০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ওসমান হাদিকে বাঁচাতে রক্তের ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

  • আপডেট: ০৫:২৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

গুলিবিদ্ধ গুরুতর অবস্থায় থাকা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে বাঁচাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রক্তের ব্যবস্থা করেছে। তার রক্তের গ্রুপ–‘বি’ নেগেটিভ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) সূত্র জানায়,চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ওসমান হাদির শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার জরুরি রক্ত প্রয়োজন। সেনাবাহিনী এরই মধ্য রক্তের ব্যবস্থা করেছে।

এর আগে,আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলি করা হয় ওসমান হাদিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পৌনে ৩টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। তার বাম কানের পাশে এক রাউন্ড গুলি লেগেছে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী জানান, নির্বাচনী প্রচারণাকালে তাকে গুলি করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছিলেন,‌‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমাদের টিম পাঠিয়েছি।’

এদিকে,ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক তার গুলিবিদ্ধের ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ওসমান হাদি এখন সেখানে চিকিৎসাধীন।’

গত নভেম্বর মাসে দেশী-বিদেশী ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন,তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুনসহ তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে।

ওসমান হাদি লিখেছিলেন,‘গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশী নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা,বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।’

ওসমান হাদি (৩৩) ঝালকাঠির নলছিটি এলাকার শরিফ আব্দুল্লার ছেলে। হাদির পরিবার সেখানেই থাকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ওসমান হাদিকে বাঁচাতে রক্তের ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

আপডেট: ০৫:২৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

গুলিবিদ্ধ গুরুতর অবস্থায় থাকা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে বাঁচাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রক্তের ব্যবস্থা করেছে। তার রক্তের গ্রুপ–‘বি’ নেগেটিভ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) সূত্র জানায়,চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ওসমান হাদির শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার জরুরি রক্ত প্রয়োজন। সেনাবাহিনী এরই মধ্য রক্তের ব্যবস্থা করেছে।

এর আগে,আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলি করা হয় ওসমান হাদিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পৌনে ৩টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। তার বাম কানের পাশে এক রাউন্ড গুলি লেগেছে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী জানান, নির্বাচনী প্রচারণাকালে তাকে গুলি করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছিলেন,‌‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমাদের টিম পাঠিয়েছি।’

এদিকে,ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক তার গুলিবিদ্ধের ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ওসমান হাদি এখন সেখানে চিকিৎসাধীন।’

গত নভেম্বর মাসে দেশী-বিদেশী ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন,তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুনসহ তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে।

ওসমান হাদি লিখেছিলেন,‘গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশী নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা,বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।’

ওসমান হাদি (৩৩) ঝালকাঠির নলছিটি এলাকার শরিফ আব্দুল্লার ছেলে। হাদির পরিবার সেখানেই থাকে।