্যমান ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে কথিত অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তাহলে ওই যুবকেরা কারা? তাঁদের সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের কী সম্পর্ক? তাঁরা কেন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন? ভৈরব নদের পাশের ঠিক কোন স্থানে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে? কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল? আর তিনি যদি রিকশায় গিয়ে থাকেন, তাহলে সিসিটিভি ফুটেজে মোটরসাইকেলে যাওয়ার দৃশ্যের ব্যাখ্যা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে সিসিটিভি ফুটেজে কাউকে মোটরসাইকেলে যেতে দেখা গেলেই সেটিকে অপহরণের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না। তন্ময় কুমার মন্ডল কোনো চাপ বা নিরাপত্তাজনিত কারণে তথ্য গোপন করছেন, এমন দাবির পক্ষেও এখন পর্যন্ত যাচাইকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাটিকে ‘অপহরণ’ বা অন্য কোনো অপরাধ হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপনের আগে পুলিশি তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য প্রয়োজন।

ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের DVR-এ থাকা মূল সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও পূর্ণাঙ্গভাবে বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফুটেজে দৃশ্যমান মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর শনাক্ত করা, চালক ও সঙ্গে থাকা যুবকদের পরিচয় বের করা, তাঁদের বক্তব্য নেওয়া এবং তন্ময় কুমার মন্ডলের বর্ণিত ভৈরব নদের পাশের স্থান ও ওই ৪০ মিনিটের গতিবিধি যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হতে পারে।

দিনের আলোয় একজন সরকারি কর্মকর্তাকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চলে যেতে দেখা, মুহূর্তের মধ্যে ‘অপহরণের’ খবর ছড়িয়ে পড়া, পুলিশের তৎপরতা এবং মাত্র ৪০ মিনিট পর ফিরে এসে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সম্পূর্ণ ভিন্ন বর্ণনা, সব মিলিয়ে ঘটনাটি খুলনায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই—সিসিটিভিতে মোটরসাইকেল, বক্তব্যে রিকশা; ওই ৪০ মিনিটে আসলে কী ঘটেছিল?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

”অপহরণ’ নাকি অন্য কিছু? সিসিটিভিতে মোটরসাইকেলে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য – ৪০ মিনিট পর ফিরে অস্বীকার সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময়ের

আপডেট: ১০:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

৪০ মিনিট পর অফিসে ফিরে অপহরণ অস্বীকার; দাবি, রিকশায় ভৈরব নদের পাশের সড়কে গিয়ে কথা বলেছেন মুখ পরিচিতদের সঙ্গে

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা: খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর তাঁকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে—এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ছুটে যান। অফিসের রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত DVR-এর সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পর্যবেক্ষণ করা হয়। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুটেজে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে তন্ময় কুমার মন্ডলকে মোটরসাইকেলে করে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। অথচ প্রায় ৪০ মিনিট পর অফিসে ফিরে তিনি অপহরণের ঘটনা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, তিনি রিকশায় করে খুলনার ভৈরব নদের পাশের একটি সড়কে গিয়েছিলেন। সেখানে পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি অফিসে ফিরে এসেছেন।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে, কয়েকজন যুবক সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে অফিস এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে গেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তাকে দিনের বেলায় এভাবে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান খুলনা সদর থানা পুলিশের সদস্যরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীরাও সেখানে ছুটে যান।

ঘটনার প্রকৃত অবস্থা জানতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিজস্ব সিসিটিভি ব্যবস্থার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। অফিসের রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত DVR ও মনিটরে পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুটেজে তন্ময় কুমার মন্ডলকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। তবে ফুটেজের দৃশ্য থেকে তাঁকে জোর করে নেওয়া হয়েছিল, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় তাদের সঙ্গে গিয়েছিলেন—সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার শুরু করলে ‘সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে’। এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে এবং ঘটনাটি মুহূর্তেই আলোচনায় আসে।

এরই মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট পর তন্ময় কুমার মন্ডল নিজেই অফিসে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি সাংবাদিকদের কাছে স্পষ্টভাবে দাবি করেন, তাঁকে কেউ অপহরণ করেননি। কয়েকজন মুখচেনা ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। তিনি রিকশায় করে খুলনার ভৈরব নদের পাশের একটি সড়কে যান এবং সেখানে তাঁদের সঙ্গে কথা বলা শেষে অফিসে ফিরে আসেন।

তাঁর এই বক্তব্যের পরই ঘটনার নতুন দিক সামনে আসে। কারণ তন্ময় কুমার মন্ডল নিজে রিকশায় যাওয়ার কথা বললেও অফিসের নিজস্ব DVR-এ সংরক্ষিত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণকারী গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে অফিস এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে। ফলে তাঁর বক্তব্য এবং ফুটেজে দৃশ্যমান ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে কথিত অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তাহলে ওই যুবকেরা কারা? তাঁদের সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের কী সম্পর্ক? তাঁরা কেন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন? ভৈরব নদের পাশের ঠিক কোন স্থানে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে? কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল? আর তিনি যদি রিকশায় গিয়ে থাকেন, তাহলে সিসিটিভি ফুটেজে মোটরসাইকেলে যাওয়ার দৃশ্যের ব্যাখ্যা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে সিসিটিভি ফুটেজে কাউকে মোটরসাইকেলে যেতে দেখা গেলেই সেটিকে অপহরণের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না। তন্ময় কুমার মন্ডল কোনো চাপ বা নিরাপত্তাজনিত কারণে তথ্য গোপন করছেন, এমন দাবির পক্ষেও এখন পর্যন্ত যাচাইকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাটিকে ‘অপহরণ’ বা অন্য কোনো অপরাধ হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপনের আগে পুলিশি তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য প্রয়োজন।

ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের DVR-এ থাকা মূল সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও পূর্ণাঙ্গভাবে বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফুটেজে দৃশ্যমান মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর শনাক্ত করা, চালক ও সঙ্গে থাকা যুবকদের পরিচয় বের করা, তাঁদের বক্তব্য নেওয়া এবং তন্ময় কুমার মন্ডলের বর্ণিত ভৈরব নদের পাশের স্থান ও ওই ৪০ মিনিটের গতিবিধি যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হতে পারে।

দিনের আলোয় একজন সরকারি কর্মকর্তাকে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চলে যেতে দেখা, মুহূর্তের মধ্যে ‘অপহরণের’ খবর ছড়িয়ে পড়া, পুলিশের তৎপরতা এবং মাত্র ৪০ মিনিট পর ফিরে এসে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সম্পূর্ণ ভিন্ন বর্ণনা, সব মিলিয়ে ঘটনাটি খুলনায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই—সিসিটিভিতে মোটরসাইকেল, বক্তব্যে রিকশা; ওই ৪০ মিনিটে আসলে কী ঘটেছিল?