বঙ্গোপসাগরে সফলভাবে নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ
- আপডেট: ০৭:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৮০০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
বঙ্গোপসাগরে সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ‘বার্ষিক সমুদ্র মহড়া-২০২৫’ শেষ হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) এ মহড়া শেষ হয়েছে বলে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআর জানায়, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা; বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ থেকে সমাপনী দিবসের মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। এছাড়াও নৌবাহিনীর এই মহড়ায় অন্যান্য উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এ মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোলক্রাফ্ট, মিসাইল বোটসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ এবং নৌবাহিনীর মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার এবং বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস্ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে।
এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থা এ মহড়ায় প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত এ মহড়ার উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে নৌবহরের বিভিন্ন রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিস্টিক অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌস্থাপনাগুলোর প্রতিরক্ষা মহড়া প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
চূড়ান্ত দিনের মহড়ার উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, অ্যান্টি এয়ার র্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ্ চার্জ ফায়ারিং, ইউএভি অপারেশন, নৌ কমান্ডোদের মহড়া হেলিকপ্টার ভিজিট বোর্ড সার্চ অ্যান্ড সিজার (এইচভিএসএস) ও নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন রণকৌশল।
নৌবাহিনীর এ বার্ষিক মহড়ার মূল লক্ষ্য সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ, সমুদ্র পথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালানরোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্র এলাকায় প্রহরা নিশ্চিতকরণ। মহড়ার সফল সমাপ্তিতে আগত অতিথিরা এ মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সব কর্মকর্তা ও নাবিকদের অভিনন্দন জানান এবং নৌ সদস্যদের পেশাগত মান, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও উপস্থিত অতিথিরা দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকারও প্রশংসা করেন।




















